জৌনপুরী

  • আমার সকলি হরেছ হরি

    বাণী

    আমার	সকলি হরেছ হরি এবার আমায় হ’রে নিও।
    যদি		সব হরিলে নিখিল-হরণ তবে ঐ চরণে শরণ দিও।।
    আমায়	ছিল যারা আড়াল ক’রে 
    		হরি তুমি নিলে তাদের হ’রে,
    ছিল		প্রিয় যারা গেল তারা (হরি) এবার তুমিই হও হে প্রিয়।।
    
  • একেলা গোরী জল্‌কে চলে গঙ্গাতীর

    বাণী

    একেলা গোরী জল্‌কে চলে গঙ্গাতীর
    অঙ্গে ঢুলিয়া পড়ে লালসে অলস সমীর।।
    কাঁকনে কলসে বাজে
    কত কথা পথ মাঝে
    		আঁচল চুমিছে শিশির।।
    তটিনীতে চলে কি গো
    সোনার বরণ মায়া-মৃগ
    		নয়নে আবেশ মদির।।
    

  • কালো মেয়ের পায়ের তলায়

    বাণী

    		কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন।
    (তার)		রূপ দেখে দেয় বুক পেতে শিব যার হাতে মরণ বাঁচন।।
    			কালো মায়ের আঁধার কোলে
    			শিশু রবি শশী দোলে
    (মায়ের)	একটুখানি রূপের ঝলক স্নিগ্ধ বিরাট নীল–গগন।।
    		পাগলী মেয়ে এলোকেশী নিশীথিনীর দুলিয়ে কেশ
    		নেচে বেড়ায় দিনের চিতায় লীলার রে তার নাই কো শেষ।
    			সিন্ধুতে মা’র বিন্দুখানিক
    			ঠিকরে পড়ে রূপের মানিক
    		বিশ্বে মায়ের রূপ ধরে না মা আমার তাই দিগ্‌–বসন।।
    

  • তোর কালো রূপ লুকাতে মা

    বাণী

    তোর কালো রূপ লুকাতে মা বৃথাই আয়োজন।
    ঢাকতে নারে ও রূপ, কোটি চন্দ্র তপন।।
    	মাখিয়ে আলো আমার চোখে
    	লুকিয়ে রাখিস তোর কালোকে,
    তোর অতল কালো রূপে মাগো বিশ্ব নিমগন।।
    আঁধার নিশীথ সে যেন তোর কালো রূপের ধ্যান
    তোর গহন কালোয় গাহন ক’রে জুড়ায় ধরার প্রাণ।
    হেরি তোর কালো রূপ স্নিগ্ধ-করা
    	শ্যামা হ’ল বসুন্ধরা,
    নিবল কোটি সূর্য, তোরে খুঁজে অনুক্ষণ।।
    
  • বৃথা তুই কাহার 'পরে করিস অভিমান

    বাণী

    বৃথা তুই কাহার পরে করিস অভিমান
    পাষাণ-প্রতিমা সে যে হৃদয় পাষাণ।।
    রূপসীর নয়নে জল নয়ন-শোভার তরে
    ও শুধু মেঘের লীলা নভে যে বাদল ঝরে।
    চাতকেরই তরে তাহার কাঁদে না পরান।।
    প্রণয়ের স্বপন-মায়া,ধরিতে মিলায় কায়া
    গো-ধূলির রঙের খেলা ক্ষণে অবসান।।
    

  • মম মধুর মিনতি শোন ঘনশ্যাম

    বাণী

    মম মধুর মিনতি শোন ঘনশ্যাম গিরিধারী
    কৃষ্ণমুরারী, আনন্দ ব্রজে তব সাথে মুরারি।।
    যেন নিশিদিন মুরলী-ধ্বনি শুনি
    উজান বহে প্রেম-যমুনারি বারি
    নূপুর হয়ে যেন হে বনচারী
    চরণ জড়ায়ে ধরে কাঁদিতে পারি।।