মান্দ

  • এত জল ও কাজল চোখে

    বাণী

    এত জল ও কাজল চোখে, পাষানী আনলে বল কে।
    টলমল জল-মোতির মালা দুলিছে ঝালর-পলকে ।।
    দিল কি পূব হাওয়াতে দোল, বুকে কি বিঁধিল কেয়া?
    কাঁদিয়া কুটিলে গগন এলায়ে ঝামর-অলকে।।
    চলিতে পৈঁচি কি হাতের বাঁধিল বৈচি-কাঁটাতে?
    ছাড়াতে কাঁচুলির কাঁটা বিঁধিল হিয়ার ফলকে।।
    [যে দিনে মোর দেওয়া-মালা ছিঁড়িলে আনমনে সখি,
    জড়াল জুই-কুসুমি-হার বেণীতে সেদিন ওলো কে।।
    যে-পথে নীর ভরণে যাও বসে রই সে পথ-পাশে
    দেখি, নিত কার পানে চাহি কলসীর সলিল ছলকে।।]
    মুকুলী-মন সেধে সেধে কেবলি ফিরিনু কেঁদে,
    সরসীর ঢেউ পালায় ছুটি' না ছুঁতেই নলিন-নোলকে ।।
    বুকে তোর সাত সাগরের জল, পিপাসা মিটল না কবি
    ফটিক জল ! জল খুঁজিস যেথায় কেবলি তড়িৎ ঝলকে।। 
    
  • কেউ ভোলে না কেউ ভোলে

    বাণী

    কেউ		ভোলে না কেউ ভোলে অতীত দিনের স্মৃতি
    কেউ		দুঃখ ল’য়ে কাঁদে কেউ ভুলিতে গায় গীতি।।
    কেউ		শীতল জলদে হেরে অশনির জ্বালা
    কেউ		মুঞ্জরিয়া তোলে তার শুষ্ক কুঞ্জ–বীথি।।
    হেরে		কমল–মৃণালে কেউ কাঁটা কেহ কমল।
    কেউ		ফুল দলি’ চলে কেউ মালা গাঁথে নিতি।।
    কেউ		জ্বালে না আর আলো তার চির–দুখের রাতে,
    কেউ		দ্বার খুলি’ জাগে চায় নব চাঁদের তিথি।।
    
  • তোমারি মহিমা গাই বিশ্বপালক করতার

    বাণী

    তোমারি মহিমা গাই বিশ্বপালক করতার
    করুণা কৃপার তব নাহি সীমা নাহি পার॥
    রোজ-হাশরের বিচার-দিনে তুমিই মালিক এয়্ খোদা,
    আরাধনা করি প্রভু, আমরা কেবলি তোমার॥
    সহায় যাচি তোমারি নাথ, দেখাও মোদের সরল পথ,
    সেই পথেতে চালাও খোদা বিলাও যাদের পুরস্কার।
    অবিশ্বাসী ধর্মহারা যাহারা সে ভ্রান্ত-পথ,
    চালায়ো না তাদের পথে, এই চাহি পরওয়ারদিগার॥
    

    বৈতালিক