বাণী
বরষা ঐ এলো বরষা আলোর ধারায় জল ঝরঝরি’ অবিরল ধূসর নীরস ধরা হলো সরসা।। ঘন দেয়া দমকে দামিনী চমকে ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর ঝমঝম ঝমকে মনে পড়ে সুদূর মোর প্রিয়তমকে মরাল মরালীরে হেরি সহসা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ মেঘমল্লার
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

বরষা ঐ এলো বরষা আলোর ধারায় জল ঝরঝরি’ অবিরল ধূসর নীরস ধরা হলো সরসা।। ঘন দেয়া দমকে দামিনী চমকে ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর ঝমঝম ঝমকে মনে পড়ে সুদূর মোর প্রিয়তমকে মরাল মরালীরে হেরি সহসা।।
রাগঃ মেঘমল্লার
তালঃ ত্রিতাল

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জপথে কুড়াই ঝরা ফুল একেলা আমি। তুমি কেন হায় আসিলে হেথায় সুখের স্বরগ হইতে নামি।। চারিপাশে মোর উড়িছে কেবল শুকনো পাতা মলিন ফুল–দল, বৃথাই কেন হায় তব আঁখিজল ছিটাও অবিরল দিবস–যামী।। এলে অবেলায় পথিক বেভুল বিঁধিছে কাঁটা নাহি যবে ফুল, কি দিয়ে বরণ করি ও চরণ নিভিছে জীবন, জীবন–স্বামী।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ লাউনি
শিল্পীঃ ইয়াসমিন মুশতারী

আঁধার মনের মিনারে মোর হে মুয়াজ্জিন, দাও আজান গাফেলতির ঘুম ভেঙে দাও হউক নিশি অবসান।। আল্লাহ নামের যে তক্বীরে ঝর্না বহে পাষাণ চিরে শুনি’ সে তক্বিরের আওয়াজ জাগুক আমার পাষাণ প্রাণ।। জামাত ভারি জমবে এবার এই দুনিয়ার ঈদগাহে, মেহেদী হবেন ইমাম সেথায় রাহ্ দেখাবেন গুমরাহে। আমি যেন সেই জামাতে সামিল হতে পারি প্রাতে ডাকে আমায় শহীদ হতে সেথায় যতো নওজোয়ান।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমি যার নূপুরের ছন্দ বেণুকার সুর - কে সেই সুন্দর কে! আমি যার বিলাস-যমুনা বিরহ-বিধুর কে সেই সুন্দর কে।। যাহার গানের আমি বনমালা আমি যার কথার কুসুম-ডালা, না-দেখা সুদূর - কে সেই সুন্দর কে।। যার শিখী-পাখা লেখনী হয়ে গোপনে মোরে কবিতা লেখায় সে রহে কোথায় হায়! আমি যার বরষার আনন্দ-কেকা নৃত্যের সঙ্গিনী দামিনী-রেখা, যে মম অঙ্গে কাঁকন-কেয়ূর কে সেই সুন্দর কে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ রাহাত আরা গীতি

বনের মনের কথা ফুল হয়ে জাগে। কয় না সে কথা তবু তারে ভালো লাগে।। শ্যাম পল্লবে তনু ছেয়ে যায়, ভরে ওঠে সুরভিত সুষমায়। ফুটে ওঠে তার না বলা বাণী রক্তিম অনুরাগে।। বন মর্মরে সেই মৌনীর শুনি মৃদু গুঞ্জন ললিতার মত তার ভালোবাসা, গভীর-চির গোপন। যত সে নিজেরে লুকাইতে চায়, তত মধু তার উছলিয়া যায়। কত সে পলাশে, কত সে অশোকে কত কুঙ্কুম ফাগে।।
রাগঃ
তালঃ
ওগো মা — ফাতেমা ছুটে আয়, তোর দুলালের বুকে হানে ছুরি। দ্বীনের শেষ বাতি নিভিয়া যায় মাগো, বুঝি আঁধার হ’ল মদিনা-পুরী।। কোথায় শেরে খোদা, জুলফিকার কোথা, কবর ফেঁড়ে এসো কারবালা যথা — তোমার আওলাদ বিরান হ’ল আজি, নিখিল শোকে মরে ঝুরি’।। কোথায় আখেরী নবী, চুমা খেতে তুমি, যে গলে হোসেনের সহিছ কেমনে? সে গলে দুশমন হানিছে শমসের। রোজ্হাশরে নাকি কওসরের পানি পিয়াবে তোমরা গো গোনাহ্গারে আনি, দেখ না কি চেয়ে, দুধের ছেলেমেয়ে পানি বিহনে মরে পুড়ি।।
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক
