অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর

বাণী

অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর
অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।

নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’

জাগো জাগো শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী কাঁদে ধরিত্রী

বাণী

জাগো জাগো শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী।
কাঁদে ধরিত্রী নিপীড়িতা, কাঁদে ভয়ার্ত নরনারী।।
	আনো আরবার ন্যায়ের দণ্ড
	দৈত্য-ত্রাসন ভীম প্রচণ্ড,
অসুর-বিনাশী উদ্যত আসি ধর ধর দানবারি।।
	ঐ বাজে তব আরতি বোধন,
	কোটি অসহায় কণ্ঠে রোদন!
	ব্যথিত হৃদয়ে ফেলিয়া চরণ
	বেদনা-বিহারী এসো নারায়ণ,
রুদ্ধ কারার অন্ধ প্রাকার-বন্ধন অপসারি’।।

আমার বুকের ভেতর জ্বলছে আগুন

বাণী

আমার বুকের ভেতর জ্বলছে আগুন, দমকল ডাক ওলো সই।
শিগ্‌গির ফোন কর বঁধুরে, নইলে পুড়ে ভস্ম হই॥
	অনুরাগ দিশ্‌লাই নিয়ে
	চোখের লম্প জ্বালতে গিয়ে,
আমার প্রাণের খোড়ো ঘরে লাগল আগুন ওই লো ওই॥
	প্রেমের কেরোসিন যে এত
	অল্পে জ্বলে জানিনে তো,
কি দাবানল জ্বলছে বুকে জানবে না কেউ আমা বই॥
	প্রণয় প্রীতির তোষক গদি
	রক্ষে করতে চায় সে যদি
মনে ক’রে আনতে বলিস (তারে) আদর সোহাগ বালতি মই॥

এসো নওল কিশোর এসো এসো

বাণী

এসো 	নওল কিশোর এসো এসো, লুকায়ে রাখিব আঁখিতে মম।
		আমার আঁখির ঝিনুকে বন্দী রহিবে মুকুতা সম।।
			তুমি ছাড়া আর এই পৃথিবীতে
			এ আঁখি কারেও পাবে না দেখিতে,
		তুমিও আমারে ছাড়া আর কারেও হেরিবে না প্রিয়তম।।
		লুকায়ে রাখিব ফণিনী যেমন মানিক লুকায়ে রাখে,
		ঘিরিয়া থাকিব দামিনী যেমন শ্যাম মেঘ ঘিরে থাকে।
			মেঘ হয়ে আমি হে চাঁদ তোমায়
			আবরি’ রাখিব আঁখির পাতায়,
		নিশীথে জাগিয়া কাঁদিব দু’জন প্রিয় হে, চির জনম।।

আমি পথ-ভোলা ভিনদেশি গানের পাখি

বাণী

আমি	পথ-ভোলা ভিনদেশি গানের পাখি
	তোমাদের সুরের সভায় এই অজানায় লহ গো ডাকি'।।
	তোমরা বেঁধেছে বাসা যে তরু-শাখায়
	আমারে বসিতে দিও তাহারি ছায়ায়
	গাহিবার আছে আশা, জানি না গানের ভাষা
তবু	ভালোবাসা দিয়ে বাঁধ গো রাখি।।
	মায়াময় তোমাদের তরুলতা, ফুল
	তোমাদের গান শুনে' পথ হ'ল ভুল।
	যেন শতবার এসে' জন্মেছি এই দেশে-
বন্ধু	হে বন্ধু, অতিথিরে চিনিবে না-কি।।

আমার শ্যামা মায়ের কোলে চড়ে

বাণী

আমার	শ্যামা মায়ের কোলে চ’ড়ে জপি আমি শ্যামের নাম
		মা হলেন মোর মন্ত্র-গুরু ঠাকুর হলেন রাধা-শ্যাম।।
			ডুবে শ্যামা-যমুনাতে
		মা 	খেলবো খেলা শ্যামের সাথে
		শ্যাম যবে মোরে হানবে হেলা মা পুরাবেন মনস্কাম।।
		আমার মনের দোতারাতে শ্যাম ও শ্যামা দুটি তার,
		সেই দোতারায় ঝঙ্কার দেয় ওঙ্কার রব অনিবার।
			মহামায়া মায়ার ডোরে
			আনবে বেঁধে শ্যাম-কিশোরে
আমি		কৈলাসে তাই মাকে ডাকি দেখবো সেথা ব্রজধাম।।