কি মজার কড়াই ভাজা

বাণী

কি মজার কড়াই ভাজা কুড়ুর মুড়ুর খাই রে,
		যদি পয়সা একটি পাই রে।
মোদের জামাও আছে পকেটও আছে
		পয়সা কিন্তু নাই রে।।
	দাদা, পয়সা যদি পাই
	চল পেয়ারা তলায় যাই,
আমি আনি নুন লঙ্কা, তুমি লুকিয়ে চল বাইরে।।

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‌‘খুকি ও কাঠবেরালি’

রুম্ ঝুম্ ঝুম্ বাদল নূপুর বোলে

বাণী

রুম্ ঝুম্ ঝুম্ বাদল নূপুর বোলে বোলে,
তমাল বরণী কে নাচে, কে নাচে গগন কোলে।।
তার অঙ্গের লাবনি যেন ঝরে অবিরল
হয়ে শীতল মেঘলা মতির ধারা জল।
কদম ফুলের পীত উত্তরী তার পূব হাওয়াতে দোলে।।
বিজলি ঝিলিকে কার বনমালার আভাস জাগে
বন কুন্তলা ধরা হলো শ্যাম মনোহরা তাহারি অনুরাগে।
কারে হেরি পাপিয়া পিয়া পিয়া কহে
সাগর কাঁদে নদী জল বহে
ময়ূর-ময়ূরী বন-শবরী নাচে ট’লে ট’লে।।

বেতার গীতিকা: ‌‘বর্ষা মোদের প্রাণ’

আমার পায়ের বেড়ি

বাণী

আমার পায়ের বেড়ি এই সোনার পুরী ভেঙে।
যাও গো নিয়ে তোমার দেশে (তোমায়) পাব সেথায় জেগে।।
এই যে সাগর এই যে কুমার এই যে তোমার আমি
এই যে তুমি স্বপ্নে-পাওয়া মধুমালার স্বামী,
(এবার) তোমার হাসির রঙে, আঁধার পুরী উঠুক রেঙে।।

নাটক : 'মধুমালা'

মরম-কথা গেল সই মরমে ম’রে

বাণী

মরম-কথা গেল সই মরমে ম’রে।
শরম বারণ যেন করিল চরণ ধ’রে।।
ছল ক’রে কত শত সে মম রুধিত পথ
লাজ ভয়ে পলায়েছি সে ফিরেছে ব্যথাহত
অনাদরে প্রেম-কুসুম গিয়াছে ম’রে।।
কত যুগ মোর আশে ব’সে ছিল পথ-পাশে
কত কথা কত গান জানায়েছে ভালোবেসে
শেষে অভিমানে নিরাশে গিয়াছে স’রে।।

যার মেয়ে ঘরে ফিরল না আজ

বাণী

যার মেয়ে ঘরে ফিরল না আজ তার ঘরে তুই যা মা উমা!
আজ ঘুম নাই যে মায়ের চোখে সেই মাকে তুই জড়িয়ে ঘুমা॥
(মা)	এমন আনন্দেরই হাটে
	কেঁদে যাহার দিবস কাটে
‘মা আমি এসেছি’ বলে, সেই জননীর খা মা চুমা॥
যে মা’র বুক শূন্য আজি, কাঁদে আয় রে গোপাল বলে,
মা! তোর দুই কুমার নিয়ে, তুলে দে সেই শূন্য কোলে।
	ওমা! এই কটি দিন বিপুল স্নেহে
	তুমি বিরাজ কর প্রতি গেহে;
সকল অভাব পূর্ণ ক’রে আনন্দ দে শান্তি দে মা॥

আমি ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের

বাণী

আমি	ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের নট-নৃত্যে গো।
আমি	অপ্সরা-মায়া ধ্যানভঙ্গের
		যোগী মহেন্দ্রের চিত্তে গো।।
আমি	পঞ্চশর-তৃণে রক্তমাখা শর,
	অমৃত-পাত্রে গো স্মর-গরল খর
আমি	উর্বশীর খল-চরণ-নূপুর
		উদাসিনী দেব-চিত্তে গো।।