বাণী
আয় সবে ভাই বোন আয় সবে আয় শোন্ পদধূলি শিরে লয়ে মা’র। মা’র বড় কেহ নাই কেহ নাই, কেহ নাই, নত করি’ বল সবে — ‘মা আমার! মা আমার!’
রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘মাতৃস্তোত্র’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

আয় সবে ভাই বোন আয় সবে আয় শোন্ পদধূলি শিরে লয়ে মা’র। মা’র বড় কেহ নাই কেহ নাই, কেহ নাই, নত করি’ বল সবে — ‘মা আমার! মা আমার!’
রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘মাতৃস্তোত্র’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

গভীর নিশীথে জাগি’ খুঁজি তোমারে। দূর গগনে প্রিয় তিমির-‘পারে।। জেগে যবে দেখি হায় তুমি নাই কাছে আঙিনাতে ফুটে’ ফুল ঝ’রে পড়ে আছে, বাণ-বেঁধা পাখি সম আহত এ প্রাণ মম — লুটায়ে লুটায়ে কাঁদে অন্ধকারে।। মৌন নিঝুম ধরা, ঘুমায়েছে সবে, এসো প্রিয়, এই বেলা বক্ষে নীরবে। কত কথা কাঁটা হ’য়ে বুকে আছে বিঁধে কত আভিমান কত জ্বালা এই হৃদে, দেখে যাও এসো প্রিয় কত সাধ ঝ’রে গেল — কত আশা ম’রে গেল হাহাকারে।।
রাগঃ রবিকোষ
তালঃ কাহার্বা

এখনো মেটেনি আশা এখনো মেটেনি সাধ। এখনো নয়ন মানে নাই তার চাহনির অপরাধ।। আজো ঢেউগুলি নীল সায়রের কোলে জল-তরঙ্গে ঝঙ্কার তোলে পিয়াসি চাতক আজো চেয়ে ফেরে বরষার পরসাদ।। কবে ফুটছিল রূপের কুসুম বনানীর লতা-গাছে, আজো গৌরী-চাঁপার রঙটুকু তার মরমে লাগিয়া আছে। চ'লে গেছে চাঁদ আলো আবছায় দাগ ফেলে হিয়া-আয়নার গায় থেমেছে কানুর বাঁশরি থামেনি যমুনার কলনাদ।। ঢাল পিয়ালে লাল সিরাজী নিত্য দোদুল তালে তালে আঁকবো বুকে প্রীতির ব্যথা রঙ্গিন নেশায় রঙ্গিন জালে।। মত্ত হবো চিত্ত হারা বেদনা ভরা বদমেজাজি করলে পাগল ব্যর্থ আশায় করলে প্রেমরে দাগাবাজি।। রঙ্গিন বঁধু তুমি শুধু, তুমি শুধু সত্যি হবে রঙ্গিন নেশায় রঙ্গিন পথে তুমি শুধু সাথী হবে।। শুল্ক তালু কণ্ঠ আমার দে রে আমার রুগ্ন গালে দে রে সাকি দে রে ঢেলে নিত্য দোদুল তালে তালে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

শ্যামের সাথে চল সখি খেলি সবে হোরি। রঙ নে, রঙ দে, মদির আনন্দে, আয় লো বৃন্দাবনী গোরী।। আয় চপল যৌবন-মদে মাতি অল্প-বয়সী কিশোরী।। রঙ্গিলা গালে তাম্বুল-রাঙা ঠোঁটে হিঙ্গুল রঙ লহ ভরি; ভুরু-ভঙ্গিমা সাথে রঙ্গিম হাসি পড়ুক মুহু মুহু ঝরি’।। আগুন-রাঙা ফুলে ফাগুন লাগে লাল, কৃষ্ণচূড়ার পাশে অশোক গালে-গাল। আকুল করে ডাকি’ বকুল বনের পাখি, যমুনার জল লাল হ’ল আজ আবির, ফাগের রঙে ভরি।।১
১. শ্যাম অঙ্গ আজি রঙে রঙে রাঙা হয়ে কি শোভা ধরেছে মরি! মরি!
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

যে আল্লার কথা শোনে তারি কথা শোনে লোকে। আল্লার নূর যে দেখেছে পথ পায় লোক তার আলোকে।। যে আপনার হাত দেয় আল্লায় জুল্ফিকারের তেজ সে পায়, যার চোখে আছে খোদার জ্যোতি রাত্রি পোহায় তারি চোখে।। ভোগের তৃষ্ণা মিটেছে যার খোদার প্রেমের শিরনি পেয়ে, যায় বাদ্শা-নবাব গোলাম হ'য়ে সেই ফকিরের কাছে যেয়ে। আসে সেই কওমের ইমাম সেজে কওমকে পেয়েছে যে, তারি কাছে খোদার দেওয়া শান্তি আছে দুখে-শোকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মা, মা গো — আমার অহঙ্কারের মূল কেটে দে কাঠুরিয়ার মেয়ে, কত নিরস তরু হ'ল মঞ্জুরিত তোর চরণ-পরশ পেয়ে।। রোদে পুড়ে জলে ভিজে মা দিয়েছি ফুল ফল শাখায় আমার, নীড় বেঁধেছে বিহঙ্গের দল। বটের মত সারা দেহ মাগো মায়ার জটে আছে ছেয়ে।। ও মা মূল আছে তাই বৈতরণীর কূলে আছি পড়ি নইলে হ'তাম খেয়াঘাটের পারাপারের তরী। তুই খড়গের ভয় দেখাস মিছে মুক্তি আছে এরি পিছে মাগো তোর হাসির বাঁশি শুনতে পাবো অসির আঘাত খেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
