বাণী
চল জয়যাত্রায় চল বাসন্তী-বাহিনী চল রচিতে বুকে বুকে নব প্রেম-কাহিনী।। যথা উদাসীন পুরুষ তপস্যা-মগ্ন জাগো সেথা সুরত রতি অতি লগ্ন — যার বাসনা ফুরায় মনে — চলো তার তপোবনে চল কামনার কামিনী।।
নাটক : ‘হরপার্বতী’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
চল জয়যাত্রায় চল বাসন্তী-বাহিনী চল রচিতে বুকে বুকে নব প্রেম-কাহিনী।। যথা উদাসীন পুরুষ তপস্যা-মগ্ন জাগো সেথা সুরত রতি অতি লগ্ন — যার বাসনা ফুরায় মনে — চলো তার তপোবনে চল কামনার কামিনী।।
নাটক : ‘হরপার্বতী’
রাগঃ
তালঃ
কিশোর রাখাল বেশে মেষ চারণে যায় নবী নীল রেশমি রুমাল বেঁধে তার চারু-চাঁচর কেশে। তাঁর রাঙা পদতলে পুলকে ধরা টলে তাঁর রূপ -লাবনির ঢলে মরুভূমি গেল ভেসে।। তাঁর মুখে রহে চাহি মেষ-শিশু তৃণ ভুলি' বিশ্বের শাহানশাহ আজ মাখে গোঠের ধূলি, তাঁর চরণ-নখরে কোটি চাঁদ কেঁদে মরে তাঁর ছায়া ক'রে চলে আকাশে মেঘ এসে।। কিশোর নবী গোঠে চলে তাঁর চরণ-ছোঁয়ায় পথের পাথর মোম হয়ে যায় গ'লে তসলিম জানায় পাহাড় চরণে ঝুকে তাঁহার। নারাঙ্গি,আঙুর,খরজুর,পায়ে নজরানা দেয় হেসে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

জানি জানি তুমি আসিবে ফিরে। আবার উঠিবে চাঁদ নিরাশার তিমিরে।। নিঝুম কাননে থাকি ডাকিবে গানের পাথি, দখিন-সমীরণ আবার বহিবে ধীরে।। আবার গাঙের জলে আসিবে জোয়ার জ্বলিবে আশায় দীপ, রবে না আঁধার। তোমার পরশ লেগে ঘুম মোর যাবে ভেঙে, একদা প্রভাতে প্রিয় আকুল নয়ন-নীরে।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

কেন কাঁদে পরান কি বেদনায় কারে কহি। সদা কাঁপে ভীরু হিয়া রহি’ রহি’।। সে থাকে নীল নভে আমি নয়ন-জল-সায়রে সাতাশ তারার সতীন-সাথে সে যে ঘুরে মরে কেমনে ধরি সে চাঁদে রাহু নহি।। কাজল করি’ যারে রাখি গো আঁখি-পাতে স্বপনে যায় সে ধুয়ে গোপনে অশ্রু-সাথে। বুকে তায় মালা করি’ রাখিলে যায় সে চুরি বাঁধিলে বলয়-সাথে মলয়ায় যায় সে উড়ি’ কি দিয়ে সে উদাসীর মন মোহি’।।
রাগঃ মিশ্র বেহাগ-তিলককামোদ-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

তোমার আকাশে উঠেছিনু চাঁদ, ডুবিয়া যাই এখন। দিনের আলোকে ভুলিও তোমার রাতের দুঃস্বপন।। তুমি সুখে থাক আমি চলে যাই, তোমারে চাহিয়া ব্যথা যেন পাই, জনমে জনমে এই শুধু চাই — না-ই যদি পাই মন।। ভয় নাই রাণী রেখে গেনু শুধু চোখের জলের লেখা, জলের লিখন শুকাবে প্রভাতে, আমি চলে যাব একা! ঊর্ধ্বে তোমার প্রহরী দেবতা, মধ্যে দাঁড়ায়ে তুমি ব্যথাহতা, — পায়ের তলার দৈত্যের কথা ভুলিতে কতক্ষণ।।
রাগঃ টোড়ি
তালঃ বৈতালিক

ধূলি-পিঙ্গল জটাজুট মেলে। আমার প্রলয় সুন্দর এলে॥ পথে-পথে ঝরা কুসুম ছাড়ায়ে রিক্ত শাখায় কিশলয় জড়ায়ে, গৈরিক উত্তরী গগনে উড়ায়ে — রুদ্ধ ভবনের দুয়ার ঠেলে॥ বৈশাখী পূর্ণিমা চাঁদের তিলক তোমারে পরাব, মোর অঞ্চল দিয়া তব জটা নিঙাড়িয়া সুরধুনী ঝরাব। যে-মালা নিলে না আমার ফাগুনে জ্বালা তারে তব রূপের আগুনে, মরণ দিয়া তব চরণ জড়াব হে মোর উদাসীন, যেয়ো না ফেলে॥
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
