জপ্ লে রে মন মেরা

বাণী

জপ্ লে রে মন মেরা প্রভুকে নামকে মালা।
সবের শামমে হর এক কামমে জপ লে উও নাম নিরালা।।
	বসন ভূষণ উওহি নামসে সাজাও
	উওহি নামসে ভুখ তৃষ্ণা মিটাও,
উও নাম লেকে ফিরো রোতে রোতে নামসে কর হৃদয় উজিয়ালা।।
উওহি নাম কি নামাবলী গ্রহতারা রবিশশী ঝুলে গগনমণ্ডল মে
ছোড় লোভ মোহ ক্রোধ কামকো
জপত রহো নদা মধুর উও নামকো,
			নামমে রহো সদা মাতোয়ালা।।
আদর ভাব মন উনহিসে,
প্রেম পীতি কর উনহিকে চরণ সে।
উওহি নাম ধ্যনমে উওহি নাম জ্ঞানমে
উওহি নাম জপত রহো মন প্রাণমে,
			উওহি হায় সবকে পালনওয়ালা।।

স্বপনে দেখেছি ভারত-জননী

বাণী

স্বপনে দেখেছি ভারত-জননী
			তুই যেন রাজরাজেশ্বরী।
নবীন ভারত! নবীন ভারত!
			স্তব-গান ওঠে ভুবন ভরি’।।
শস্যে ফসলে ডেকেছে মা বান
মাঠে ও খামারে ধরে নাকো ধান
মুখভরা হাসি, হসিভরা প্রাণ
			নদী ভরা যেন পণ্যতরী।।
পড়ুয়ারা পড়ে বকুল-ছায়ে
সুস্থ সবল আদুল গায়ে
মেয়েরা ফিরিছে মুক্ত বায়ে
			কল-গীতে দিক মুখর করি’।
ভুলিয়া ঈর্ষা ভোগ আসক্তি
ধরার ক্লান্ত অসুর-শক্তি
এসেছে শিখিতে প্রেম ও ভক্তি
			নব-ভারতের চরণ ধরি’।।

তুমি আমারে কাঁদাও নিজেরে আড়াল রাখি

বাণী

তুমি আমারে কাঁদাও নিজেরে আড়াল রাখি',
তুমি চাও আমি নিশি-দিন যেন তব নাম ধরে ডাকি।।
হে লীলা-বিলাসী অন্তরতম, অন্তর-মধু চাও বুঝি মম
গোপনে করিতে পান, ওগো বঁধু, অন্তরালে সে থাকি।।
বিরহ তোমার ছল, কেন নাহি বুঝি!
আমাতে রহিয়া কাঁদাও আমারে তবু কেন মরি খুঁজি'।
ভুলিয়া থাকি সুখের মোহে তাই বুঝি প্রিয় কাঁদাও বিরহে —
বন্ধু, ওগো বন্ধু;
তুমি অন্তরে এলে রাজ-সমারোহে নয়নেরে দিয়ে ফাঁকি।।

মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম

বাণী

মোরা		ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল।
মোরা		বিধাতার মত নির্ভয়, মোরা প্রকৃতির মত সচ্ছল।।
			আকাশের মত বাঁধাহীন,
মোরা			মরু সঞ্চার বেদুঈন,
(মোরা)		বন্ধনহীন জন্ম–স্বাধীন, চিত্ত মুক্ত শতদল।।
মোরা		সিন্ধু–জোয়ার কল–কল
মোরা		পাগলা–ঝোরার ঝরা জল
			কল–কল–কল্ ছল–ছল–ছল্ কল–কল–কল্ ছল–ছল–ছল্
মোরা		দিল–খোলা খোলা প্রান্তর,
মোরা		শক্তি অটল মহীধর
			হাসি গান শ্যাম উচ্ছল
মোরা		বৃষ্টির জল বনফল খাই, শয্যা শ্যামল বন–তল।।

কিশোরী বাসন্তী ডাকিছে

বাণী

পুরুষ	:	কিশোরী বাসন্তী ডাকিছে তোমায় ফুলবন।
স্ত্রী	:	ডাকে হে শ্যাম, তোমায় তাল ও তমাল বন শন্ শন্।।
পুরুষ	:	তুমি ফুলের বারতা
স্ত্রী	:	তুমি বন-দেবতা,
উভয়ে	:	আমরা আভাস ফাল্গুনের, দূর স্বর্গের পরশন।।
পুরুষ	:	কল্প-লোকের তুমি রূপ-রানী গো প্রিয়া,
		অপাঙ্গে ফোটাও যুঁই-চম্পা-টগর-মোতিয়া।
স্ত্রী	:	নিঠুর পরশ তব (হায়) যাচিয়া জাগে বনভূমি
		ফুলদল পড়ে ঝরি’ তব চারু পদ চুমি’,
উভয়ে	:	আমরা ফুলশর-ঊর্বশী দেব-সভার মোরা হরষণ।।

শুভ্র সমুজ্জ্বল হে চির–নির্মল

বাণী

শুভ্র সমুজ্জ্বল, হে চির–নির্মল শান্ত অচঞ্চল ধ্রুব–জ্যোতি
অশান্ত এ চিত কর হে সমাহিত সদা আনন্দিত রাখো মতি।।
দুঃখ–শোক সহি অসীম সাহসে
অটল রহি যেন সম্মানে যশে
তোমার ধ্যানের আনন্দ–রসে
	নিমগ্ন রহি হে বিশ্বপতি।।
মন যেন না টলে খল কোলাহলে, হে রাজ–রাজ!
অন্তরে তুমি নাথ সতত বিরাজ, হে রাজ–রাজ!
বহে তব ত্রিলোক ব্যাপিয়া, হে গুণী,
ওঙ্কার–সংগীত–সুর–সুরধুনী,
হে মহামৌনী, যেন সদা শুনি
	সে সুরে তোমার নীরব আরতি।।