এ ঘনঘোর রাতে

বাণী

এ ঘনঘোর রাতে
ঝুলন দোলায় দুলিবে মম সাথে।।
এসো নব জলধর শ্যামল সুন্দর
জড়ায়ে রাধার অঙ্গ বাঁশরি লয়ে হাতে।।

চ্যল চ্যল চ্যল ন্যওয্যওয়ান

বাণী

চ্যল চ্যল চ্যল ন্যওয্যওয়ান চ্যল্।
ফ্যত্‌হেকি হো ফৌজ তুম্
ব্যহর্ কি হো মৌজ তুম্
ব্যখত্‌কে হো অওজ তুম্
		তুম্‌মে হ্যায় জোর ব্যল্।।
চাক হ্যায় শ্যব কি ন্যকাব
ছোড় দো গ্যফল্যত কা খবাব,
নিকলা ওহ লো আফতাব —
		তুম্‌ভি হো গ্যরমে অ্যস্যল।।
ফ্যয়লনে কো বেকরার
সুরতে নূর অ্যওর নার,
জ্যল জ্যলা আফজা পুকার —
		জলমকি ব্যনফ্যর অ্যম্যল।।
চ্যল মচাকে শোর সাফে দুশম্যন কো তোড় ফোড়
উঠ খ্যড়ে হো সুব্ আজাঁ গ্যফিলিয়ত্ কো ছোড়,
হিম্মত না হারানা আযায়ে গ্যর অ্যয্যল।।

তোমারি প্রকাশ মহান

বাণী

তোমারি প্রকাশ মহান, রে নিখিল দুনিয়া জাহান্!
তোমারি জ্যোতিতে রওশন্ নিশিদিন জমিন ও আস্‌মান্‌।।
নিভিল কোটি তপন চাঁদ তোমারে খুঁজিয়া প্রভু,
কত দাউদ ঈশা মুসা করিল তব জয়গান।।
তোমারে কত নামে হায় ডাকিছে বিশ্ব শিশুর প্রায়,
কত নামে পূজে তোমায় ফেরেশতা হুর পরী ইনসান্।।

আমার সকল আকাশ ভ'রলো

বাণী

আমার সকল আকাশ ভ'রলো তোমার তনুর কমল-গন্ধে
আমার বন-ভবন ঘিরল মধুর কৃষ্ণ-মকরন্দে।।
	এলামেলো মলয় বহে
	বন্ধু এলো, এলো কহে
উজ্জ্বল হ'ল আমার ভুবন তোমার মুখ-চন্ধে।।
আমার দেহ-বীণায় বাজে তোমার চরণ-নূপুর-ছন্দ
সকল কাজে জাগে শুধু অধীর আনন্দ।
	আমার বুকের সুখের মাঝে
	তোমার উদাস বেণু বাজে
তোমার ছোওয়ায় আবেশ জাগে ব্যাকুল বেণীর বন্ধে।।

সখি লো তায় আন ডেকে

বাণী

সখি লো তায় আন ডেকে যে গান গেয়ে যায় পথ দিয়ে।
সই দিব তারে কণ্ঠহার, তার কণ্ঠেরি ঐ সুর নিয়ে॥
		কারুর পানে নাহি চায়
	সে 	আপন মনে গেয়ে যায়
প্রাণ কাঁপে সুরের নেশায় নয়ন আসে ঝিমিয়ে॥
		সখি লো শুধিয়ে আয়
		সে শিখিল এ গান কোথায়
এত মধু তার গলায় কার অধর-সুধা পিয়ে॥
		যার গানে এত প্রাণ মাতায়
		না জানি কি হয় দেখ্‌লে তায়
তার সুর শুনে কেউ প্রাণ পায় কেউ ফেলে প্রাণ হারিয়ে॥

সখি নাম ধ’রে কে ডাকে দুয়ারে

বাণী

সখি নাম ধ’রে কে ডাকে দুয়ারে।
চ’লে যাওয়া বন্ধু বুঝি ফিরে এলো জোয়ারে।।
	সখি নিত্য আমার বুকের মাঝে
	যাহার চরণ-ধ্বনি বাজে,
সেই পায়ের ধ্বনি কানে শুনি আমার আঙিনার ধারে।।
সাজ পরতে সাধ কেন হয়, বাম অঙ্গ নাচে,
থাকি থাকি বৌ কথাকও পাখি ডাকে গাছে।
	গাঙের পারে বাজে বাঁশি
	চাঁদের মুখে রাঙা হাসি
মোর মন কেঁদে কয়, সে এসেছে আন্ লো ডেকে উহারে।।