বাণী
এ কি এ মধু শ্যাম-বিরহে। হৃদি-বৃন্দাবনে নিতি রসধারা বহে।। গভীর বেদনা মাঝে শ্যাম-নাম-বীনা বাজে প্রেমে মন মোহে যত ব্যথায় প্রাণ দহে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

এ কি এ মধু শ্যাম-বিরহে। হৃদি-বৃন্দাবনে নিতি রসধারা বহে।। গভীর বেদনা মাঝে শ্যাম-নাম-বীনা বাজে প্রেমে মন মোহে যত ব্যথায় প্রাণ দহে।।
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ ত্রিতাল

মাধবী-লতার আজি মিলন সখি শ্যাম সহকার তরুর সাথে। আকাশে পূর্ণিমা-চাঁদের জলসা হের গো তাই আজি চৈতালী রাতে।। ফুলে ফুলে তা’র ফুল্ল তনুলতা গাহিয়া ওঠে পাখি ‘বউ গো কও কথা’, স্বর্ণলতার সাতনরী১ হার দুলিছে গলায় রাতুল শোভাতে।। তা’রি আমন্ত্রণ-লিপি থরে থরে, শ্যামল পল্লবে কুসুম-আখরে। তরুলতা দুলে পুলকে নাচি’ নাচি’ মিলন-মন্ত্র গাহিছে মৌমাছি, আল্পনা আঁকে আলো ও ছায়াতে।।
১. শতনরী
রাগঃ তিলক-কামোদ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

হে চির সুন্দর, বিশ্ব চরাচর তোমারি মনোহর রূপের ছায়া। রবি শশী তারকায় তোমারি জ্যোতি ভায় রূপে রূপে তব অরূপ কায়া।। দেহের সুবাস তব কুসুম-গন্ধে, তোমার হাসি হেরি শিশুর আনন্দে। জননীর রূপে তুমি আমাদেরে যাও চুমি’, তব স্নেহ-প্রেমরূপ — কন্যা জায়া।। হে বিরাট শিশু! এ যে তব খেলনা নিতি নব, ভাঙা গড়া দুখ শোক বেদনা। শ্যামল পল্লবে সাগর-তরঙ্গে তব রূপ লাবনি দুলে ওঠে রঙ্গে, বিহগের কণ্ঠে তব মধু কাকলি, মায়াময়। শতরূপে বিছাও মায়া।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

রঘুকুলপতি রামচন্দ্র আওধকে অধিকারী। সুর-নর-জন পূজে চরণ, মুনি-জন ভয়হারী।। ঝলকে অরুণ বদন-কমল, নীল-পদ্ম নয়ন যুগল দশরথ-সুত সীতাপতি তপবন বনচারী।। সত্য ধর্ম পালক-প্রভু, রাজমুকট-ত্যাগী রত্নাকর শাসক অরু, অনুজকে অনুরাগী। শিলা সতী অহল্যা ত্রাতা, জগৎ-পূজ্য, জগৎ-পাতা। লঙ্কা-পতি মোক্ষদাতা অসুর-নিধনকারী।।
রাগঃ মিশ্র
তালঃ একতাল (ত্রিমাত্রিক) / দাদ্রা

আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগঃ
তালঃ
ঘুমে জাগরণে বিজড়িত প্রাতে। কে এলে সুন্দর আমারে জাগাতে।। শাখে শাখে ফুলগুলি হাসিছে নয়ন মেলি’ শিহরিছে উপবন ফুলেল হাওয়াতে।। দেখিনি তোমায় তবু অন্তর কহে, ছিলে তুমি লুকায়ে আমার বিরহে। চম্পার পেয়ালায় রস উছলিয়া যায় — ঝরিয়া পড়ার আগে ধর তা’রে হাতে।।
রাগঃ জঙ্গোলা
তালঃ ত্রিতাল
