বাণী
ওঁ শঙ্কর হর হর শিব সুন্দর। কোটি ভাস্কর জ্যোতি শূলপাণি নটবর।। রজত গিরিনিভ কান্তি মনোহর। জটা ভূষণ ত্রিনয়ন শশীশেখর।। বাঘাম্বর যোগীন্দ্র ডমরুধর। প্রসীদ আশুতোষ রুদ্র মহেশ্বর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ওঁ শঙ্কর হর হর শিব সুন্দর। কোটি ভাস্কর জ্যোতি শূলপাণি নটবর।। রজত গিরিনিভ কান্তি মনোহর। জটা ভূষণ ত্রিনয়ন শশীশেখর।। বাঘাম্বর যোগীন্দ্র ডমরুধর। প্রসীদ আশুতোষ রুদ্র মহেশ্বর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
ঐ কাজল-কালো চোখ। আদি কবির আদি রসের যেন দু’টি শ্লোক।। দু’টি কুসুম আছে ফু’টে পুষ্প-লতার পত্র-পুটে, সেই আলোকে১ রেঙে উঠে — বনের গহন লোক।। রূপের সাগর সাঁত্রে বেড়ায় পান কৌড়ি পাখি ঐ কাজল-কালো আঁখি, মদির আঁখির নীল পেয়ালায় শরাব বিলাও নাকি, ওগো কাজল-কালো আঁখি। তোমার দু’টি আঁখি-তারা তারার মত তন্দ্রাহারা, আমার মুখে চেয়ে চেয়ে অশ্রু-সজল হোক।।
১. হাসিতে
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
এলো রমজানেরি চাঁদ এবার দুনিয়াদারি ভোল সারা বরষ ছিলি গাফেল এবার আঁখি খোল।। এই একমাস রোজা রেখে পরহেজ থাক গুনাহ থেকে কিয়ামতের নিয়ামত তোর ঝুলি ভরে তোল।। বন্দী রহে এই মাসে শয়তান মালাউন (তার) এই মাসে যা করবি সওয়াব দর্জা হাজার গুণ। ভোগ বিলাসে মাখলি যে পাঁক রমজানে তা হবে রে সাফ এফতারে তোর কর রে সামান আল্লা রসুল বোল।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কোন রস-যমুনার কূলে বেণু-কুঞ্জে হে কিশোর বেণুকা বাজাও। মোর অনুরাগ যায় সেথা, তনু যেতে নারে, তুমি সেই ব্রজের পথ দেখাও।। মোর অন্ধ আঁখি কাঁদে চাঁদের তৃষায় তব পানে হাত তুলে রাত কেটে যায়, বঁধু, এই ভিখারিনী সেই মাধুকরী চায় – মধুবনে, গোপীগণে যে মধু দাও।। প্রেমহীন-নীরস জীবন ল’য়ে পথে পথে ফিরি বৈরাগিনী হয়ে, বুঝি আমি চাই তব প্রেম নাহি পাই – কৃপা কর প্রেমময়, তুমি মোরে চাও।।
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

হে মদিনার নাইয়া! ভব-নদীর তুফান ভারি কর মোরে পার তোমার দয়ায় ত’রে গেল লাখো গুনাহ্গার॥ পারের কড়ি নাই হে আমার হয়নি নামাজ রোজা কূলে এসে বসে আছি নিয়ে পাপের বোঝা (আমায়) ‘পার কর ইয়া রসুল’ বলে কাঁদি জারে জার॥ তোমার নাম গেয়েছি শুধু কেঁদে সুব্হ শাম তরিবার মোর নাই ত’ পুঁজি বিনা তোমার নাম। হাজরো বার দরিয়াতে ডুবে যদি মরি ছাড়ব না মোর পারের আশা তোমার চরণ-তরী সবার শেষে পার যেন হয় এই খিদ্মতগার॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

যে পাষাণ হানি বারে বারে তুমি আঘাত করেছ, স্বামী, সে পাষাণ দিয়ে তোমার পূজায় এ মিনতি রাখি আমি।। যে আগুন দিলে দহিতে আমারে হে নাথ, নিভিতে দিইনি তাহারে; আরতি প্রদীপ হয়ে তারি বিভা বুকে জ্বলে দিবা-যামী।। তুমি যাহা দাও প্রিয়তম মোর তাহা কি ফেলিতে পারি, তাই নিয়ে তব অভিষেক করি নয়নে দিলে যে বারি। ভুলিয়াও মনে কর না যাহারে, হে নাথ, বেদনা দাও না তাহারে, ভুলিতে পারো না মোরে, ব্যথা দেওয়া ছলে, তাই নিচে আসো নামি'।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
