বাণী
এ কি এ মধু শ্যাম-বিরহে। হৃদি-বৃন্দাবনে নিতি রসধারা বহে।। গভীর বেদনা মাঝে শ্যাম-নাম-বীনা বাজে প্রেমে মন মোহে যত ব্যথায় প্রাণ দহে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

এ কি এ মধু শ্যাম-বিরহে। হৃদি-বৃন্দাবনে নিতি রসধারা বহে।। গভীর বেদনা মাঝে শ্যাম-নাম-বীনা বাজে প্রেমে মন মোহে যত ব্যথায় প্রাণ দহে।।
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ ত্রিতাল

অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
প্রজাপতি! প্রজাপতি! কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা, টুকটুকে লাল–নীল ঝিলিমিলি আঁকা–বাঁকা।। তুমি টুলটুলে বন-ফুলে মধু খাও মোর বন্ধু হয়ে সেই মধু দাও ওই পাখা দাও সোনালী –রূপালী পরাগ মাখা।। মোর মন যেতে চায় না পাঠশালাতে প্রজাপতি! তুমি নিয়ে যাও সাথী ক’রে তোমার সাথে। তুমি হাওয়ায় নেচে নেচে যাও আজতোমার মত মোরে আনন্দ দাও এই জামা ভাল লাগে না, দাও জামা ছবি–আঁকা।।
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সাদিয়া মল্লিক

জগতের নাথ তুমি, তুমি প্রভু প্রেমময়। আমি জগতের বাহিরে নহি দেহ চরণে আশ্রয়।। যাহাদের তরে আমি খাটিনু দিবস-রাতি, (আমার)যাবার বেলায় কেহ তাদের হ’ল না সাথের সাথি। সম্পদ মোর পাঁচ ভূতে খায়, কর্ম কেবল সঙ্গে রয়।। ভুলিয়া সংসার মোহে লই নাই তোমারি নাম — তরাতে এমন পাপী পাবে না হে ঘনশ্যাম। শুনেছি তোমারে যদি কাঁদিয়া কেহ ডাকে — তুমি অমনি তারে কর ক্ষমা চরণে রাখ তাকে। আমি সেই আশাতে এসেছি নাথ যদি তব কৃপা হয়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি আরেকটি দিন থাকো। হে চঞ্চল, যাবার আগে মোর মিনতি রাখো।। আমি ভালো ছিলাম ভুলে’ একা কেন নিঠুর দিলে দেখা, তুমি ঝরা-ফুলে গাঁথ্লে মালা গলায় দিলে না কো।। তোমার কাজের মাঝে আমায় ভোলা সহজ হবে, স্বামী! কেমন ক’রে এক্লা ঘরে থাক্বো ভুলে আমি। নিবু নিবু প্রদীপ আশার তুমি জ্বালিয়ে দিলে যদি আবার — প্রিয় নিভ্তে তারে দিও না আর আদর দিয়ে রাখো।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

সমবেত : সারাদিন পিটি কার দালানের ছাদ গো পাত ভ’রে ভাত পাই না, ধ’রে আসে হাত গো॥ ১ম : তোর ঘরে আজ কি রান্ন হায়েছে? ২য় : ছেলে দুটো ভাত পায়নি, পথ চেয়ে রয়েছে। ৩য় : আমিও ভাত রাঁধিনি, দেখ্ না চুল বাঁধিনি শাশুড়ি মান্ধাতার বুড়ি মন্দ কথা কয়েছে। ৪র্থ : আমার ননদ বড় দজ্জাল বজ্জাত গো। সমবেত : সারাদিন পিটি কার দালানের ছাদ গো পাত ভ’রে ভাত পাই না, ধ’রে আসে হাত গো॥ ১ম : এত খায় তবু ওদের বউগুলো সুঁট্কো ২য় : ছেলেগুলো প্যাঁকাটি, বাবুগুলো মুট্কো। ৩য় : এরা কাগজের ফুল, এরা চোখে চাঁদ দেখে না। ৪র্থ : ইটের ভিতরে কীটের মত কাটায় এরা রাত গো। সমবেত : সারাদিন পিটি কার দালানের ছাদ গো পাত ভ’রে ভাত পাই না, ধ’রে আসে হাত গো॥
চলচ্চিত্রঃ ‘চৌরঙ্গী’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
