বাণী
প্রণমি তোমায় বনদেবতা। শাখে শাখে শুনি তব ফুল-বারতা — দেবতা।। তোমার ময়ূর তোমার হরিণ লীলা-সাথী রয় নিশিদিন, বিলায় ছায়া বাণী-বিহীন — তরু ও লতা — দেবতা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ দুর্গা
তালঃ দাদ্রা
প্রণমি তোমায় বনদেবতা। শাখে শাখে শুনি তব ফুল-বারতা — দেবতা।। তোমার ময়ূর তোমার হরিণ লীলা-সাথী রয় নিশিদিন, বিলায় ছায়া বাণী-বিহীন — তরু ও লতা — দেবতা।।
রাগঃ দুর্গা
তালঃ দাদ্রা
ওগো পিয়া তব অকরুণ ভালোবাসা। অন্তরে দিল বিপুল বিরহ, কবিতায় দিল ভাষা।। মোর গানে দিল সুর করুণ ব্যথা বিধুর, বাণীতে দিল সুদূর স্বর্গের পিপাসা।। তুমি ভালো করিয়াছ ভালোবাস নাই মোরে, রাখ নাই ধ’রে আমারে তোমার ক’রে। মম বিরহের বেদনাতে তাই ত্রিভুবন কাঁদে সাথে, ভুলেছি সবারে চেয়ে তোমারে পাবার আশা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

হিন্দু আর মুসলিম মোরা দুই সহোদর ভাই। এক বৃন্তে দু’টি কুসুম এক ভারতে ঠাঁই॥ সৃষ্টি যাঁর মুসলিম রে ভাই হিন্দু সৃষ্টি তাঁরি মোরা বিবাদ ক’রে খোদার উপর করি যে খোদকারি। শাস্তি এত আজ আমাদের হীন-দশা এই তাই॥ দুই জাতি ভাই সমান মরে মড়ক এলে দেশে বন্যাতে দুই ভাইয়ের কুটির সমানে যায় ভেসে। দুই জনারই মাঠেরে ভাই সমান বৃষ্টি ঝরে — সব জাতিরই সকলকে তাঁর দান যে সমান করে চাঁদ সুরুযের আলো কেহ কম-বেশি কি পাই বাইরে শুধু রঙের তফাৎ ভিতরে ভেদ নাই॥
রাগঃ
তালঃ তেওড়া

অন্ধকারে এসে তুমি অন্ধকারে গেছ চ’লে। তোমার পায়ের রেখা জাগে শূন্য গৃহের অঙ্গন-তলে।। কেন আমায় জাগালে না আঘাতে ঘুম ভাঙালে না, দ’লে কেন গেলে না গো যাবার বেলা চরণ-তলে।। কৃষ্ণা তিথির চাঁদের মত এসেছিলে গভীর রাতে, আলোর পরশ বুলিয়ে দিলে ঘুমন্ত মোর নয়ন-পাতে; তাই রজনীগন্ধা সুখে চেয়ে আছে উর্ধ্ব মুখে, ফুলগুলিরে জাগিয়ে গেলে নিঠুর আমায় গেলে ছ’লে।।
রাগঃ
তালঃ
বলেছিলে ভুলিবে না মোরে। ভুলে গেলে হায়, কেমন ক’রে।। নিশীথের স্বপনে কে যেন কহে ধরণীর প্রেম সে কি স্মরণে রহে, ফুলের মতন ফুটে যায় রে ঝ’রে।। বোঝে না বিরহী মন অসহায়, যত নাহি পায় তত জড়াইতে চায়। যত দূরে যাও তত, তব গাওয়া গান কেন স্মৃতিপথে এসে কাঁদায় এ প্রাণ, আঁখিতে দেখি না দেখি আঁখির লোরে।।
রাগঃ আনন্দী
তালঃ ত্রিতাল

আমি মূলতানী গাই শ্রোতারা বাছুর সম মুখপানে চেয়ে মম ঘন ঘন তোলে হাই।। জাপটে সুরের দাড়ি শ্বশুরের দাড়ি, ভাসুরের দাড়ি সাপটে তান মারি-আ-আ-আ জাপটে সুরের দাড়ি পমকে ধমক দেই, মীরে মাড় চটকাই।। হায় হায় রে হায়- বোলতানে আবোল-তাবোল তানে খেলি হা-ডু-ডু কিত-কিত - হা-ডু-ডু- হা-ডু-ডু-কিত-কিত-কিত-কিত-কিত মোড়-মোড়-মোড় আমি বাটের চাট মেরে সুরে করি চিত আমি তালের সিঙ দিয়ে বেদম গুতাই।। মোর মুখের হা দেখে হিপোপটেমাস আফ্রিকার জঙ্গলে ভয়ে করে বাস আমি যত নাহি গাই তার অধিক রাগাই।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
