আয় আয় যুবতী তম্বী

বাণী

আয় আয় যুবতী তম্বী।
জ্বালো জ্বালো লালসার বহ্নি।।
হান হান হান নয়ন-বাণ
তনুর পেয়ালা ভরি মদিরা আন।।

নাটক : ‘হরপার্বতী’

ওহে রসিক রসাল কদলী

বাণী

ওহে রসিক রসাল কদলী।
ভাবুকের তুমি ভাবের আধার পেটুকের প্রাণ-পুতলী।।
আহা, তুমি যুগে যুগে বর্তমান
বৃন্দাবনে মোহন বাঁশি বাঙলায় মর্তমান।
বহুরূপী তুমি বহুনামধারী চম্প বীচে কাঁঠালি।।
তোমার কাঁচকলা রূপের উপাসক পেট-রোগা যত ভক্ত,
ঝোলে কি ভাজায় তোমারে সাজায় (তুমি) মজাও পলতা শুক্ত।
নৈবেদ্যে ও আদ্য শ্রাদ্ধে দয়াময়, জগতের যত নর-বানর
তোমার কৃপার কাঙালি।।

কৌতুক নাটিকা : ‘পণ্ডিত মশায়ের ব্যাঘ্র শিকার’

চুরি ক’রে এনো গিরি

বাণী

চুরি ক’রে এনো গিরি, আমার উমার দুই কুমারে।
দেখ্‌ব তখন ভোলা মেয়ে কেমন ভু’লে থাকতে পারে॥
তার ছেলেরে আনলে হেথা, বুঝবে মেয়ে মায়ের ব্যথা;
(বিনা) সাধনাতে গৌরী তখন, আসবে ছুটে আমার দ্বারে॥
জামাই আমার শিব ভোলানাথ, ডাকিলেই সে আসিবে জানি
চাইবে নাকো আসতে শুধু, তোমার মেয়ে ঐ পাষাণী।
কুমার গণেশ তুমি আমি, শিব পূজিব দিবস যামী;
শৈব হ’লে শিবাণী মোর, রইতে নারে ছেড়ে তারে॥

তেপান্তরের মাঠে বঁধু হে একা বসে থাকি

বাণী

		তেপান্তরের মাঠে বঁধু হে একা বসে থাকি।
		তুমি যে পথ দিয়ে গেছ চলে তারি ধূলা মাখি’ হে।।
যেমন		পা ফেলেছ গিরিমাটির রাঙা পথের ধূলাতে,
		অমনি করে আমার বুকে চরণ যদি বুলাতে,
আমি		খানিক জ্বালা ভুলতাম ঐ মানিক বুকে রাখি’ হে।।
আমার	খাওয়া পরার নাই রুচি, আর ঘুম আসে না চোখে হে,
আমি		আউরী হয়ে বেড়াই পথে, হাসে পাড়ার লোকে
					দেখে হাসে পাড়ার লোকে।
আমি		তাল পুকুরে যেতে নারি — একি তোমার মায়া হে,
আমি		কালো জলে দেখি তোমার কালো রূপের ছায়া হে;
আমার	কলঙ্কিনী নাম রটিয়ে তুমি দিলে ফাঁকি হে।।

নিশির পাহারা ভেঙে চোর এসেছে

বাণী

	নিশির পাহারা ভেঙে চোর এসেছে ঘর,
	ধরতে গিয়ে দেখি ওলো চোর নয় সে বর।
	বর এসেছে, বর এসেছে, বর এসেছে বর।।
	এ পালিয়েছিল চুরি ক’রে মোদের সখির নিদ্,
(এই)	হৃদয়-বনের শিকারীকে নয়ন দিয়ে বিঁধ্।
এ যে	ফুলের মালায় বন্দী ক’রে পরাল টোপর —
	বর এসেছে, বর এসেছে, বর এসেছে বর।।

নাটক : ‘মধুমালা’

রুমু রুমু রুমু ঝুমু ঝুমু বাজে নূপুর

বাণী

রুমু রুমু রুমু ঝুমু ঝুমু বাজে নূপুর
তালে তালে দোদুল দোলে নাচের নেশায় চুর।।
চঞ্চল বায়ে আঁচল উড়ায়ে
চপল পায়ে ও কে যায়
নাটনী কল তটিনীর প্রায়
চিনি বিদেশিনী চিনি গো তায়
শুনি’ ছন্দ তারি এ হিয়া ভরপুর।।
নাচন শিখালে ময়ুর মরালে
মরিচী-মায়া মরুতে ছড়ালে
বন-মৃগের মন হেসে ভুলালে
ডাগর আঁখির নাচে সাগর দুলালে।
গিরিদরি বনে গো দোল লাগে নাচনের শুনে তারি সুর।।