বাণী
জানি পাব না তোমায় হে প্রিয় আমার এ জীবনে আর॥ এ আমার ললাট লেখা আমি রব চির একা নিমেষের দিয়ে দেখা কাঁদাবে আবার॥ তুব হে জীবন স্বামী তোমারি আশায় আমি আসিব এ ধরণীতে যুগে যুগে অনিবার॥
রাগ ও তাল
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি
ভিডিও
স্বরলিপি

জানি পাব না তোমায় হে প্রিয় আমার এ জীবনে আর॥ এ আমার ললাট লেখা আমি রব চির একা নিমেষের দিয়ে দেখা কাঁদাবে আবার॥ তুব হে জীবন স্বামী তোমারি আশায় আমি আসিব এ ধরণীতে যুগে যুগে অনিবার॥
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি

যে পাষাণ হানি বারে বারে তুমি আঘাত করেছ, স্বামী, সে পাষাণ দিয়ে তোমার পূজায় এ মিনতি রাখি আমি।। যে আগুন দিলে দহিতে আমারে হে নাথ, নিভিতে দিইনি তাহারে; আরতি প্রদীপ হয়ে তারি বিভা বুকে জ্বলে দিবা-যামী।। তুমি যাহা দাও প্রিয়তম মোর তাহা কি ফেলিতে পারি, তাই নিয়ে তব অভিষেক করি নয়নে দিলে যে বারি। ভুলিয়াও মনে কর না যাহারে, হে নাথ, বেদনা দাও না তাহারে, ভুলিতে পারো না মোরে, ব্যথা দেওয়া ছলে, তাই নিচে আসো নামি'।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বাঁশির কিশোর ব্রজগোপী চিত-চোর এসো এসো গোকুলে ফিরে। তোমা বিনা গোপী সখা ঘিরিল গোকুল ঘোর ঘন-তিমিরে।। ধেনু নাহি গোঠে যায়, শুক-সারী নাহি গায় শিরে কর হানি হায় গোপ-বালিকা কাঁদে যমুনাতীরে।। আঁধার আনন্দধাম আছে রাধা নাহি শ্যাম, শুনি না আর কৃষ্ণনাম, ভাসিল ব্রজের খেলা নয়ন-তীরে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত। ও নাম প্রাণে মিটায় পিয়াসা, আমার তামান্না আমারি আশা, আমার গৌরব আমারি ভরসা, এ দীন গোনাহগার তাঁহারই উম্মত।। ও নামে রওশন জমীন আসমান, ও নামে মাখা তামাম জাহান, ও নামই দরিয়ায় বহায় উজান, ও নাম ধেয়ায় মরু ও পর্বত।। আমার নবীর নাম জপে নিশিদিন ফেরেশ্তা আর হুর পরী জিন্, ও নাম জপি আমার ভোমরায় পাবো কিয়ামতে তাঁহার শাফায়ৎ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমি কি সুখে লো গৃহে রবো সখি গো — আমার শ্যাম হলো যদি যোগী ওলো সখি আমিও যোগিনী হবো। আমি যোগিনী হবো শ্যাম যে তরুর তলে বসিবে লো ধ্যানে সেথা অঞ্চল পাতি’ রবো আমার বঁধুর পথের ধূলি হবো আমায় চলে যেতে দলে যাবে সেই সুখে লো ধূলি হবো সখি গো — আমি আমার সুখের গোধূলি বেলার রঙে রঙে তারে রাঙাইব তার গেরুয়া রাঙা বসন হয়ে জড়াইয়া রবো দিবস যামী সখি গো — সখি আমার কঠিন এ রূপ হবে রুদ্রাক্ষেরই মালা তার মালা হয়ে ভুলব আমার পোড়া প্রাণের জ্বালা আমার এ দেহ পোড়ায়ে হইব চিতা ছাই মাখিবে যোগী মোর পুড়িব সেই আশায় পোড়ার কি আর বাকি আছে আমার শ্যাম গেছে যোগী হয়ে ছায়া শুধু পড়ে আছে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা, ঝাঁপতাল ও কাহার্বা)

ঘুমাও,ঘুমাও,দেখিতে এসেছি ভাঙাতে আসিনি ঘুম কেউ জেগে কাঁদে,কারো চোখে নামে নিদালির মৌসুম॥ দেখিতে এলাম হ'য়ে কুতুহলী চাঁপা-ফুল দিয়ে তৈরী পুতুলী দেখি,শয্যায় স্তূপ হ'য়ে আছে জোছনার কুমকুম আমি নই, ঐ কলঙ্কী চাঁদ নয়নে হেনেছে চুম্ ।। রাগ করিও না, অনুরাগ হ'তে রাগ আরো ভালো লাগে, তৃষ্ণাতুরের কেউ জল চায় কেউ বা শিরাজি মাগে। মনে কর, আমি লোলুপ বাতাস চোর-জোছনা, ফুলের সুবাস ভয় নাই, আমি চলে যাই ডাকি' নিশীথিনী নিঃঝুম।।
রাগঃ যোগিয়া মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
