বাণী
ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া এসো এসো মেঘমালা প্রিয়া প্রিয়া।। দূরে থেকো না এই শ্রাবণ নিশীথে কাঁদে তব তরে পিয়াসি হিয়া।। বিজলি খুঁজে ফেরে সুদূর আকাশে হৃদয়ে কাঁদে প্রেম পাপিয়া পিয়া।।
রাগ ও তাল
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া এসো এসো মেঘমালা প্রিয়া প্রিয়া।। দূরে থেকো না এই শ্রাবণ নিশীথে কাঁদে তব তরে পিয়াসি হিয়া।। বিজলি খুঁজে ফেরে সুদূর আকাশে হৃদয়ে কাঁদে প্রেম পাপিয়া পিয়া।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল

তোমার আঁখির মত আকাশের দু’টি তারা চেয়ে থাকে মোর পানে নিশীথে তন্দ্রাহারা সে কি তুমি? সে কি তুমি?? ক্ষীণ আঁখি–দীপ জ্বালি’ বাতায়নে জাগি একা, অসীম অন্ধকারে খুঁজি তব পথ রেখা; সহসা দখিনা বায়ে চাঁপা–বনে জাগে সাড়া। সে কি তুমি? সে কি তুমি?? বৈশাখী–ঝড়ের রাতে চমকিয়া উঠি জেগে’ বুঝি অশান্ত মম আসিলে ঝড়ের বেগে, ঝড় চ’লে যায় কেঁদে ঢালিয়া শ্রাবণ ধারা সে কি তুমি? সে কি তুমি??
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ মাহমুদ বিল্লাহ

সাম্যের গান গাই- আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই! পুরুষ-হৃদয়হীন, মানুষ করিতে নারী দিল তারে আধেক হৃদয় ঋণ। ধরায় যাদের যশ ধরে না ক’ অমর মহামানব, বরষে বরষে যাদের স্মরণে, করি মোরা উৎসব, খেয়ালের বশে তাদের জম্ম দিয়াছে বিলাসী পিতা। লব-কুশে বনে ত্যাজিয়াছে রাম, পালন করেছে সীতা! নারী সে শিখাল শিশু-পুরুষেরে, স্নেহ প্রেম, দয়া মায়া, দীপ্ত নয়নে পরল কাজল বেদনার ঘন ছায়া। সে-যুগ হয়েছে বাসি, যে যুগে পুরুষ দাস ছিল না ক’, নারীরা আছিল দাসী! বেদনার যুগ, মানুষের যুগ, সাম্যর যুগ আজি, কেহ রহিবেনা বন্দী কাহারও, উঠিছে ডঙ্কা বাজি’! নর যদি রাখে নারীরে বন্দী, তবে এর পর যুগে আপনারি রচা ঐ কারাগারে পুরুষ মরিবে ভুগে। যুগের ধর্ম এই- পীড়ন করিলে সে পীড়ন এসে পীড়া দেবে তোমাকেই! স্বর্ণ-রৌপ্য অলঙ্কারের যক্ষপুরিতে নারী করিল তোমায় বন্দিনী, বল, কোন্ সে অত্যাচারী? যে ঘোম্টা তোমা করিয়াছে ভীরু, উড়াও সে আবরণ! দূর ক’রে দাও দাসীর চিহ্ন যেথা যত আভরণ! কখন আসিল “প্লুটো” যমরাজা নিশিথ পাখায় উড়ে, ধরিয়া তোমায় পুড়িল তাহার আঁধার বিবর-পুরে! ভেঙ্গে যম্পুরী নাগিনীর মত আয় মা পাতাল ফুঁড়ি’। আধাঁরে তোমায় পথ দেখাবে মা তোমারি ভগ্ন চুড়ি! পুরুষ যমের ক্ষুধার কুকুর মুক্ত ও-পদাঘাতে লুটায়ে পড়িবে ও-চরণ-তলে দলিত যমের সাথে! সেদিন সুদূর নয়- যে দিন ধরণী পুরুষের সাথে গাহিবে নারীরও জয়।
কবিতাঃ নারী (দ্বিতীয় খন্ড)
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

শুধু নামে যাঁহার এত মধু সে বঁধু কেমন শুধু নাম শুনে যাঁর জাগে জোয়ার পরানে এমন।। শুধু যাহার বাঁশির সুরে আমার এত নয়ন ঝুরে ওগো না জানি তার রূপ কেমন মদন-মোহন।। সে বুঝি লো' অপরূপ সে চির-নতুন বাঁশির সুরের মতো আঁখি-সকরুণ। তারে আমি দেখি যদি কাঁদিব কি নিরবধি ওগো, যেমন ক'রে ঐ যমুনা কাঁদে অনুক্ষণ।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও ত্রিতাল)

রাঙা জবার বায়না ধ’রে আমার কালো মেয়ে কাঁদে সে তারার মালা সরিয়ে ফেলে এলোকেশ নাহি বাঁধে॥ পলাশ অশোক কৃষ্ণচূড়ায়, রাগ ক’রে সে পায়ে গুঁড়ায় সে কাঁদে দু’হাত দিয়ে ঢেকে যুগল আঁখি সূর্য চাঁদে॥ অনুরাগের রাঙাজবা থাক না মোর মনের বনে আমার কালো মেয়ের রাগ ভাঙাতে ফিরি জবার অন্বেষণে। মা’র রাঙা চরণ দেখতে পেয়ে, বলি এই যে জবা হাবা মেয়ে (সে) জবা ভেবে আপন পায়ে উঠলো নেচে মধুর ছাঁদে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

সুরে ও বাণীর মালা দিয়ে তুমি আমারে ছুঁইয়াছিলে। অনুরাগ–কুম্কুম দিলে দেহে মনে, বুকে প্রেম কেন নাহি দিলে।। বাঁশি বাজাইয়া লুকালে তুমি কোথায় — যে ফুল ফোটালে সে ফুল শুকায়ে যায় কী যেন হারায়ে প্রাণ করে হায় হায় — কী চেয়েছিলে — কেন কেড়ে নাহি নিলে।। জড়ায়ে ধরিয়া কেন ফিরে গেলে বল কোন্ অভিমানে, কেন জাগে নাকো আর সে মাধুরী রস–আনন্দ–প্রাণে। তোমারে বুঝি গো বুঝেছিনু আমি ভুল এসেছিলে তুমি ফোটাতে প্রেম–মুকুল, কেন আঘাত করিয়া প্রিয়তম, সেই ভুল নাহি ভাঙাইলে।।
রাগঃ পিলু
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ সেলিমা
