বাণী
নিশীথ-স্বপন তোর ভু’লে যা নিশি-শেষে। বাদল-অবসানে আকাশ উঠেছে হেসে।। চখার পাশে আসে বিরহ-রাতের চখি আঁধার লুকাল ঐ দূর বনে এলোকেশে।। শরম-রাঙা গালে জাগিল কুমারী ঊষা, তরুণ অরুণ ঐ এসো রাঙা বর-বেশে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
নিশীথ-স্বপন তোর ভু’লে যা নিশি-শেষে। বাদল-অবসানে আকাশ উঠেছে হেসে।। চখার পাশে আসে বিরহ-রাতের চখি আঁধার লুকাল ঐ দূর বনে এলোকেশে।। শরম-রাঙা গালে জাগিল কুমারী ঊষা, তরুণ অরুণ ঐ এসো রাঙা বর-বেশে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
জয় হরপ্রিয়া শিবরঞ্জনী। শিব-জটা হতে সুরধুনী স্রোতে ঝরি’ শতধারে ভাসাও অবনি। দিবা দ্বিপ্রহরে প্রথম বেলা কাফি-সিন্ধুর তীরে কর খেলা দীপ্ত নিদাঘে সারঙ্গ রাগে অগ্নি ছড়ায় তব জটাব ফণী॥ কভু ধানশ্রীতে মায়া রূপ ধর, জ্ঞানী শিবের তেজ কোমল কর পিলু বারোঁয়ার বিষাদ ভোলানো নূপুরের চটুল ছন্দ আনো বাগীশ্বরী হ’য়ে মহিমা শান্তি ল’য়ে আসো গভীর যবে হয় রজনী॥ বরষার মল্লারে মেঘে তুমি আসো, অশনিতে চমকাও, বিদ্যুতে হাসো সপ্ত সুরের রঙে সুরঞ্জিতা ইন্দ্রধনু-বরণী॥
রাগঃ শিবরঞ্জনী
তালঃ ফের্তা
চাও চাও চাও নব বধূ অবগুণ্ঠন খোলো আনত নয়ন তোলো॥ আমি যে ননদী খরতর নদী লজ্জা কি লজ্জায় ফুল শয্যায় কাল ছিল না তো নত ওই আঁখি সবি বলে দেব যদি বউ কথা না বলো॥ ‘বউ কথা কও’ ডাকে পাখি তবুও নীরব রবে নাকি দেখি দেখি গালে লালী ও কিসের? ও! লজ্জায় বুঝি লাল হলো॥ ও কি অধীর চরণে যেয়ো না যেয়ো না আন-ঘরে লুকাইতে দেখে যদি কেউ সখি পাশের ও ঘরে মানুষ যে রহে তারও অন্তরে বহে বিরহের ঢেউ। লজ্জাই যদি তব ভূষণ সজ্জায় তবে কি প্রয়োজন? সুখে সুখী হব দুখে দুখী ব’সো মুখোমুখি লাজ ভোলো।
নাটিকাঃ ‘বিয়ে বাড়ি’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

বিজলি চাহিনী কাজল কালো নয়নে। রহি’ রহি’ কেন হানিছ ক্ষণে ক্ষণে।। ভীরু প্রণয় মম ঝড়ের পাখির সম, শরণ মাগে তোমার মনো-বনে।। আমার প্রণয়-প্রদীপ-শিখা তোমারে শ্বাসে থেকে থেকে, কেঁপে মরে, ওগো প্রিয়, বাঁচাও তারে আঁচল-ঢেকে। ধ্যান যাহার ওই রাঙা চরণ, বেঁধো না তারে বেণীর ফাঁদে কি হবে পিঞ্জরে রাখি’, বেঁধেছ যা’য় বাহুর বাঁধে, কেন হান আঘাত যে হেরে আছে রণে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা / ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

এসো প্রিয়, মন রাঙায়ে ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙায়ে মন মাধবী বন দুলায়ে, দুলায়ে, দুলায়ে।। শোন ‘পিউ পিউ’ ডাকে পাপিয়া মোরে সেই সুরে ডাক ‘পিয়া, পিয়া’ তব আদর-পরশ বুলায়ে, বুলায়ে, বুলায়ে।। যদি আন কাজে ভুলে রহি চলে যেও না হে মোর বিরহী দিও প্রিয়, কাজ ভুলায়ে, ভুলায়ে, ভুলায়ে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ রাশিদা জামান কিশি

শ্মশানে জাগিছে শ্যামা অন্তিমে সন্তানে নিতে কোলে জননী শান্তিময়ী বসিয়া আছে ঐ চিতার আগুণ ঢেকে স্নেহ–আঁচলে। সন্তানে দিতে কোল ছাড়ি’ সুখ কৈলাস বরাভয় রূপে মা শ্মশানে করেন বাস, কি ভয় শ্মশানে শান্তিতে যেখানে ঘুমাবি জননীর চরণ–তলে।। জ্বলিয়া মরিলি কে সংসার জ্বালায় তাহারে ডাকিছে মা ‘কোলে আয়, কোলে আয়’ জীবনে শ্রান্ত ওরে ঘুম পাড়াইতে তোরে কোলে তুলে নেয় মা মরণেরি ছলে।।
রাগঃ কৌশী
তালঃ ত্রিতাল
