চৌরঙ্গী হ্যায় ইয়ে চৌরঙ্গী

বাণী

চৌরঙ্গী হ্যায় ইয়ে চৌরঙ্গী।
ইসকী দুনিয়া রং বেরংগী।।
গোরে, কালে আওবে, যাওবে
আপনি আপনি ছাব দেখলাবে,
ই ড্যগর মেঁ সব সংসার —
ইসকী দুনিয়া রঙ্গ বেরংগী।।
কিতনে আওবে রাজাবাবু
কিতনে হামসে বেকারি,
কিতনে আপনে গুলকে বন্দে
কিতনে প্রেম-পূজারী।
কোই কিসিকো রাব লাগায়ে
কোই য়া কর খুদ খো যায়ে
সিধা রাস্তা ফির হাজার
ইসকী দুনিয়া রঙ্গ বেরংগী।।

বাদ্‌লা-কালো স্নিগ্ধা আমার

বাণী

বাদ্‌লা-কালো স্নিগ্ধা আমার কান্তা এলো রিম্‌ঝিমিয়ে
বৃষ্টিতে তার বাজ্‌লো নুপূর পায়জোরেরই শিঞ্জিনী যে।
ভিজ্‌লো কুঁড়ির বক্ষ-পরাগ হিম্‌-শিশিরের আমেজ পেয়ে
হর্‌দম! হর্‌দম দাও মদ, মস্ত্ করো গজল গেয়ে!
ফেরদৌসের ঝরকা বেয়ে গুল-বাগিচায় বইছে হাওয়া,
এই তো রে ভাই ওক্ত খুশির, দ্রাক্ষারসে দিল্‌কে নাওয়া।
কুঞ্জে জরিন ফারসি ফরাস্‌ বিছিয়েছে আজ ফুলবালারা,
আজ চাই-ই চাই লাল-শিরাজি স্বচ্ছ-সরস খোর্মা-পারা!
খাম্‌খা তুমি মরছ কাজী শুষ্ক তোমার শাস্ত্র ঘেঁটে,
মুক্তি পাবে হারামখোরের আল-কিমিয়ার পাত্র চেটে!

নয়নে ঘনাও মেঘ মালবিকা

বাণী

নয়নে ঘনাও মেঘ, মালবিকা!
গগনে জাগাও তব নীরদ-লিখা।।
বিদ্যুৎ হানে যদি গরজায় বাজ
সুন্দর মৃত্যুরে নাহি ভয় আজ,
আমার এ বনে এসো মনোবালিকা।।
ঝরুক এ শিরে মোর ঘন বরষা
ফুটিবে কাননে ফুল আছে ভরসা,
এসো জল-ছল-ছল পথে অভিসারিকা।।

উদার অম্বর দরবারে তোরই

বাণী

উদার অম্বর দরবারে তোরই প্রশান্ত প্রভাত বাজায় বীণা।
শতদল-শ্রভ্রা পদতল-লীনা, প্রশান্ত প্রভাত বাজায় বীণা।।
	সহস্র কিরণ-তারে হানি’ ঝঙ্কার
	ধ্বনি তোলে অনাহত গভীর ওঙ্কার,
সেই সুরে উদাসীন, পরমা প্রকৃতি ধ্যান-নিমগ্না মহাযোগাসীনা।।
	আনন্দ-হংস বিমুগ্ধ গতিহীন
	স্থির হ’য়ে ব্যোমে শোনে সে জ্যোতির্বীণ,
ঝরা ফুল-অঞ্জলি তা’রি চরণে প্রণতা ধরণী বাণী-বিহীনা।।

আমার দেওয়া ব্যথা ভোলো

বাণী

আমার দেওয়া ব্যথা ভোলো।
আজ যে যাবার সময় হলো।।
নিব্‌বে যখন আমার বাতি 
আসবে তোমার নূতন সাথি, 
আমার কথা তা'রে বলো।।
ব্যথা দেওয়ার কী যে ব্যথা 
জানি আমি, জানে দেবতা।
জানিলে না কী অভিমান 
করেছে হায় আমায় পাষাণ, 
দাও যেতে দাও, দুয়ার খোলো।।

আমার মনের বেদনা

বাণী

আমার মনের বেদনা
বুঝিলে না, আমার মনের বেদনা ॥
চাহিনি মালার ফুল
বুঝিলে না আপনার ভূল
মালা দিলে মন দিলে না ॥