বাণী
উত্তরীয় লুটায় আমার ধানের ক্ষেতে, হিমেল্ হাওয়ায়। আমার চাওয়া জড়িয়ে আছে নীল আকাশের সুনীল চাওয়ায়॥ ভাটির শীর্ণা নদীর কূলে আমার রবি-ফসল দুলে, নবান্নেরই সুঘ্রাণে মোর চাষির মুখে টপ্পা গাওয়ায়॥
হৈমন্তী
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ তেওড়া
উত্তরীয় লুটায় আমার ধানের ক্ষেতে, হিমেল্ হাওয়ায়। আমার চাওয়া জড়িয়ে আছে নীল আকাশের সুনীল চাওয়ায়॥ ভাটির শীর্ণা নদীর কূলে আমার রবি-ফসল দুলে, নবান্নেরই সুঘ্রাণে মোর চাষির মুখে টপ্পা গাওয়ায়॥
হৈমন্তী
রাগঃ
তালঃ তেওড়া
নারায়ণী উমা খেলে হেসে হেসে হিম-গিরির বুকে পাহাড়ি বালিকা বেশে॥ গিরি-গুহা হতে জ্যোতির ঝরনা ছুটে চলে যেন চল ঝরনা, তুষার-সায়রে সোনার কমল যেন বেড়া ভেসে। — খেলে হেসে হেসে। মাধবী চাঁদ ওঠে কৈলাস-চূড়ে, খেলা ভুলিয়া যায়, অনিমেষ চোখে চায় পাষাণ প্রতিমা প্রায় সেই সুদূরে। সতী-হারা যোগী পাগল শঙ্করে মনে পড়িয়া তার নয়নে বারি ঝরে, শিব-সীমন্তনী পাগলিনী প্রায় ‘শিব শিব’ বলে ধায় মুক্তকেশে॥
রাগঃ নারায়ণী
তালঃ ত্রিতাল

যাবার বেলায় সালাম লহ হে পাক রমজান। তব বিদায় ব্যথায় কাঁদিছে নিখিল মুসলিম জাহান।। পাপীর তরে তুমি পারের তরী ছিলে দুনিয়ায়, তোমারি গুণে দোজখের আগুন নিভে যায়, তোমারি ভয়ে লুকায়ে ছিল দূরে শয়তান।। ওগো রমজান, তোমারি তরে মুসলিম যত রাখিয়া রোজা ছিল জাগিয়া চাহি' তবু পথ, আনিয়াছিলে দুনিয়াতে তুমি পবিত্র কোরআন।। পরহেজগারের তুমি যে প্রিয় প্রাণের সাথী, মসজিদে প্রাণের তুমি যে জ্বালাও দ্বীনের বাতি, উড়িয়ে গেলে যাবার বেলায় নতুন ঈদের চাঁদের নিশান।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

জগতের নাথ তুমি, তুমি প্রভু প্রেমময়। আমি জগতের বাহিরে নহি দেহ চরণে আশ্রয়।। যাহাদের তরে আমি খাটিনু দিবস-রাতি, (আমার)যাবার বেলায় কেহ তাদের হ’ল না সাথের সাথি। সম্পদ মোর পাঁচ ভূতে খায়, কর্ম কেবল সঙ্গে রয়।। ভুলিয়া সংসার মোহে লই নাই তোমারি নাম — তরাতে এমন পাপী পাবে না হে ঘনশ্যাম। শুনেছি তোমারে যদি কাঁদিয়া কেহ ডাকে — তুমি অমনি তারে কর ক্ষমা চরণে রাখ তাকে। আমি সেই আশাতে এসেছি নাথ যদি তব কৃপা হয়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

টুটি’ স্বপন-বিলাস ফুটিল রৌদ্র-দগ্ধ মরুর কাতরতা, ছিল লুকায়ে ব্যথা — প্রাণে গোপন অন্তরালে। তুমি পরশি’ সে-ব্যথা সহসা প্রকাশ-আলোকে জাগালে।। একি বেদনা একি ভাষা! আকাশের পাখি ব্যথার ধূলায় মানুষের দুখে বাঁধিল বাসা। তুমি সৃজিলে বেদনা-গীতা ভস্ম-বিভূতি হে শিব এ কোন্ সাধনা জ্বালিয়া চিতা? তুমি ভৈরব যুগ-সম্ভব, তুমি সুন্দর, আরো শোনও তোমার উদাত্ত সুর বিপুল বেদনার মন্থর, ওহে সুন্দর।।
রাগঃ
তালঃ
সাগর হ’তে চুরি ডাগর তার আঁখি। গভীর চাহনীতে করুণা মাখামাখি।। সফরী সম তাহে ভাসিছে আঁখি-তারা, তাহারি লোভে যেন উড়িছে ভুরু-পাখি।। দুলে তরঙ্গ তাহে কভু ঘোর কভু ধীরে, আঁখির লীলা হেরি’ আঁখিতে আঁখি রাখি।। ভীরু হরিণ-চোখে অশনি হান কেন, শারাব-পিয়ালাতে জহর কেন সাকি।। আঁখির ঝিনুকে কবে ফলিবে প্রেম-মোতি, ডুবিবে আঁখি-নীরে সেদিনের নাহি বাকী।।
রাগঃ সিন্ধু মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
