বাণী
হে নিঠুর ! তোমাতে নাই আশার আলো। তাই কি তোমার রূপ কৃষ্ণ কালো।। তুমি ত্রিভঙ্গ তাই তব সকলি বাঁকা চোখে তব কাজলের ছলনা মাখা। নিষাদের হাতে বাঁশি সেজেছে ভালো।।
নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

হে নিঠুর ! তোমাতে নাই আশার আলো। তাই কি তোমার রূপ কৃষ্ণ কালো।। তুমি ত্রিভঙ্গ তাই তব সকলি বাঁকা চোখে তব কাজলের ছলনা মাখা। নিষাদের হাতে বাঁশি সেজেছে ভালো।।
নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আঁখি ঘুম-ঘুম-ঘুম নিশীথ নিঝুম ঘুমে ঝিমায়। বাহুর ফাঁদে স্বপন-চাঁদে বাঁধিতে কারে চায়।। আমি কারো লাগি একা নিশি জাগি বিরহ-ব্যথায় কোথায় কাহার বুকে বঁধু ঘুমায় কাঁদি চাতকিনী মরে তৃষায় কুসুম-গন্ধ আজি যেন বিষ-মাখা হায়।। কেন এ ব্যথা এ আকুলতা পরের লাগি এ পরান পুড়ে? মরুভূমিতে বারি কি ঝুরে আমি যেন ম’রে তোরি রূপ ধ’রে আসি সে যাহারে চায়।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দাদ্রা)

পথ চলিতে যদি চকিতে কভু দেখা হয়, পরান-প্রিয়! চাহিতে যেমন আগের দিনে তেমনি মদির চোখে চাহিও।। যদি গো সেদিন চোখে আসে জল, লুকাতে সে জল করিও না ছল, যে-প্রিয় নামে ডাকিতে মোরে সে-নাম ধরে বারেক ডাকিও।। তোমার বঁধু পাশে (হায়) যদি রয়, মোরও প্রিয় সে, করিও না ভয়, কহিব তা’রে, ‘আমার প্রিয়ারে আমারো অধিক ভালোবাসিও’।। বিরহ-বিধুর মোরে হেরিয়া, ব্যথা যদি পাও যাব সরিয়া, রব না হ’য়ে পথের কাঁটা, মাগিব এ বর মোরে ভুলিও।।
রাগঃ বারোয়াঁ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ইফ্ফাত আরা নার্গিস
কে দুয়ারে এলে মোর তরুণ ভিখারি কি যাচে ও আঁখি বুঝিতে যে নারি॥ হৃদি প্রাণ মন বিভব রতন ডারিনু চরণে লহ পথচারী॥ দুয়ারে মোর নিতি গেয়ে যায় যে গীতি নিশিদিন বুকে বেঁধে তারি স্মুতি। কি দিয়ে এ ব্যথা নিবারিতে পারি॥ মিলন বিরহ যা চাও প্রিয় লহ দাও ভিখারিনী বেশ দাও ব্যথা অসহ মোর নয়নে দাও তব নয়ন বারি॥
নাটকঃ ‘আলেয়া’
রাগঃ পিলু
তালঃ দাদ্রা

ঘুম আয় ঘুম, ঘুম ঘুম ঘুম। আকাশ-বাতাস জল থল উপবন সব হোক নিঝ্ঝুম।। শান্ত হোক সব অশান্ত কলরোল রে পথিক! জীবন-পথের ক্লান্তি ভোল্ নয়নে লাগুক সুখ-স্বপনের কুঙ্কুম।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
দেবযানীর মনে প্রথম প্রীতির কলি জাগে। কাঁপে অধর-আঁখি অরুণ অনুরাগে।। নব-ঘন-পরশে কদম শিহরে যেন হরষে, ভীরু বুকে তা’র তেমনি শিহরণ১ লাগে।। দেব-গুরু-কুমার ভোলে সঞ্জীবনী-মন্ত্র, তপোবনে তার জাগে ব্যাকুল বসন্ত। নব-সুর-ছন্দ আনিল অজানা আনন্দ, পূজা-বেদী তার রাঙিল চন্দন-ফাগে।। ১. হরষণ
রাগঃ দেবযানী (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ নবনন্দন (২০ মাত্রা) (নজরুল-সৃষ্ট)
