প্রিয়ে! বলি ও প্রিয়ে! তুমি দেখ!

বাণী

		প্রিয়ে ... বলি ও-প্রিয়ে ... তুমি দেখ ...।
		[কাঁপা-কন্ঠে আবৃত্তির ঢঙে বলা হয়েছে]

পুরুষ	:	প্রিয়ে! বলি, ও প্রিয়ে! তুমি দেখ!
		দেখ বিরহের দাবানল জ্বলে গোঁফ-দাড়িতে।
স্ত্রী	:	ও-স’রে যা, সে আগুন লেগে যাবে শাড়িতে॥
পুরুষ	:	একে ভীষণ ফাগুন মাস
স্ত্রী	:	ওগো তাই বুছি হাঁসফাঁস ?
পুরুষ	:	কাপাস ফলের মত ফেটে পড়ে হিয়া গো,
স্ত্রী	:	প্রেম-তুলো বের হয়ে পড়ে ছড়াইয়া গো,
উভয়ে:	রব্ ওঠে ভোঁস্-ভাঁস্ হৃদি-রেলগাড়িতে॥
পুরুষ	:	আজি এ বিরহের কাঠ-ঠোক্রা, ঠোক্রায় প্রেমের টাকে,
স্ত্রী	:	ওগো এ হেন বেয়াধি হলে টাকে, মধ্যম-নারায়ণ তেল মাখে।
পুরুষ	:	হায়-হায়-হায়-হায়-হায়
		আমাদের মাঝে কে রচিবে মিলনের সাঁকো।
স্ত্রী	:	থাক্ থাক্, পুরুতঠাকুর ইঞ্জিনিয়ার
		তারে তাড়াতাড়ি ডাকো, ডাকো, একবার ডাকো না ?
উভয়ে:	আগুন লাগিল ওরে দাড়ি আর শাড়িতে
		যুগল মিলন হ’ল ধেড়ে আর ধাড়িতে॥

পোহাল পোহাল নিশি খোল গো আঁখি

বাণী

পোহাল পোহাল নিশি খোল গো আঁখি।
কুঞ্জ-দুয়ারে তব গাহিছে১ পাখি,
		ওই গাহিছে পাখি॥
ওই বংশী বাজে দূরে
শোন ঘুম ভাঙানো সুরে,
খোল দ্বার লহ বঁধূরে ডাকি॥২

১. ডাকিছে, ২. খুলি’ দ্বার বঁধূরে লহ গো ডাকি’॥

নাটকঃ ‘আলেয়া’ (ভোরের হাওয়ার গান)

ভবনে ভুবনে আজি ছড়িয়ে গেছে রঙ

বাণী

ভবনে ভুবনে আজি ছড়িয়ে গেছে রঙ।
রাঙিল, মাতিল ধরা অভিনব ঢং।।
রাঙা বসন্ত হাসে নন্দন-আনন্দে
চিত্ত-শিখী নাচে মদালস-ছন্দে,
নাচিছে পরানে আজি তরুণ দূরন্ত বাজায়ে মৃদঙ।।
কামোদে নটে আমোদে ওঠে গান,
মাতিয়া ওঠে প্রাণ।
উতল যমুনা-জল-তরঙ্গ,
অঙ্গে অপাঙ্গে আজি খেলিছে অনঙ্গ,
পরানে বাজে সারং সুর কাফির সঙ্গ।।

কুল্ মখলুক গাহে হজরত

বাণী

কুল্ মখলুক গাহে হজরত বালাগাল উলা বেকামালিহি।
আঁধার ধরায় এলে আফতাব কাশাফাদ্দুজা বেজামালিহি।।
	রৌশনীতে আজো ধরা মশ্‌গুল
	তাই তো ওফাতে করি না কবুল,
হাসনাতে আজো উজালা জাহান সাল্লু আলায়হি ওয়া আলিহি।।
	নাস্তিরে করি’ নিতি নাজেহাল্
	জাগে তৌহীদ দ্বীন্-ই-কামাল,
খুশ্‌বুতে খুশি দুনিয়া বেহেশ্‌ত সাল্লু আলায়হি ওয়া আলিহি।।

ফুল চাই চাই ফুল টগর চম্পা চামেলি

বাণী

ফুল চাই — চাই ফুল — টগর চম্পা চামেলি
ফিরি ফুলওয়ালী নিয়ে ফুল ডালি —
	মল্লিকা মালতী যুঁই বেলি।।
যার প্রাণে বিরহ জ্বালা
লহ এ অশোক মাধবী মালা,
এ হাস্নুহানা নেবে যে বালা —
	কাটিবে জীবন তার হাসি খেলি।।
মোর এই বকুল মালা পরে যে আদর ক’রে
বঁধু তার ব্যাকুল হয়ে ফিরিয়া আসে ঘরে।
আমার এই পলাশ জবা রঙন ও কৃষ্ণচূড়া
বিনোদ বেণীতে খোঁপায় পরে নববধূরা,
শুনি মোর ফুলের বাণী সন্ধ্যারানী পরে গোধূলি রাঙা চেলি।।

একেলা ঢুলিয়া ঢুলিয়া কে যায়

বাণী

একেলা ঢুলিয়া ঢুলিয়া কে যায়।
চলিতে চরণ চরণে জড়ায়।।
এখনো ভাঙেনি মল্লিকার ঘুম
এখনো অমলিন-কবরী কুসুম,
নয়নে নিশির ঝরেনি শিশির
বিহগ পাখায় বিহগী ঘুমায়।।
অভিসার নিশি বৃথাই জাগি কোথা
অভিমানিনী চলে মূর্তিমতী ব্যথা।
ভীরু চকিত চোখে করুণ কাতরতা
রবি না ওঠে যেন মিনতি জানায়।।