মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন

বাণী

মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন!
চারু ত্রিভঙ্গিম ঠাম বঙ্কিম, বন্দে পদ কোটি চন্দ্র তপন॥
	বৃষ্টিধারা সম নব নবতম,
	সৃষ্টি পড়ে ঝরি সে নাচে নিরূপম
রতন মঞ্জির বাজে রমঝম, ঘোরে গ্রহতারা ঘিরি শ্রীচরণ॥

চলচ্চিত্রঃ ‘ধ্রুব’

আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত

বাণী

আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত।
ও নাম প্রাণে মিটায় পিয়াসা,
আমার তামান্না আমারি আশা,
আমার গৌরব আমারি ভরসা,
এ দীন গোনাহগার তাঁহারই উম্মত।।
ও নামে রওশন জমীন আসমান,
ও নামে মাখা তামাম জাহান,
ও নামই দরিয়ায় বহায় উজান,
ও নাম ধেয়ায় মরু ও পর্বত।।
আমার নবীর নাম জপে নিশিদিন
ফেরেশ্‌তা আর হুর পরী জিন্‌,
ও নাম জপি আমার ভোমরায়
পাবো কিয়ামতে তাঁহার শাফায়ৎ।।

হায় হায় উঠিল মাতম আকাশ পবন ভুবন ভরি

বাণী

হায় হায় উঠিল মাতম আকাশ পবন ভুবন ভরি’।
আখেরি নবী দ্বীনের রবি বিদায় নিল বিশ্ব-নিখিল আঁধার করি’।।
অসীম তিমিরে পুণ্যের আলো
আনিল যে চাঁদ, সে কোথায় লুকালো
আকাশে ললাট হানি’ কাঁদিছে মরুভূমি
শোকে গ্রহ-তারকা পড়িছে ঝরি’।।
তৃণ নাহি খায় উট, মেষ নাহি মাঠে যায়;
বিহগ-শাবক কাঁদে জননীরে ভুলি হায়!
বন্ধুর বিরহ কি সহিল না আল্লার,
তাই তারে ডাকিয়া নিল কাছে আপনার’;
হায় কান্ডারি গেল চ’লে রাখিয়া পারের তরী।।

বৈতালিক

লায়লী লায়লী ভাঙিয়ো না ধ্যান মজনুর

বাণী

লায়লী! লায়লী! ভাঙিয়ো না ধ্যান মজনুর এ মিনতি।
লায়লী কোথায়? আমি শুধু দেখি লা এলা'র জ্যোতি।।
পাথর খুঁজিয়া ফিরিয়াছি প্রিয়া প্রেম-দরিয়ার কূলে,
খোদার প্রেমের পরশ-মানিক পেলাম কখন ভুলে।
	সে মানিক যদি দেখ একবার
	মজনুরে তুমি চাহিবে না আর
জুলেখা-ইয়ুসুফ লাজ মানে হেরি' তাহার খুব -সুরতি।।
মজনুরে ও যে লায়লী ভোলায় সে যে কত সুন্দর
বুঝিবে লায়লী যদি তুমি তারে নেহার এক নজর।
	সাধ মিটিবে না হেথা ভালোবেসে,
	চল চল প্রিয়া লা এলা'র দেশে
নিত্য মিলনে ভুলিব আমরা এই বিরহের ক্ষতি।।

ওগো ও আমার কালো

বাণী

ওগো ও আমার কালো —
গহন বনে বুকের মাঝে জ্বালো তুমি জ্বালো
		ওগো আমার আলো গো।।
	কাজলা মেঘের অন্তরালে
	তোমার রূপের মানিক জ্বলে
আমার কালো মনের তলে জ্বালাও তুমি আলো গো।।
একলা ব’সে দিন যেন মোর কাটে
কইতে কথা বুক যে আমার ফাটে গো
আঁধার যখন আসবে ঘিরে জ্বালবে তুমি আলো গো।।

বন-বিহারিণী চঞ্চল হরিণী

বাণী

বন-বিহারিণী	চঞ্চল হরিণী
চিনি আঁখিতে,	চিনি কানন
			নটিনী রে।।
ছুটে চলে যেন	বাঁধ ভাঙ্গা
			তটিনী রে।।
নেচে নেচে চলে	ঝর্ণার
			তীরে তীরে
ছায়াবীথি-তলে	কভু ধীরে চলে,
চকিতে পালায়	ছুটি, ছায়া হেরি,
			গিরি-শিরে।।

নাটকঃ‘সাবিত্রী’