বাণী
তিলক দিলে কি শ্যাম ত্রিলোক ভুলাতে? কে দিল বনমালী বনমালা গলাতে? আঁখি যেন ঢলঢল আধফোটা শতদল কে শিখাল ও চাহনি গোপিনী ছলিতে?
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
তিলক দিলে কি শ্যাম ত্রিলোক ভুলাতে? কে দিল বনমালী বনমালা গলাতে? আঁখি যেন ঢলঢল আধফোটা শতদল কে শিখাল ও চাহনি গোপিনী ছলিতে?
রাগঃ
তালঃ
এ কোথায় আসিলে হায়, তৃষিত ভিখারি। হায়, পথ-ভোলা পথিক, হায়, মৃগ মরুচারী।। মোর ব্যথায় চরণ ফেলে চির-দেবতা কি এলে, হায়, শুকায়েছে যবে মোর নয়নে নয়ন-বারি।। তোমার আসার পথে প্রিয় ছিলাম যবে পরান পাতি’, সেদিন যদি আসিতে নাথ হইতে ব্যথার ব্যথী। ধোওয়ায়ে নয়ন-জলে পা মুছাতাম আকুল কেশে আজ কেন দিন-শেষে এলে নাথ মলিন বেশে! হায়, বুকে ল’য়ে ব্যথা আসিলে ব্যথা-হারী।। স্মৃতির যে শুকানো মালা যতনে রেখেছি তুলি’ ছুঁয়ে সে হার ঝরায়ো না ম্লান তার কুসুমগুলি, হায়, জ্বলুক বুকে চিতা, তা’য় ঢেলো না আর বারি।।
রাগঃ কাফি-মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
মোর গানের কথা যেন আলোকলতা, যেন স্বর্ণলতা। মূল নাই ফুল নাই আছে শুধু বনের বিহ্বলতা।। আকাশ-বনস্পতি জড়ায়ে ধরণীর বুকে পড়ে গড়ায়ে, কখন কি আবেশে কার কথা ভাবে সে — কে জানে কেন অযথা।। রহে কারো বক্ষে, রহে কারো চক্ষে বিরহের অশ্রুজলে, কণ্ঠলগ্না কারো রহে সে গীত-কলি মুঞ্জরে অধরতলে। রাখি হয়ে কারও হাতে বাঁধে সে কাহারও চরণতলে কাঁদে সে, সুরে সুরে গুঞ্জিত ও-যেন পূঞ্জিত — অকারণ মৌন ব্যথা।।
রাগঃ
তালঃ
পথিক বন্ধু এসো এসো পাপড়ি ছাওয়া পথ বেয়ে। মন হয়েছে উতলা গো তোমার আসার পথ চেয়ে।। আকাশ জুড়ে আলোর খেলা বসুন্ধরায় ফুলের মেলা রঙিন মেঘের ভাসলো ভেলা তোমারই আসার আভাস পেয়ে।। সাধ জাগে ঐ পথে তোমার পেতে রাখি মন প্রাণ চলতে গিয়ে দলবে তা’রে চরণ ছোঁয়া করিবে দান। তোমার ধ্যানে, হে রাজাধিরাজ সাজ ভুলেছি ভুলেছি কাজ আসবে তুমি সেই খুশিতে আছে আমার মন ছেয়ে।।
রাগঃ বাহার
তালঃ কাহার্বা

তুমি কি দখিনা পবন দুলে ওঠে দেহলতা ফুলে ফুলে ফুল্ল হয়ে ওঠে মন।। অন্তর সৌরভে শিহরে কথার কোয়েলিয়া কুহরে তনু অনুরঞ্জিত করে গো প্রীতির পলাশ রঙন।। কী যেন মধু জাগে হিয়াতে চাহি’ যেন সেই মধু কোন্ চাঁদে পিয়াতে। ফুটাইয়া ফুল কোথা চলে যাও হুতাস নিশাসে কী ব’লে যাও মধু পান করি না কো র’চে যাই শুধু মধু-বন।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা ও খায়রুল আনাম শাকিল

মোহররমের চাঁদ এলো ঐ কাঁদাতে ফের দুনিয়ায়। ওয়া হোসেনা ওয়া হোসেনা তারি মাতম শোনা যায়।। কাঁদিয়া জয়নাল আবেদীন বেহোশ হল কারবালায় বেহেশ্তে লুটিয়ে কাঁদে আলী ও মা ফাতেমায়।। কাশেমের ঐ লাশ লয়ে কাঁদে বিবি সাকিনা। আস্গরের ঐ কচি বুকে তীর দেখে কাঁদে খোদায়।। কাঁদে বিশ্বের মুসলিম আজি গাহে তারি মর্সিয়া। ঝরে হাজার বছর ধরে অশ্রু তারি শোকে হায়।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
