বাণী
প্রভাত বীণা তব বাজে হে উদার অম্বর মাঝে হে।। তুষার কান্তি তব প্রশান্তি শুভ্র আলোকে রাজে হে।। তব আনন্দিত গভীর বাণী শোনে ত্রিভুবন যুক্ত পাণি মন্ত্রমুগ্ধ ভাব গঙ্গা নিস্তরঙ্গা লাজে হে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তোওড়া
ভিডিও
স্বরলিপি

প্রভাত বীণা তব বাজে হে উদার অম্বর মাঝে হে।। তুষার কান্তি তব প্রশান্তি শুভ্র আলোকে রাজে হে।। তব আনন্দিত গভীর বাণী শোনে ত্রিভুবন যুক্ত পাণি মন্ত্রমুগ্ধ ভাব গঙ্গা নিস্তরঙ্গা লাজে হে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তোওড়া

পাঠাও বেহেশ্ত হ’তে হজরত্ পুন সাম্যের বাণী, (আর) দেখিতে পারি না মানুষে মানুষে এই হীন হানাহানি।। বলিয়া পাঠাও, হে হজরত যাহারা তোমার প্রিয় উম্মত, সকল মানুষে বাসে তা’রা ভালো খোদার সৃষ্টি জানি’ — সবারে খোদারই সৃষ্টি জানি।। আধেক পৃথিবী আনিল ঈমান (তোমার) যে উদারতা-গুণে, শিখিনি আমরা সে-উদারতা, (কোরানে হাদিসে) কেবলি গেলাম শুনে’। তোমার আদেশ অমান্য ক’রে লাঞ্ছিত মোরা ত্রিভুবন ভ’রে, আতুর মানুষে হেলা ক’রে বলি, ‘আমরা খোদারে মানি’।।
রাগঃ
তালঃ
মদিনা! মদিনা! মদিনা! তোমায় ছাড়া আর কারেও ভালোবাসি না।। মদিনা! তব আর একটা নাম কি কেউ বলে ‘হাস্নাহেনা’ আমি তোমায় মদিনা ব’লে ডাকি। মদিনা! আমি তোমায় ছাড়া আর কারেও জানি না।। মদিনা! তুমি রইবে চিরদিন মোর ঘরে এসে তোমায় আমায় মিলন হবে ভালোবেসে, মদিনা! আমার ছেলে দু’টির ডাক নাম সানি ও নিনি, ওরা দুই ভাই ‘সানি’ ও ‘নিনি’রে যেন আপন ছেলের মত ভালোবেসো, এই আমি চাই। আজি নওজোয়ান, আমি কবি সুন্দর, সুন্দরের পূজারি, আমায় ভালোবাসে বাঙলার সব নরনারী। আমার কথার ফুলে মদিনা তোমার গানের ডালা সাজাই। মদিনা! মদিনা! মদিনা! তোমায় ছাড়া আর কারেও ভালোবাসি না।।
নাটক : ‘মদিনা’
রাগঃ
তালঃ
রুমঝুম্ রুমঝুম্ রুমঝুম্ ঝুম্ঝুম্ নূপুর বাজে আসিল রে প্রিয় আসিল রে।। কদম্ব-কলি শিহরে আবেশে বেণীর তৃষ্ণা জাগে এলোকেশে হৃদি ব্রজধাম রস-তরঙ্গে প্রেম-আনন্দে ভাসিল রে।। ধরিল রূপ অরূপ শ্রী হরি ধরণী হলো নবীনা কিশোরী চন্দ্রার কুঞ্জ ছেড়ে যেন কৃষ্ণ চন্দ্রমা-গগনে হাসিল রে।। আবার মল্লিকা-মালতী ফোটে বিরহ-যমুনা উথলি’ ওঠে রোদন ভুলে রাধা গাহিয়া ওঠে সুন্দর মোর ভালোবাসিল রে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

এ কি অপরূপ রূপের কুমার হেরিলাম সখি যমুনা কূলে, তার এ সুনীল লাবনি গলিয়া গলিয়া ঢলিয়া পড়িছে গগন-মূলে ॥ যেন কমল ফুটেছে সখি, সহস্র-দল রূপে-কমল ফুটেছে, রূপের সাগর মন্থন করি’ সখি চাঁদ যেন উঠছে। সখি গো — কালো সে রূপের মাঝে হয়ে যায় হারা কোটি আলো-রাধিকা-রবি, শশী, তারা, প্রেম-যমুনার তীরে সই আমি রিবধি দেখি তারে, দেখি আর চেয়ে রই। আমি এই রূপ চেয়ে থাকি সখি জনমে জনমে জীবনে মরণে এই রূপ চেয়ে থাকি। ঐ মোহন কালোর গহন কাননে হারাইয়া যাক আঁখি ॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)
