মিঞা কী মল্লার

  • অবিরত বাদর বরষিছে ঝরঝর

    বাণী

    অবিরত বাদর বরষিছে ঝরঝর
    বহিছে তরলতর পূবালি পবন।
    	বিজুরী-জ্বালার মালা
    	পরিয়া কে মেঘবালা
    কাঁদিছে আমারি মত বিষাদ-মগন।।
    ভীরু এ মন-মৃগ আলয় খুঁজিয়া ফিরে,
    জড়ায়ে ধরিছে লতা সভয়ে বনস্পতিরে,
    গগনে মেলিয়া শাখা কাঁদে বন-উপবন।।
    

    চলচ্চিত্রঃ ‌‘ধ্রুব’

  • আজি এ শ্রাবণ-নিশি কাটে কেমনে

    বাণী

    আজি এ শ্রাবণ-নিশি		কাটে কেমনে।
    গুরু দেয়া গরজন			কাঁপে হিয়া ঘনঘন
    শনশন কাঁদে বায়ু			নীপ-কাননে।।
    অন্ধ নিশীথ, মন			খোঁজে কারে আঁধারে,
    অন্ধ নয়ন ঝরে			শাওন-বারিধারে।
    ভাঙিয়া দুয়ার মম			এসো এসো প্রিয়তম,
    শ্বসিছে বাহির ঘর			ভেজা পবনে।।
    কার চোখে এত জল		ঝরে দিক্‌ প্লাবিয়া,
    সহিতে না পারি’ কাঁদে		‘চোখ গেল’ পাপিয়া।
    কাহার কাজল-আঁখি		চাহি’ মোর নয়নে
    ঝুরেছিল একা রাতে		কবে কোন্‌ শাওনে,
    আজি এ বাদল ঝড়ে		সেই আঁখি মনে পড়ে,
    বিজলি খুঁজিছে তারে		নভ-আঙনে।।
    
  • রামছাগী গায় চতুরঙ্গ বেড়ার ধারে

    বাণী

    		রামছাগী গায় চতুরঙ্গ বেড়ার ধারে,
    		গাইয়ে ষাঁড়-সাথে বাছুর হাম্বা রবে — ভীষণ নাদ ছাড়ে,
    		ফেটে বুঝি গেল কান, প্রাণে মারে!
    		শুনিয়া হাই তোলে ভেউ ভেউ রোলে — ভুলোটা পগার পারে।।
    তেলেনা: 		ডিম নেরে, তা দেরে, আমি না রে, তুই দেরে,
    		নেরে ডিম, দেরে তা, তা দেনা,
    		ওদের না না, তাদের না না তুই দেরে ডিম!
    		ওদের নারী তাদের নারী দেদার নারী,
    		দে রে নারী, যা ধেৎ, টানাটানি!
    সরগম:	 	ধ প র ধ র গ, গ র গ ধ, গ র গ ধ,
    		ন ধ ম ম, প র ন ম র গ, স র ন ধ স ম।।
    তবলার বোল: 	ভেগে যা, মেগে খা, মেরে কেটে খা, মেরে কেটে খা’
    		তেড়ে ধরে কাট ধুম, ধরে কেটে রাখুন না রাখুন না,
    		কান দুটি যাক তবু কাটা থাক দুম।।
    

    ‘চতুরঙ্গ’

  • স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা

    বাণী

    স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা এসো মালবিকা
    অর্জুন-মঞ্জরি-কর্ণে গলে নীপ-মালিকা, মালবিকা।।
    ক্ষীণা তন্বী জল-ভার-নমিতা
    শ্যাম জম্বু-বনে এসো অমিতা
    আনো কুন্দ মালতী যুঁই ভরি থালিকা, মালবিকা।।
    ঘন নীল বাসে অঙ্গ ঘিরে
    এসো অঞ্জনা রেবা-নদীর তীরে।
    পরি’ হংস-মিথুন আঁকা শাড়ি ঝিল্‌মিল্‌
    এসো ডাগর চোখে মাখি সাগরের নীল
    ডাকে বিদ্যুৎ ইঙ্গিতে দিগ্‌-বালিকা, মালবিকা।।