বাণী
আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল শক্তি-মাতাল বুনো পাগল থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়। গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল। আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
স্বরলিপি

আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল শক্তি-মাতাল বুনো পাগল থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়। গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল। আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

চঞ্চল সুন্দর নন্দকুমার। গোপী চিতচোর প্রেম-মনোহর নওল কিশোর অন্তর মাঝে বাজে বেণু তার নন্দকুমার নন্দকুমার, নন্দকুমার॥ শ্রাবণ আনন্দ নূপুর ছন্দ রুনুঝুনু বাজে নন্দের আঙিনায় নন্দন চন্দ, নাচিছে হেলে দুলে গোপাল সাজে। টলমল টলে রাঙা পদতলে লঘু হ’য়ে বিপুল ধরণীর ভার — নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥ রূপ নেহারিতে এলো লুকায়ে দেবতা কেহ গোপগোপী হলো, কেহ তরুলতা; আনন্দ-অশ্রু নদী হ’য়ে বয়ে যায়, উতল যমুনায়। প্রণতা প্রকৃতি নিরালা সাজায়, বনডালায় পূজা ফুল সম্ভার। নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আল্লা নামের দরখ্তে ভাই ফুটেছে এক ফুল। তাঁরে কেউ বলে মোস্তফা নবী, কেউ বলে রসুল।। পয়গম্বর ফেরেশ্তা হুর পরী ফকির ওলি খুঁজে জমিন আসমান ভাই দেখতে সে ফুল-কলি, সে-ফুল যে দেখেছে সেই হয়েছে বেহেশ্তি বুলবুল।। আল্লা নামের দরিয়াতে ভাই উঠলো প্রেমের ঢেউ তারে কেউ বলে আমিনা দুলাল, মোহম্মদ কয় কেউ, সে-ঢেউ যে দেখেছে সে পেয়েছে অকূলের কূল।। আল্লা নামের খনিতে ভাই উঠেছে এক মণি কোটি কোহিনূর ম্লান হয়ে যায় হেরি’ তার রোশ্নি, সেই মণির রঙে উঠল রেঙে ঈদের চাঁদের দুল তারে কেউ বলে মোস্তফা নবী, কেউ বলে রসুল।।
রাগঃ
তালঃ
ও বন্ধু! দেখ্লে তোমায়, বুকের মাঝে জোয়ার-ভাঁটা খেলে। আমি এক্লা ঘাটে কুলবধূ কেন তুমি এলে বন্ধু, কেন তুমি এলে।। ও বন্ধু, আমার অঙ্গে কাঁটা দিয়ে ওঠে বাজাও যখন বাঁশি আমি খিড়্কি দুয়ার দিয়ে বন্ধু, জল ভরিতে আসি ভেসে’ নয়ন-জলে ঘরে ফিরি ঘাটে কলস ফেলে।। আমার পাড়ায়, বন্ধু, তোমার নাম যদি নেয় কেউ বুকে আমার দুলে ওঠে পদ্মা নদীর ঢেউ বন্ধু পদ্মা নদীর ঢেউ। ওগো ও চাঁদ, এনো না আর দু’কূল-ভাঙা এমন জোয়ার কত ছল ক’রে জল লুকাই চোখের কাঁচা কাঠে আগুন জ্বেলে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কেঁদো না কেঁদো না মাগো কে বলেছে কালো? ইষৎ হাসিতে তোর ত্রিভুবন আলো, কে বলেছে কালো।। কে দিয়েছে গালি তোরে, মন্দ সে মন্দ! যে বলেছে কালি তোরে, অনধ সে অন্ধ! মোর তারায় সে দেখে নাই তার নয়ন-তারা য়নাই আলো! তাই তারায় সে দেখে নাই।। রাখে লুকিয়ে মা তোর নয়ন-কমল (মাগো) কোটি আলোর সহস্র দল তোর রূপ দেখে মা লজ্জায় শিব অঙ্গে ছাই মাখালো।। তোর নীল -কপোলে কোটি তারা, চন্দনেরি ফোটার পারা ঝিকিমিকি করে গো — মা তোর দেহলতায় অতুল কোটি রবি -শশীর মুকুল ফোটে আবার ঝরে গো — তুমি হোমের শিখা বহ্নি- জ্যোতি, তুমি স্বাহা দীপ্তিমতী আঁধার ভুবন ভবনে মা কল্যাণ-দীপ জ্বালো তুমি কল্যাণ-দীপ জ্বালা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

আমার দেওয়া ব্যথা ভোলো। আজ যে যাবার সময় হলো।। নিব্বে যখন আমার বাতি আসবে তোমার নূতন সাথি, আমার কথা তা'রে বলো।। ব্যথা দেওয়ার কী যে ব্যথা জানি আমি, জানে দেবতা। জানিলে না কী অভিমান করেছে হায় আমায় পাষাণ, দাও যেতে দাও, দুয়ার খোলো।।
রাগঃ জৌনপুরী-টোড়ি
তালঃ একতাল
