আমি কি সুখে লো গৃহে রবো

বাণী

আমি কি সুখে লো গৃহে রবো
সখি গো —
আমার শ্যাম হলো যদি যোগী ওলো সখি আমিও যোগিনী হবো।
আমি যোগিনী হবো
শ্যাম যে তরুর তলে বসিবে লো ধ্যানে
সেথা অঞ্চল পাতি’ রবো
আমার বঁধুর পথের ধূলি হবো
আমায় চলে যেতে দলে যাবে সেই সুখে লো ধূলি হবো
সখি গো —
আমি আমার সুখের গোধূলি বেলার
রঙে রঙে তারে রাঙাইব
তার গেরুয়া রাঙা বসন হয়ে
জড়াইয়া রবো দিবস যামী
সখি গো —
সখি আমার কঠিন এ রূপ হবে রুদ্রাক্ষেরই মালা
তার মালা হয়ে ভুলব আমার পোড়া প্রাণের জ্বালা
আমার এ দেহ পোড়ায়ে হইব চিতা ছাই
মাখিবে যোগী মোর পুড়িব সেই আশায়
পোড়ার কি আর বাকি আছে
আমার শ্যাম গেছে যোগী হয়ে ছায়া শুধু পড়ে আছে।।

অবিরাম জপ মন নারায়ণ নারায়ণ

বাণী

	অবিরাম জপ মন নারায়ণ নারায়ণ
যে	নাম করে ধ্যান যোগী ঋষি সুরাসুর নর।
	সীমা যাঁহার পায় না খুঁজি অসীম চরাচর।
যাঁর	করে শঙ্খ-গদা-পদ্মা-চক্র সুদর্শন,
যাঁর	অনন্ত লীলা, যাঁর অনন্ত প্রকাশ
	মধুকৈটভাসুর, কংসে যুগে যুগে করেন নাশ,
কভু	করাল ভীষণ কভু মদনমোহন।।
যার	মুখে গীতা হাতে বাঁশি নূপুর রাঙা পায়
কভু	শ্রীকৃষ্ণ গোকুলে কভু গোরা নদীয়ায়,
তারে	মন-গোপিনী উন্মাদিনী ডাকে অনুক্ষণ —
			তারে ডাকে অনুক্ষণ।।

পাঠান্তরঃ

নারায়ণ! নারায়ণ!
যে নাম জপেন ইন্দ্র-চন্দ্র-ব্রহ্মা-মহেশ্বর
যে নাম করেন ধ্যান যোগী সুরাসুর নর।
সীমা যাঁহার পায় না খুঁজি অসীম চরাচর।
যাঁর করে শঙ্খ-গদা-পদ্মা-চক্র সুদর্শন,
			নারায়ণ! নারায়ণ!
যাঁর অনন্ত লীলা যাঁর অনন্ত প্রকাশ
মধুকৈটভাসুর কংসে যুগে যুগে করেন নাশ
কভু করাল ভীষণ কভু মদনমোহন,
			নারায়ণ! নারায়ণ!
যার মুখে গীতা হাতে বাঁশি নূপুর রাঙা পায়
কভু শ্রীকৃষ্ণ গোকুলে কভু গোরা নদীয়ায়
মোর মন-গোপিনী উন্মাদিনী ডাকে অনুক্ষণ,
			নারায়ণ! নারায়ণ!

আনো আনো অমৃত বারি

বাণী

আনো আনো অমৃত বারি।
পিপাসিত চিত্তের তৃষ্ণা নিবারি।।
আনো নন্দন হতে পারিজাত-কেশর
তীর্থ-সলিল আনো ভরি’ মঙ্গল-হেম-ঝারি।।
প্রখর সূর্যকরে দহিছে দিগন্তর,
মন্দাকিনী-ধারা সঞ্জীবনী আনো নারী।।

কেন উচাটন মন পরান এমন করে

বাণী

কেন উচাটন মন পরান এমন করে।
কেন কাঁদে গো বধূ বঁধুর বুকে বাসরে।।
	কেন মিলন-রাতে
	সলিল আঁখি-পাতে
কেন ফাগুন-প্রাতে সহসা বাদল ঝরে।।
	ডাকিলে অনুরাগে
	কেন বিদায় মাগে,
(কেন) মরিতে সাধ জাগে — পিয়ার বুকের ’পরে।।
	ডাকিয়া ফুলবনে
	থাকে সে আন্‌মনে,
কাঁদায়ে নিরজনে — কাঁদে সে নিজের১ তরে।।
	কবি, তোরে কে কবে
	সাধিল বেণুর রবে,
ধরিতে গেলি যবে — বিঁধিল কুসুম-শরে।।

১. কিসের

মালঞ্চে আজ কাহার যাওয়া আসা

বাণী

মালঞ্চে আজ কাহার যাওয়া আসা।
ঝরা পাতায় বাজে
মৃদুল তাহার পায়ের ভাষা।।
আসার কথা জানায়
ঐ যে ফুলের আখর সবুজ পাতায়,
ঐ দোয়েল শ্যামার কূজন কয় যে বাণী
ঐ ঐ তার ভালোবাসা।।
মদির সমীরণে
তনুর সুবাস পাই যে ক্ষণে ক্ষণে,
সবুজ বসন ফেলি’
পরল ঐ বন কুস্‌মী রাঙা চেলি।
তাই বসুন্ধরায় জাগে অরুণ আশা —
ঐ ঐ যে আলোকের পিপাসা।।

ঈদ মোবারক হোক আজি

বাণী

ঈদ মোবারক হোক আজি ঈদ মোবারক হোক!
সব ঘরে পঁহুচুক এ ঈদের চাঁদের আলোক।।
যে আছে আজ প্রাণের কাছে, আছে আপন পুরে
যে আছে পরদেশে যার লাগি নয়ন ঝুরে
আজ সবারে বারে বারে খোশ খবরি কো’ক্।।
আজের মত দিলে দিলে থাকুক মহাব্বত
আজের মত খুশি থাকুক সবার তবিয়ত্,
কারো যেন থাকে না আর দুঃখ-ব্যথা-শোক।।
আজের মত এক জামাতে মিলন ঈদগাহে
দাঁড়াই যেন চলি যেন খোদারই রাহে,
দীন ইসলামের এ ক্যওমী যোশ জিন্দা হোক।।