বাণী
কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে কেন সহজ ছন্দে যতি ভাঙালে।। শীর্ণা তনুর মোর তটিনীতে কেন আনিলে ফেনিল জল-উচ্ছ্বাস হেন, পাতাল-তলের ক্ষুধা মাতাল এ যৌবন — মদির-পরশে কেন জাগালে।।
নাটক : ‘আলেয়া’ (মাদালসার গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে কেন সহজ ছন্দে যতি ভাঙালে।। শীর্ণা তনুর মোর তটিনীতে কেন আনিলে ফেনিল জল-উচ্ছ্বাস হেন, পাতাল-তলের ক্ষুধা মাতাল এ যৌবন — মদির-পরশে কেন জাগালে।।
নাটক : ‘আলেয়া’ (মাদালসার গান)
রাগঃ
তালঃ
ব্রজ–গোপী খেলে হোরী খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে। রাঙা অধরে ঝরে হাসির কুম্কুম্ অনুরাগ–আবীর নয়ন–পাতে।। পিরীতি–ফাগ মাখা গোরীর সঙ্গে হোরি খেলে হরি উন্মাদ রঙ্গে। বসন্তে এ কোন্ কিশোর দুরন্ত রাধারে জিনিতে এলো পিচ্কারী হাতে।। গোপীনীরা হানে অপাঙ্গ খর শর ভ্রুকুটি ভঙ্গ অনঙ্গ আবেশে জর জর থর থর শ্যামের অঙ্গ। শ্যামল তনুতে হরিত কুঞ্জে অশোক ফুটেছে যেন পুঞ্জে পুঞ্জে রঙ–পিয়াসি মন ভ্রমর গুঞ্জে ঢালো আরো ঢালো রঙ প্রেম–যমুনাতে।।
রাগঃ কাফি–সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সাদী মহম্মদ
শিল্পীঃ মোহাম্মদ রফি

[কেডারে? কেডা? উ-কেলিকদম্ব গাছে এই ডাল ঐ ডাল কইরা লাফ দিয়া বেড়াইত্যাছ? ও — ঘোষ পাড়ার হেই বখাইট্রা পোলাটা না?
উ-হুঁ-হুঁ, আবার পিরুক কইরা বাঁশি বাজান হইত্যাছে ? নাম্যা, আসো। ভরদুপুর বেলা মাইয়াগো সান ঘাটের কাছে — অ্যাঁ-হ্যাঁ-হ্যাঁ আবার কিষ্ট সাজাছেন?
বলি কেষ্ট সাজছো? নামো শিগগিরে নামো পোড়া কপাইল্যা নামো —]
তুমি নামো হে নামো শামো হে শামো কদম্ব ডাল ছাইড়া নামো। দুপরি রৌদ্রে বৃথাই ঘামো ব্যস্ত রাধা কাজে, ওহে শামো হে শামো॥ আরে তোমার ললিতাদেবী কি করতেয়াছে জাননি? তোমার ললিতাদেবী? আরে ললিতাদেবী সলিতা পাকায়, বিশাখা ঝোলে হিজল শাখায়। আর বৃন্দাদুতী কি করছে জান? বৃন্দাদুতী? বৃন্দাদুতী পিন্দা ধুতি গোষ্টে গেছেন তোমার ‘পোস্টে’ সাজিয়া রাখাল সাজে আর চন্দ্রা গ্যাছেন অন্ধ্র দেশে মান্দ্রাজী জাহাজে॥ আবার ইতি উতি চাও ক্যা? ইতি উতি চাইবার লাগছ ক্যা? এ্যা? আমি কমুনা কোন্খানে তোমার যমুনা - তা আমি কমু না? আরে (তুমি) ইতি উতি চাও বৃথাই আমি কমু না কোথায় তোমার যমুনা কইলকাতা আর ঢাকা রমনার লেকে পাবে তার নমুনা। আরে তোমার যমুনা লেক হইয়া গ্যাছে গিয়া! বুঝ্লা? হালার যমুনা ল্যাক হইয়া গ্যাছে গিয়া। কলেজে ফিরিছে শ্রীদাম সুদাম শ্রীদাম সুদাম কলেজে যাইতেয়াছে, আর তুমি এখানে বাঁশি বাজাইতেয়াছ অ্যাঁ! পোড়া কপাইল্যা — কলেজে ফিরিছে শ্রীদাম সুদাম, মেরে মাল কোঁচা খুলিয়া বোতাম লাঙ্গল ছাড়িয়া বলরাম ডাম্বেল মুঘার ভাঁজে। ওহে শামো হে শামো আরে তুমি নামো, পোড়া কপাইল্যা নামো॥
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

পুরুষ : কুনুর নদীর ধারে ঝুনুর ঝুনুর বাজে বাজে বাজে লো ঘুঙুর কাহার পায়ে। স্ত্রী : হাতে তল্তা বাঁশের বাঁশি মুখে জংলা হাসি কে ঐ বুনো গো বড়ায় আদুল গায়ে।। পুরুষ : তার ফিঙের মত এলোখোঁপায় ঝিঙেরি ফুল স্ত্রী : যেন কালো ভোম্রার গা কালার ঝামর চুল। দ্বৈত : ও যদি না হতো পর দু’জনের হতো ঘর একই গাঁয়ে গো।। পুরুষ : ওর বাঁকা ভঙ্গিমা দেখে তৃতীয়ার চাঁদ ডেকে, হতে চাহে ওর হাঁসুলি-হার। স্ত্রী : ঝিলের শঙ্খ ঝিনুক বলে কিনুক বিনামূলে আমরা হব কালার কণ্ঠেরই হার। পুরুষ : ও মেয়ে না পাহাড়ি-ঝর্নার সুর স্ত্রী : ও পুরুষ না কষ্টি পাথরের ঠাকুর দ্বৈত : যদি বাসত ভালো, যদি আসত কাছে রাখতাম হিয়ায় লুকায়ে গো।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

আমি নহি বিদেশিনী। (ঐ) ঝিলের ঝিনুক, বিলের শালুক ছিল মোর সঙ্গিনী।। ঐ বাঁধা-ঘাট, ঐ বালুচর মাটির প্রদীপ, ঐ মেটে ঘর, চেনে মোরে ঐ তুলসীতলার নববধূ ননদিনী।। ‘বৌ কথা কও’ পাখি, বাদ্লা নিশীথে মনের নিভৃতে আজও যায় মোরে ডাকি’। এত কালো চোখ এলোকেশ-ভার এত শ্যাম-মেঘ আছে কোথা আর, (ঐ) পদ্ম-পুকুরে মোরে স্মরি’ ঝুরে সখি মোর কমলিনী।।
পাশ্চাত্য সুর
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
আগের মত আমের ডালে বোল ধরেছে বউ। তুমিই শুধু বদ্লে গেছ, আগের মানুষ নও।। তেম্নি আজো তোমার নামে উথলে মধু গোলাপ-জামে, উঠ্ল পু’রে জামরুলে রস, মহুল ফুলে মউ।। ডালিম-দানায় রং ধরেছে, ডাঁশায় নোনা আতা, তোমার পথে বিছায় ছায়া ছাতিম তরুর ছাতা। তেম্নি আজো নিমের ফুলে ঝিম্ হয়ে ঐ ভ্রমর দুলে, হিজল-শাখায় কাঁদছে পাখি বউ গো কথা কও।।
রাগঃ বসন্ত মিশ্র
তালঃ দাদ্রা