বাণী
কে এলো। ডাকে চোখ গেল।। ওলো ও-ডাকে কি ও ঘুমের সতিনী ও, ও যে চোখের বালি ঘুম ভাঙায় খালি।। সখি আঁখি মেল — মেল আঁখি মেল।।
রাগ ও তাল
রাগঃ কালাংড়া
তালঃ কাহার্বা-দাদ্রা
কে এলো। ডাকে চোখ গেল।। ওলো ও-ডাকে কি ও ঘুমের সতিনী ও, ও যে চোখের বালি ঘুম ভাঙায় খালি।। সখি আঁখি মেল — মেল আঁখি মেল।।
রাগঃ কালাংড়া
তালঃ কাহার্বা-দাদ্রা
উঠাও ডেরা এবার দূরে যেতে হবে। নিবিড় হলে মনের বাঁধন গভীর ব্যথা পেতে হবে।। কোথায় শূন্য মরুভূমি ডাকো মোদের ডাকো তুমি, চিড়িয়াখানায় সিংহ গেলে নিঠুর চাবুক খেতে হবে।। বেদের মেয়ের চোখের জল বনের ঝরা ফুল বেদের মেয়ে কাঁদে ভাসে নদীর দু’কূল।
নাটিকা : ‘বনের বেদে’
রাগঃ
তালঃ
যাহা কিছু মম আছে প্রিয়তম সকলি নিয়ো হে স্বামী যত সাধ আশা প্রীতি ভালোবাসা সঁপিনু চরণে আমি॥ ধ’রে যা’রে রাখি আমার বলিয়া সহসা কাঁদায়ে যায় সে চলিয়া অনিমেষ, আঁখি তুমি ধ্রুবতারা জাগো দিবসযামী॥ মায়ারি ছলনায় পুতুল খেলায় ভুলাইয়া প্রভু রেখেছিলে আমায় ভুলেছি সে খেলা আজি অবেলায় তোমারই দুয়ারে থামি॥
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ যৎ (৮ মাত্রা)

(যখন) প্রেমের জ্বালায় অঙ্গ জ্বলে, জুড়াই জ্বালা গজলে। ছাতা দিয়ে মারি খোঁচা যেন সুরের বগলে॥ সিঁড়ির ধারে পিঁড়ি পেতে বিড়ি বাঁধি হায় কলকাতায়, মিলন আশার তামাক ঠাসি হায় বিরহের শাল পাতায়, [‘‘আরে লুল্লু আট পয়সার বিড়ি কিনে লিস্রে হাঁ হাঁ”] জালিম বিবির দিলের ছিপি (দাদা) খুলি সুরের ফজলে॥ কার্ফা তালে চার পা তুলে (হায়) ছুটাই তালের লাল ঘোড়া, ভজুয়া নাত্নি ছুটে আসে হায় ফেলে দিয়ে হায় ঝালবড়া; সুরে-তালে লাগে লড়াই যেন পাঠান মোগলে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

[ওমা — ভুঁড়ি নিয়ে গেলাম মা — ওমা — মা-মা-মা] দয়া ক’রে দয়াময়ী ফাঁসিয়ে দে এই ভুঁড়ি এ ভুঁড়ি তো নয় ভূধর যেন উদর প্রদেশ জুড়ি॥ ক্রমেই ভুঁড়ির পরিধি মা যাচ্ছে ছেড়ে দেহের সীমা আমার হাত পা রইল বাঙালি ওমা পেট হল ভোজপুরী॥ উপুড় হতে নারি মাগো সর্বদা চিৎপাৎ ভয় লাগে কাৎ হলেই বুঝি হব কুপোকাৎ শালীরা কয় হায় রে বিধি রোলার বিয়ে করলেন দিদি গুঁড়ি ভেবে ঠেস দেয় কেউ কেউ দেয় সুড়সুড়ি॥ (আর) ভুঁড়ি চলে আগে আগে আমি চলি পিছে কুমড়ো গড়ান গড়িয়ে পড়ি নামতে সিঁড়ির নীচে। পেট কি ক্রমে ফুলে ফেঁপে উঠবে মাগো মাথা ছেপে (ওগো) কেউ নাদা কয় কেউ গম্বুজ (বলে) কেউবা গোবর ঝুড়ি। গাড়িতে মা যেই উঠেছি ভুঁড়ি লাগায় লম্ফ ভুমিকম্পের চেয়েও ভীষণ আমার ভুঁড়ি কম্প। সার্ট ক্রমে পেটে এঁটে গেঞ্জি হয়ে গেল সেঁটে দে ভুঁড়ির ময়দা ফেটে হাত পা গুলো ছুড়ি হালকা হয়ে মনের সুখে হাত পা গুলো ছুড়ি এই ভুঁড়ির ময়দা ফেটে দে ফায়দা কি আর এই ভুঁড়িতে ময়দা ফেটে দে হালকা হয়ে মনের সুখে ওমা, হাত-পাগুলো ছুড়ি॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে কেন সহজ ছন্দে যতি ভাঙালে।। শীর্ণা তনুর মোর তটিনীতে কেন আনিলে ফেনিল জল-উচ্ছ্বাস হেন, পাতাল-তলের ক্ষুধা মাতাল এ যৌবন — মদির-পরশে কেন জাগালে।।
নাটক : ‘আলেয়া’ (মাদালসার গান)
রাগঃ
তালঃ