বাণী
তোমার বিবাহে আপনার হাতে (প্রিয়) আমি দেব হার পরায়ে। মোর চোখে যদি জল করে টলমল আমি দু’হাতে দেব গো সরায়ে।।
নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
তোমার বিবাহে আপনার হাতে (প্রিয়) আমি দেব হার পরায়ে। মোর চোখে যদি জল করে টলমল আমি দু’হাতে দেব গো সরায়ে।।
নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ
প্রাণের ঠাকুর লীলা করে আমার দেহের আঙিনাতে রসের লুকোচুরি খেলা নিত্য আমার তারই সাথে।। তারে নয়ন দিয়ে খুঁজি যখন অন্তরে সে লুকায় তখন অন্তরে তায় ধরতে গেলে লুকায় গিয়ে নয়ন-পাতে।। ঐ দেখি তার হাসির ঝিলিক আমার ধ্যানের ললাট-মাঝে ধরতে গেলে দেখি সে নাই কোন্ সুদূরে নূপুর বাজে। এত কাছে রয় সে তবু পাই না তারে হাতে হাতে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মওলা আমার সালাম লহ এ সংসারের কাজে। দ্বীন-দুনিয়ার দুই কাজে মোর থেকো হিয়ার মাঝে।। কাজা ক’রে নামাজ রোজা না বই যেন পাপের বোঝা, দুনিয়াদারী ভুলে যেন দহি’ দুঃখ-লাজে।। সঞ্চিত দৌলতের কিছু দান জাকাতে যেন ফের, দান ক’রে মোর সব না হারাই, শক্তি রেখো দানে। কোরান হ’তে নীতি নিয়ে কাজে যেন দেই বিলিয়ে, যে কাবার পথে হই বিবাগী মোসাফিরের সাজে।।
রাগঃ মিশ্র সুর
তালঃ কাহার্বা
মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে। তাই কিরে তোর কণ্ঠেরি গান, (ওরে) এমন মধুর লাগে।। ওরে গোলাপ নিরিবিলি নবীর কদম ছুঁয়েছিলি — তাঁর কদমের খোশবু আজো তোর আতরে জাগে।। মোর নবীরে লুকিয়ে দেখে তাঁর পেশানির জ্যোতি মেখে, ওরে ও চাঁদ রাঙলি কি তুই গভীর অনুরাগে।। ওরে ভ্রমর তুই কি প্রথম চুমেছিলি তাঁহার কদম, গুন্গুনিয়ে সেই খুশি কি জানাস্ রে গুল্বাগে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কোন রস-যমুনার কূলে বেণু-কুঞ্জে হে কিশোর বেণুকা বাজাও। মোর অনুরাগ যায় সেথা, তনু যেতে নারে, তুমি সেই ব্রজের পথ দেখাও।। মোর অন্ধ আঁখি কাঁদে চাঁদের তৃষায় তব পানে হাত তুলে রাত কেটে যায়, বঁধু, এই ভিখারিনী সেই মাধুকরী চায় – মধুবনে, গোপীগণে যে মধু দাও।। প্রেমহীন-নীরস জীবন ল’য়ে পথে পথে ফিরি বৈরাগিনী হয়ে, বুঝি আমি চাই তব প্রেম নাহি পাই – কৃপা কর প্রেমময়, তুমি মোরে চাও।।
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

জোছনা-হসিত মাধবী নিশি আজ। পর পর প্রিয়া বাসন্তি-রাঙা সাজ।। রাঙা কমল-কলি দিও কর্ণ-মূলে পর সোনালি চেলি নব সোনাল্ ফুলে, স্বর্ণলতার প’র সাতনরী-হার আজি উৎসব-রাত, রাখ রাখ গৃহ-কাজ।। পর কবরী-মূলে নব আমের মুকুল হাতে কাঁকন পর গেঁথে অতসীর ফুল, দূরে গাহুক ডাহুক পাখি সখি, মুখর নিলাজ।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ
তালঃ লাউনি