বাণী
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
ওরে শুভ্রবসনা রজনীগন্ধ্যা বনের বিধবা মেয়ে, হারানো কাহারে খুঁজিস নিশীথ-আকাশের পানে চেয়ে।। ক্ষীণ তনুলতা বেদনা-মলিন, উদাস মূরতি ভূষণবিহীন, তোরে হেরি ঝরে কুসুম-অশ্রু বনের কপোল বেয়ে।। তুইলুকায়ে কাঁদিস রজনী জাগিস সবাই ঘুমায় যবে, বিধাতারে যেন বলিস — দেবতা আমারে লইবে কবে। করুণ শুভ্র ভালোবাসা তোর সুরভি ছড়ায় সারা নিশি ভোর, প্রভাত বেলায় লুটাস ধূলায় যেন-কারে নাহি পেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

অকূল তুফানে নাইয়া কর পার পাপ দরিয়াতে ডুবে মরি কান্ডারি নাই কড়ি নাই তরী প্রভু পারে তরিবার।। থির নহে চিত পাপ-ভীত সদা টলমল পুণ্যহীন শূন্য মরু সম হৃদি-তল নাহি ফুল নাহি ফল পার কর হে পার কর ডাকি কাঁদি অবিরল নাহি সঙ্গী নাহি বন্ধু নাহি পথেরি সম্বল। সাহারায় নাহি জল শাওন বরিষা সম তব করুণার ধারা ঝরিয়া পড়ুক পরানে আমার।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

মৌরি ফুলের মিঠে সুবাস বাতায়নে এলো ভেসে পথ দিয়ে কে সোনার মেয়ে জলকে গেল এলোকেশে।। (কি) ফুল ছিল তার কবরীতে মদির তাহার সুরভিতে, উদাস ক’রে মনকে আমার নিয়ে গেল ফুলের দেশে।। দখিন হাওয়া মর্মরিয়া খোঁজে তারে বনে বনে, ভ্রমর ফেরে গুঞ্জরিয়া তারি তরে আনমনে। কালো দীঘির কালো জলে তারি তরে ঢেউ উথলে, তারি পায়ের আল্তা হতে আকাশ রাঙে দিনের শেষে।।
রাগঃ
তালঃ
মা এলো রে, মা এলো রে, বরষ পরে আপন ছেলের ঘরে সাত কোটি ভাই বোন মিলিয়া আজি ডাকি আকুল স্বরে (মাগো আনন্দময়ী) মা এসেছে! মা এসেছে! আকাশ-পাতাল ‘পরে আনন্দ তাই ধরে না যে আজকে থরে থরে শিউলি ফুলের মত আজ আনন্দ গান করে।। কমল-মুকুল-শাপ্লা বনে ভ্রমর শোনায় গীতি — জাগো জাগো, আজকে মোদের আগমনীর তিথি; জল-তরঙ্গ বেজে ওঠে নদীর বালুচরে।। বুকের মাঝে বাঁশি বাজে অঝোর কলরোলে, দূর-প্রবাসী কাজ ভুলে আয় আপন মায়ের কোলে; আজকে পেলাম মাকে যেন কত যুগের পরে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

সখি কেন এত সাজিলাম যতন করি জাগিয়া পোহাল হায় বিভাবরী।। চাহিতে মুকুর পানে সজ্জা লজ্জা হানে। অভিমানে লুটাইয়া কাঁদে কবরী।। সখি লুকায়ে হাসিবে সবে দেখিয়া মোরে বল এ মুখ দেখাব আমি কেমন করে? সখি ঐ দেখ লোক জাগে কেহ জাগিবার আগে নিয়ে চল যমুনাতে ডুবিয়া মরি।।
রাগঃ
তালঃ লোফা
