বাণী
বরের বেশে আসবে জানি আজ মম সুন্দর। পার হ’য়ে দূর বিরহ-লোক বহু যুগের পর।। আসে সে ঐ চুপে চুপে আমার মধুর মরণ রূপে আর সে ছেড়ে যাবে না গো আমার-ঘর।।
নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক
ভিডিও
স্বরলিপি

বরের বেশে আসবে জানি আজ মম সুন্দর। পার হ’য়ে দূর বিরহ-লোক বহু যুগের পর।। আসে সে ঐ চুপে চুপে আমার মধুর মরণ রূপে আর সে ছেড়ে যাবে না গো আমার-ঘর।।
নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

দিন গেল মোর মায়ায় ভুলে মাটির পৃথিবীতে। কে জানে কখন নিয়ে যাবে গোরে মাটি দিতে রে।। পাঁচ ভূতে আর চোরে মিলে রোজগার মোর কেড়ে নিলে; এখন কেউ নাই রে পারে যাবার দুটো কড়ি দিতে রে।। রাত্রি শুয়ে আবার যে ভাই উঠব সকাল বেলা, বলতে কি কেউ পারি তবু খেলি মোহের খেলা। বাদ্শা আমির ফকির কত এলো আবার হল গত রে; দেখেও বারেক আল্লার নাম জাগে নাকো চিতে। এবার বসবি কবে ও ভোলা মন আল্লার তস্বিতে রে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

এসো এসো বন ঝরনা উচ্ছল-চল-চরণা। সর্পিল ভঙ্গে লুটায়ে তরঙ্গে ফেন-শুভ্র-ওড়না।। পাষাণ জাগায়ে এসো নির্ঝরিণী এসো প্রাণ-চঞ্চলা জল-হরিণী মরু-তৃষিতের বুকে ঢালো ধারা জল-শ্যাম মেঘ-বরণা।। এসো বুনো পথ বেয়ে অকারণ গান গেয়ে, গভীর অরণ্যের মৌনব্রত ভেঙে ভয়হীন পাহাড়ি মেয়ে। নৃত্য পরা পায়ে ছন্দ আনো আনন্দ আনো মৃত প্রাণ জাগানো, অনাবিল হাসির ঝরাফুল ছড়ায়ে এসো মঞ্জুলা মনোহরণা।।
রাগঃ
তালঃ
ব্রজ–গোপী খেলে হোরী খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে। রাঙা অধরে ঝরে হাসির কুম্কুম্ অনুরাগ–আবীর নয়ন–পাতে।। পিরীতি–ফাগ মাখা গোরীর সঙ্গে হোরি খেলে হরি উন্মাদ রঙ্গে। বসন্তে এ কোন্ কিশোর দুরন্ত রাধারে জিনিতে এলো পিচ্কারী হাতে।। গোপীনীরা হানে অপাঙ্গ খর শর ভ্রুকুটি ভঙ্গ অনঙ্গ আবেশে জর জর থর থর শ্যামের অঙ্গ। শ্যামল তনুতে হরিত কুঞ্জে অশোক ফুটেছে যেন পুঞ্জে পুঞ্জে রঙ–পিয়াসি মন ভ্রমর গুঞ্জে ঢালো আরো ঢালো রঙ প্রেম–যমুনাতে।।
রাগঃ কাফি–সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সাদী মহম্মদ
শিল্পীঃ মোহাম্মদ রফি

আল্লাকে যে পাইতে চায় হজরতকে ভালবেসে। আরশ্ কুরসি লওহ কালাম, না চাহিতেই পেয়েছে সে।। রসুল নামের রশি ধ’রে যেতে হবে খোদার ঘরে, নদী-তরঙ্গে যে পড়েছে ভাই, দরিয়াতে সে আপনি মেশে।। তর্ক ক’রে দুঃখ ছাড়া কি পেয়েছিস্ অবিশ্বাসী, কি পাওয়া যায় দেখ্ না বারেক হজরতে মোর ভালবাসি’। এই দুনিয়ায় দিবা-রাতি ঈদ্ হবে তোর নিত্য সাথী, তুই যা চাস্ তাই পাবি রে ভাই আহমদ চান যদি হেসে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

হে মোর স্বামী, অন্তর্যামী, লহ সকলি আমার। লহ প্রীতি-প্রেম-পূজা লহ পায়ে গলার হার।। হে প্রিয়তম, সকলি লহ; মান-অভিমান ব্যথা-বিরহ। দুঃখের দাহ, সুখের মোহ লহ হে অশ্রু-ধার।। যাহা কিছু আপন, দিতে যা বাকি যাহা কিছু গোপন, লুকায়ে রাখি যাহা কিছু প্রিয় অঞ্চলে ঢাকি; লহ হে বঁধূ এবার।। তোমায় চাওয়ার পাওয়ার আশা, তোমায় না-পাওয়ার ব্যথা-নিরাশা, তোমারে দিলাম মোর ভালোবাসা বিফলতা হাহাকার।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ কাহার্বা
