বাণী
অন্ধকারে দেখাও আলো কৃষ্ণ নয়ন-তারা। কালো মেঘে অন্ধ-আকাশ পথিক পথ-হারা।। ভক্ত কাঁদে অকূল ভবে, গোকূলে তায় ডাকবে কবে। অশান্ত এ চিত্তে হরি বহাও শান্তি-ধারা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অন্ধকারে দেখাও আলো কৃষ্ণ নয়ন-তারা। কালো মেঘে অন্ধ-আকাশ পথিক পথ-হারা।। ভক্ত কাঁদে অকূল ভবে, গোকূলে তায় ডাকবে কবে। অশান্ত এ চিত্তে হরি বহাও শান্তি-ধারা।।
রাগঃ
তালঃ
বরের বেশে আসবে জানি আজ মম সুন্দর। পার হ’য়ে দূর বিরহ-লোক বহু যুগের পর।। আসে সে ঐ চুপে চুপে আমার মধুর মরণ রূপে আর সে ছেড়ে যাবে না গো আমার-ঘর।।
নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

হায় হায় উঠিল মাতম আকাশ পবন ভুবন ভরি’। আখেরি নবী দ্বীনের রবি বিদায় নিল বিশ্ব-নিখিল আঁধার করি’।। অসীম তিমিরে পুণ্যের আলো আনিল যে চাঁদ, সে কোথায় লুকালো আকাশে ললাট হানি’ কাঁদিছে মরুভূমি শোকে গ্রহ-তারকা পড়িছে ঝরি’।। তৃণ নাহি খায় উট, মেষ নাহি মাঠে যায়; বিহগ-শাবক কাঁদে জননীরে ভুলি হায়! বন্ধুর বিরহ কি সহিল না আল্লার, তাই তারে ডাকিয়া নিল কাছে আপনার’; হায় কান্ডারি গেল চ’লে রাখিয়া পারের তরী।।
বৈতালিক
রাগঃ
তালঃ

রেশ্মি চুড়ির শিঞ্জিনীতে রিমঝিমিয়ে মরম কথা পথের মাঝে চম্কে’ কে গো থম্কে’ যায় ঐ শরম-নতা।। কাঁখ-চুমা তার কলসি-ঠোঁটে উল্লাসে জল উল্সি’ ওঠে, অঙ্গে নিলাজ পুলক ছোটে বায় যেন হায় নরম লতা।। অ-চকিতে পথের মাঝে পথ-ভুলানো পরদেশিকে হান্লে দিঠি পিয়াস-জাগা পথ্বালা এই উর্বশীকে! শূন্য তাহার কন্যা হিয়া ভর্ল বঁধুর বেদ্না নিয়া, জাগিয়ে গেল পর্দেশিয়া বিধুর বধূর মধুর ব্যথা।।
রাগঃ কালাংড়া
তালঃ কাশ্মিরী খেম্টা
শিল্পীঃ ডা. ফারহানা মাহবুব
সোনার মেয়ে! সোনার মেয়ে! তোমার রূপের মায়ায় আমার নয়ন- ভুবন গেল ছেয়ে'।। ঝরে তোমার রূপের ধারা— চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা, আকাশ-ভরা হাজার তারা তোমার মুখে আছে চেয়ে'।। কোন গ্রহ-লোক ব্যথায় ভ'রে কোন অমরা শূন্য ক'রে (ওগো) রাখলে চরণ ধরার পরে রঙ-সায়রের রঙের নেয়ে। শিল্পী আকেঁ তোমার ছবি তোমারি গান গাহে কবি নিশীথিনী হারিয়ে রবি চাঁদ হাতে পায় তোমায় পেয়ে।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

শত জনম আঁধারে আলোকে তারকা-গ্রহে লোকে লোকে প্রিয়তম! খুঁজিয়া ফিরেছি তোমারে।। স্বপন হয়ে রয়েছ নয়নে তপন হ’য়ে হৃদয়-গগনে, হেরিয়া তোমারে বিরহ-যমুনা, প্রিয়তম! দুলিয়া উঠে বারে বারে।। হে লীলা-কিশোর! ডেকেছে আমারে তোমার বাঁশি, যুগে যুগে তাই তীর্থ-পথিক ফিরি উদাসী। দেখা দাও, তবু ধরা নাহি দাও ভালোবাস ব’লে তাই কি কাঁদাও, তোমারি শুভ্র পূজার-পুষ্প প্রিয়তম! ফুটিয়া ওঠে অশ্রুধারে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
