ওমা তোর চরণে কি ফুল দিলে

বাণী

ওমা	তোর চরণে কি ফুল দিলে পূজা হবে বল।
	রক্ত-জবা অঞ্জলি মোর হ’লো যে বিফল।।
		বিশ্বে যাহা আছে মাগো
		তাতেও পূজা হবে নাকো,
	তাই তো দুঃখে নয়নে মোর শুধুই আসে জল।।
	মনের কোণে অর্ঘ্য রচি’ আঁধার ঘরে একা,
	ডাকলে তোরে সকল ভুলে দিবি না তুই দেখা।
		তখন কি মা দুঃখ-হরা
		শেষ হবে না অশ্রুধারা,
	কি ফুলে তোর পূজা হবে বল — কেন করিস্ ছল।।

রিম্‌ ঝিম্‌ রিম্‌ঝিম্ ঝিম্‌ ঘন দেয়া বরষে

বাণী

রিম্‌ ঝিম্‌ রিম্‌ঝিম্‌ ঝিম্‌ ঘন দেয়া বরষে।
কাজরি নাচিয়া চল, পুর-নারী হরষে।।
কদম তমাল ডালে দোলনা দোলে
কুহু পাপিয়া ময়ূর বোলে,
মনের বনের মুকুল খোলে
নট-শ্যাম সুন্দর মেঘ পরশে।।
হৃদয়-যমুনা আজ কূল জানে না গো,
মনের রাধা আজ বাধা মানে না গো।
ডাকিছে ঘর-ছাড়া ঝড়ের বাঁশি
অশনি আঘাত হানে দুয়ারে আসি’,
গরজাক গুরুজন ভবনবাসী —
আমরা বাহিরে যাব ঘনশ্যাম দরশে।।

নাটকঃ ‌‘অর্জুন বিজয়’

সন্ধ্যা-গোধূলি লগনে কে

বাণী

সন্ধ্যা–গোধূলি লগনে কে
রাঙিয়া উঠিলে কারে দেখে।।
হাতের আলতা পড়ে গেল পায়ে
অস্ত–দিগন্ত বনান্ত রাঙায়ে,
আঁখিতে লজ্জা, অধরে হাসি —
কেন অঞ্চলে মালা ফেলিলে ঢেকে।।
চিরুনি বিনোদ বিনুনীতে বাঁধে
দেখিলে সে কোন সুন্দর চাঁদে,
হৃদয়ে ভীরু প্রদীপ শিখা
কাঁপে আনন্দে থেকে থেকে।।

কি মজার কড়াই ভাজা

বাণী

কি মজার কড়াই ভাজা কুড়ুর মুড়ুর খাই রে,
		যদি পয়সা একটি পাই রে।
মোদের জামাও আছে পকেটও আছে
		পয়সা কিন্তু নাই রে।।
	দাদা, পয়সা যদি পাই
	চল পেয়ারা তলায় যাই,
আমি আনি নুন লঙ্কা, তুমি লুকিয়ে চল বাইরে।।

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‌‘খুকি ও কাঠবেরালি’

অন্ধকারে দেখাও আলো কৃষ্ণ

বাণী

অন্ধকারে দেখাও আলো কৃষ্ণ নয়ন-তারা।
কালো মেঘে অন্ধ-আকাশ পথিক পথ-হারা।।
	ভক্ত কাঁদে অকূল ভবে,
	গোকূলে তায় ডাকবে কবে।
অশান্ত এ চিত্তে হরি বহাও শান্তি-ধারা।।

মাগো তোরি পায়ের নূপুর বাজে

বাণী

মাগো তোরি পায়ের নূপুর বাজে
এই বিশ্বের সকল ধ্বনির মাঝে।।
জীবের ভাষায় পাখির মধুর গানে,
সাগর রোলে নদীর কলতানে
সমীরণের মরমরে শুনি সকাল সাঁঝে।।
আমার প্রতি নিঃশ্বাসে মা রক্তধরার মাঝে
প্রাণের অনুরণনে তোর চরণধ্বনি বাজে।
গভীর প্রণব ওঙ্কারে তোর কালি (মা গো মহাকালী)
সেই নৃত্যলীলার স্তবগাথা গান চরণতলে নটরাজে।।