কত কথা ছিল তোমায় বলিতে

বাণী

কত কথা ছিল তোমায় বলিতে
ভুলে যাই হয় না বলা পথ চলিতে।।
ভ্রমরা আসে যবে বনেরই পথে
না-বলা সেই কথা কয় ফুল-কলিতে।।
পুড়ে মরে পতঙ্গ, দীপ তবু
পারে না বলিতে, থাকে জ্বলিতে।।
সে কথা কইতে গিয়ে গুণীর বীণা
কাঁদে কভু সারঙ কভু ললিতে।।
যত বলিতে চাই লুকাই তত
গেল মোর এ জনম হায় মন ছলিতে।।

আমি হেরে এবার নেবো লো

বাণী

ঘুমপরী	:	আমি হেরে এবার নেবো লো সই বঁধুর গলার হার।
স্বপনপরী	:	হার মেনে তুই জিত্‌বি ওলো হবে না তা আর।।

নাটক : ‘মধুমালা’

আল্লার নাম লইয়া বান্দা রোজ ফজরে উঠিও

বাণী

আল্লার নাম লইয়া বান্দা রোজ ফজরে উঠিও
আল্লা নামের আহলাদে ভাই ফুলের মতন ফুটিও।।
কাজে তোমার যাইয়ো বান্দা আল্লারি নাম লইয়া
ঐ নামের গুণে কাজের ভার যাইবে হাল্কা হইয়া।
শুনলে আজান কাজ ফেলিয়া মসজিদে শির লুটিও।।
আল্লার নাম লইয়া রে ভাই কইরো খানাপিনা
হাটে মাঠে যাইয়ো না ভাই আল্লারই নাম বিনা।
ওয়াজ নসিহত হইলে মজলিসে আইসা জুটিও।।
স্ত্রী পুত্র কন্যা তোমার খোদায় সঁপে দিও
আল্লার নাম জিকির কইরা নিশীথে ঘুমিও।
এই নাম শুইনা জন্মেছ ভাই এই নাম লইয়া মরিয়ো।।

ডাল মেল পত্র মেল ওরে তরুলতা

বাণী

ডাল মেল, পত্র মেল, ওরে তরুলতা!
কইতে পার, কইতে পার আমার প্রাণের বন্ধু গেল কোথা (রে)।।
	ও তরু, তোর পাতার কোলে
	ফোটা ফুলের হাসি দোলে (রে)।
সে কি তোর কুসুমের মালা গলে বসেছিল হোথা (রে)।।
	তোর ফুল ঝরে যে যথা
	তোর ছায়া থাকে যথা।
ঢেউ-এর মালা গলায় পরে নাচিস নদী জল,
তরী বেয়ে বন্ধু আমার কোথায় গেল বল।
	চাঁদের তিলক প’রে আকাশ
	হেসে হেসে কেন তাকাস্?
তোর চাঁদ কি জানে, মোর আকাশের চাঁদেরই বারতা।।

কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে

বাণী

কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে
কহিতে গিয়ে কেন ফিরিয়া আসি লাজে।।
	শরমে মরমে ম'রে
	গেল বনফুল ঝ'রে
ভীরু মোর ভালোবাসা শুকালো মনের মাঝে।।
	আজিকে ঝরার আগে,
	নিলাজ অনুরাগে
ধরিতে যে সাধ জাগে হৃদয়ে হৃদয় রাজে।।

দে দোল্ দে দোল্‌ ওরে দে দোল্‌

বাণী

দে দোল্‌ দে দোল্‌ ওরে দে দোল্‌ দে দোল্‌
জাগিয়াছে ভারত সিন্ধু তরঙ্গে কল-কল্লোল।।
পাষাণ গলেছে রে অটল টলেছে রে
জেগেছে পাগল রে ভেঙেছে আগল।।
বন্ধন ছিল যত হল খানখান রে
পাষাণ পুরীতে ডাকে জীবনেরি বান রে
মৃত্যু ক্লান্ত আজি কুড়াইয়া প্রাণ রে
দুর্মদ যৌবন আজি উতরোল।।
অভিশাপ রাত্রির আয়ু হল ক্ষয় রে
আর নাহি অচেতন আর নাহি ভয় রে
আজও যাহা আসেনি আসিবে সে জয় রে
আনন্দ ডাকে দ্বারে খোল দ্বার খোল।।