বাণী
আও আও স্যজনী ম্যঙ্গল গাও শঙ্খ বাজাও স্যফ্যল মানো র্যজনী।। অ্যম্যর লোক্ সে কুসুম গিরাও তীন লোক্ মে হ্যর্যষ মানাও হঁস্যতী আজ ধরণী।।
নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

আও আও স্যজনী ম্যঙ্গল গাও শঙ্খ বাজাও স্যফ্যল মানো র্যজনী।। অ্যম্যর লোক্ সে কুসুম গিরাও তীন লোক্ মে হ্যর্যষ মানাও হঁস্যতী আজ ধরণী।।
নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ছি ছি ছি কিশোর হরি, হেরিয়া লাজে মরি সেজেছ এ কোন রাজ সাজে যেন সঙ্ সেজেছ, হরি হে যেন সঙ্ সেজেছ — ফাগ মুছে তুমি পাপ বেঁধেছ হরি হে যেন সঙ্ সেজেছ; সংসারে তুমি সঙ্ সাজায়ে নিজেই এবার সঙ্ সেজেছ। বামে শোভিত তব মধুরা গোপিনী নব সেথা মথুরার কুবুজা বিরাজে। মিলেছে ভাল, বাঁকায় বাঁকায় মিলেছে ভাল, ত্রিভঙ্গ অঙ্গে কুবুজা সঙ্গে বাঁকায় বাঁকায় মিলেছে ভাল। হরি ভাল লাগিল না বুঝি হৃদয়-আসন তাই সিংহাসনে তব মজিয়াছে মন প্রেম ব্রজধাম ছেড়ে নেমে এলে কামরূপ হরি, এতদিনে বুঝিলাম তোমার স্বরূপ তব স্বরূপ বুঝি না হে গোপাল রূপ ফেলে ভূপাল রূপ নিলে স্বরূপ বুঝি না হে। হরি মোহন মুরলী কে হরি’ নিল কুসুম কোমল হাতে এমন নিঠুর রাজদন্ড দিল মোহন মুরলী কে হরি। দন্ড দিল কে, রাধারে কাঁদালে বলে দন্ড দিল কে দন্ডবৎ করি শুধাই শ্রীহরি দন্ড দিল কে রাঙা চরণ মুড়েছে কে সোনার জরিতে খুলে রেখে মধুর নূপুর, হরি হে খুলে রেখে মধুর নূপুর। হেথা সবাই কি কালা গো ? কারুর কি কান নাই নূপুর কি শোনে নাই, সবাই কাল গো কালায় পেয়ে হল হেথায় সবাই কি কালা গো। তব এ রূপ দেখিতে নারি, হরি আমি ব্রজনারী, ফিরে চল তব মধুপুর সেথা সকলি যে মধুময়, অন্তরে মধু বাহিরে মধু সেথা সকলি যে মধুময় — ফিরে চল হরি মধুপুর।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

অন্ধকারের তীর্থপথে ভাসিয়ে দিলাম নামের তরী মায়া মোহের ঝড় বাদলে এবার আমি ভয় না করি। যে নাম লেখা তারায় তারায় যে নাম ঝরে অশ্রুধারায় যাত্রা শুরু সেই নামেরি জপমালা বক্ষে ধরি।। এই আঁধারের অন্তরালে লক্ষ রবি চন্দ্র জ্বলে নিত্য ফোটে আলোর কমল জানি তোমার চরণ তলে। এবার ওগো অশিব নাশন থামাও তোমার ঢেউর নাচন সেই ত অমর মরণ যদি ধ্যান সাগরে ডুবে মরি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

হে পার্থসারথি! বাজাও বাজাও পাঞ্চজন্য শঙ্খ চিত্তের অবসাদ দূর কর কর দূর ভয়–ভীত জনে কর হে নিঃশঙ্ক।। ধনুকে টঙ্কার হানো হানো, গীতার মন্ত্রে জীবন দানো; ভোলাও ভোলাও মৃত্যু–আতঙ্ক।। মৃত্যু জীবনের শেষ নহে নহে — শোনাও শোনাও — অনন্ত কাল ধরি’ অনন্ত জীবন প্রবাহ বহে। দুর্মদ দুরন্ত যৌবন–চঞ্চল ছাড়িয়া আসুক মা’র স্নেহ–অঞ্চল; বীর সন্তানদল করুক সুশোভিত মাতৃ–অঙ্ক।।
রাগঃ শিবরঞ্জনী
তালঃ কাহার্বা

কালা এত ভাল কি হে কদম্ব গাছের তলা। আমি দেখ্ছি কত দেখ্ব কত তোমার ছলাকলা; আমি নিতুই নিতুই সবই কত, (কালা) তিন সতিনের জ্বালা॥ আমি জল নিতে যাই যমুনাতে তুমি বাজাও বাঁশি হে, মনের ভুলে কলস ফেলে তোমার কাছে আসি হে, শ্যাম দিন-দুপুরে গোকুলপুরে (আমার) দায় হল পথ চলা॥ আমার চারদিকেতে ননদ-সতীন দু’কূল রাখা ভার, আমি সইব কত আর বাঁকা শ্যাম। ওরা বুঝছে সবই নিত্যি-নতুন, (নিতি) মিথ্যে কথা বলা॥
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

আকুল ব্যাকুল ঢুঁড়ত ফিঁরু শ্যাম তুম বিনা রহন না জায়। তুম হারে কারণ সব কুছ ছোড়ি প্রীতি ছোড়ন না যায়॥ ক্যিউ তরসাও অন্তরযামী আওয়ো মিলো কির্পা কর স্বামী নিঁদ নাহি র্যয় না দিন নাহি চ্যয় না, বিরহ কী আগ জ্বালায়॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
