বাণী
ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিনী দুখ-পাপ-তাপ হারিণী ভবানী।। কলুষ-রিপু-দানব-জয়ী জগৎ-মাতা করুণাময়ী জয় পরমাশক্তি মাতা ত্রিলোকধারিণী।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ঝাঁপতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিনী দুখ-পাপ-তাপ হারিণী ভবানী।। কলুষ-রিপু-দানব-জয়ী জগৎ-মাতা করুণাময়ী জয় পরমাশক্তি মাতা ত্রিলোকধারিণী।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ঝাঁপতাল

ফুল-কিশোরী! জাগো জাগো, নিশি হ’ল ভোর। দুয়ারে দখিন-হাওয়া — খোলো খোলো পল্লব-দোর।। জাগাইয়া ধীরে ধীরে যৌবন তনু-তীরে, চ’লে যাবে উদাসী কিশোর।। চিনি গো দেবতা চিনি ও নূপুর-রিনিঝিনি,১ ভেঙো না ভেঙো না ঘুম-ঘোর, মধু মাসে আসে সে যে ফুলবাস-চোর। প্রভাতে ফুটায়ে আঁখি নিশীথে বহাবে আঁখি-লোর।।
নাটক : ‘আলেয়া’
১. চিনি ও-নিঠুরে চিনি পায়ে দ’লে মন জিনি’
রাগঃ জৌনপুরী
তালঃ দাদ্রা

আজো হেথা তেমনি ধারা বাজে শ্যামের বাঁশরি। আজো হেথা নিশীথরাতে কুঞ্জে আসে কিশোরী।। বাঁশির তানে শ্রীযমুনা তেমনি উজান বয় গোঠে গিয়ে বৎস ধেনু উর্ধ্বমুখী রয়। কে বলে শ্যাম চ’লে গেছে যায়নি ব্রজেই কানু আছে সে কিরে সই থাকতে পারে বৃন্দাবন পাসরি।।
নাটিকাঃ ‘মীরাবাঈ’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

বরণ করেছি তারে সই বারণ ক’রো না মরম সঁপেছি তারে নিতে মরণ যাতনা।। গোপনে সঁপেছি মন গোপনে করি যতন, কাঁদে প্রাণ তারি তরে, মিলিতে বাসনা।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

সেদিন ব’লেছিলে এই সে ফুলবনে, আবার হবে দেখা ফাগুনে তব সনে।। ফাগুন এলো ফিরে লাগে না মন কাজে, আমার হিয়া ভরি, উদাসী বেণু বাজে; শুধাই তব কথা দখিনা সমীরণে।। শপথ ভুলিয়াছ বন্ধু, ভুলিলে পথ কি গো, বারেক দিয়ে দেখা লুকালে মায়ামৃগ। আঁচলে ফুল লয়ে হল’ না মালা গাঁথা, আসার পথ তব ঢাকিল ঝরা পাতা; পূজার চন্দন শুকালো অঙ্গনে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ ইন্দ্রাণী সেন

শুধু নামে যাঁহার এত মধু সে বঁধু কেমন শুধু নাম শুনে যাঁর জাগে জোয়ার পরানে এমন।। শুধু যাহার বাঁশির সুরে আমার এত নয়ন ঝুরে ওগো না জানি তার রূপ কেমন মদন-মোহন।। সে বুঝি লো' অপরূপ সে চির-নতুন বাঁশির সুরের মতো আঁখি-সকরুণ। তারে আমি দেখি যদি কাঁদিব কি নিরবধি ওগো, যেমন ক'রে ঐ যমুনা কাঁদে অনুক্ষণ।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও ত্রিতাল)
