বাণী
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
মত্তময়ূর ছন্দে নাচে কৃষ্ণ প্রেমানন্দে! রুমু ঝুম্ঝুম্ মঞ্জির বাজে কঙ্কণ মণিবন্ধে।। রিমঝিম্ রিমঝিম্ ঝিম্ কেকা-বর্ণ ঘন বরয়ে তৃষ্ণা-তৃপ্ত আত্মা নাচে নন্দনলোকে হরষে, ঝঞ্ঝার ঝাঁঝরতাল বাজে শুন্যে মেঘ-মন্দ্রে।। পল্লব ঘন-চক্ষে ঝরে অশ্রু-রসধারা পূব হাওয়াতে বংশী ডাকে আয় রে পথহারা, বন্দে দামিনী বর্ণা রাধা বৃন্দাবন চন্দে।।
রাগঃ
তালঃ মত্তময়ূর (২২ মাত্রা)
দীনের হতে দীন দুঃখী অধম যেথা থাকে ভিখারিনী বেশে সেথা দেখেছি মোর মাকে মোর অন্নপূর্ণা মাকে॥ অহংকারের প্রদীপ নিয়ে স্বর্গে মাকে খুঁজি মা ফেরেন ধূলি পথে যখন ঘটা করে পূজি ঘুরে ঘুরে দূর আকাশে প্রণাম আমার ফিরে আসে যথায় আতুর সন্তানে মা কোল বাড়ায়ে ডাকে॥ নামতে নারি তাদের কাছে সবার নীচে যারা তাদের তরে আমার জগন্মাতা সর্বহারা। অপমানের পাতাল তলে লুকিয়ে যারা আছে তোর শ্রীচরণ রাজে সেথা নে মা তাদের কাছে আনন্দময় তোর ভুবনে আনব কবে বিশ্বজনে আমি দেখব জ্যোতির্ময়ী রূপে সেদিন তমসাকে আমার অন্নপূর্ণা মাকে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

তারকা-নূপুরে নীল নভে ছন্দ শোন্ ছন্দিতার। সৃষ্টিময় বৃষ্টি হয় নৃত্য সেই নন্দিতার।। সাগরে নদীতে ঢেউ তোলে সেই দেবীর মুক্তকেশ। সঙ্গীতের হিন্দোলে তাঁর আঁখির প্রেম-আবেশ। পবনে পবনে হিল্লোলে নীল আঁচল চঞ্চলার ছন্দোময় আনন্দময় চরণশ্রী বন্দি তাঁর।।
রাগঃ
তালঃ ছন্দবৃষ্টিপ্রপাত (৪৮ মাত্রা)
সন্ধ্যা–গোধূলি লগনে কে রাঙিয়া উঠিলে কারে দেখে।। হাতের আলতা পড়ে গেল পায়ে অস্ত–দিগন্ত বনান্ত রাঙায়ে, আঁখিতে লজ্জা, অধরে হাসি — কেন অঞ্চলে মালা ফেলিলে ঢেকে।। চিরুনি বিনোদ বিনুনীতে বাঁধে দেখিলে সে কোন সুন্দর চাঁদে, হৃদয়ে ভীরু প্রদীপ শিখা কাঁপে আনন্দে থেকে থেকে।।
রাগঃ সামন্ত–কল্যাণ
তালঃ ত্রিতাল

এ নহে বিলাস বন্ধু ফুটেছি জলে কমল এ যে ব্যথা রাঙা হৃদয় আঁখি জলে টলমল।। কমল মৃণাল দেহ ভরেছে কন্টক ঘায় শরণ লয়েছি গো তাই শীতল দীঘির জল।। ডুবেছি আজ কালো জলে কত যে জ্বালা স'য়ে শত ব্যথা ক্ষত লয়ে হইয়াছি শতদল।। কবি রে কোন ক্ষত মুখে ফোটে যে তোর গীত সুর সে ক্ষত দেখিল না কেউ দেখিল তোরে কেবল সে গীতি দেখিল না কেউ শুনিল গীতি কেবল।।
রাগঃ মান্দ
তালঃ কাহার্বা
