বাণী
জবা কুসুম-সঙ্কাশ ঐ উদার অরুণোদয়। অপগত তমোভয় জয় হে জ্যোতির্ময়।। জননীর সম স্নেহ-সজল, নীল গাঢ় গগন-তল সুপেয় বারি প্রসুন ফল — তব দান অক্ষয়, অপহৃত সংশয় জয় হে জ্যোতির্ময়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বিভাস মিশ্র
তালঃ একতাল
জবা কুসুম-সঙ্কাশ ঐ উদার অরুণোদয়। অপগত তমোভয় জয় হে জ্যোতির্ময়।। জননীর সম স্নেহ-সজল, নীল গাঢ় গগন-তল সুপেয় বারি প্রসুন ফল — তব দান অক্ষয়, অপহৃত সংশয় জয় হে জ্যোতির্ময়।।
রাগঃ বিভাস মিশ্র
তালঃ একতাল
আঁখি-বারি আঁখিতে থাক, থাক ব্যথা হৃদয়ে। হারানো মোর বুকের প্রিয়া রইবে চোখে জল হয়ে।। নিশি-শেষে স্বপন-প্রায় নিলে তুমি চির-বিদায়, ব্যথাও যদি না থাকে হায়, বাঁচিব গো কি ল’য়ে।। ভালোবাসার অপরাধে প্রেমিক জনম জনম কাঁদে, কুসুমে কীট বাসা বাঁধে শত বাধা প্রণয়ে।। আজকে শুধু করুণ গীতে কাঁদিতে দাও দাও কাঁদিতে, আমার কাঁদন-নদীর স্রোতে বিরহের বাঁধ যাক ক্ষয়ে।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

দ্বৈত : আবার শ্রাবণ এলো ফিরে তেমনি ময়ুর ডাকে, দোলনা কেন বাঁধলে না গো এবার কদম-শাখে।। স্ত্রী : সঙ্গে ল'য়ে গোপ-গোপীরে পুরুষ : ব্রজের কিশোর যাবে ফিরে দ্বৈত : লীলা-কিশোর শ্যাম যে লীলা-সাথীর সাথে থাকে।। দ্বৈত : দোলনা বেঁধে রইবো চেয়ে আমরা মেঘের পানে আয় ওরে আয়, নির্জন বনকে জাগাই সেই কাজরি গানে গানে। স্ত্রী : বৃষ্টি ধারায় টাপুর টুপুর পুরুষ : শুনব তাহার পায়ের নূপুর দ্বৈত : বিজলিতে তার চপল চাওয়া দেখব মেঘের ফাঁকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

জননী মোর জন্মভূমি, তোমার পায়ে নোয়াই মাথা। স্বর্গাদপি গরীয়সী স্বদেশ আমার ভারত-মাতা।। তোমার স্নেহ যায় ব’য়ে মা শত ধারায় নদীর স্রোতে ঘরে ঘরে সোনার ফসল ছড়িয়ে পড়ে আঁচল হ’তে, স্নিগ্ধ-ছায়া মাটির বুকে তোমার শীতল পাঁটী পাতা।। স্বর্গের ঐশ্বর্য লুটায় তোমার ধূলি-মাখা পথে তোমার ঘরে নাই যাহা মা, নাইক তাহা ভূ-ভারতে, ঊর্ধ্বে আকাশ নিম্নে সাগর গাহে তোমার বিজয়-গাথা।। আদি জগদ্ধাত্রী তুমি জগতেরে প্রথম প্রাতে শিক্ষা দিলে দীক্ষা দিলে, করলে মানুষ আপন হাতে, তোমার কোলের লোভে মা গো রূপ ধ’রে আসেন বিধাতা।। ছেলের মুখের অন্ন কেড়ে খাওয়ালি মা যাদের ডেকে তারাই দিল তোর ললাটে চির-দাসীর তিলক এঁকে, দেখে শুনে হয় মা মনে, নেইক বিচার, নেই বিধাতা।।
রাগঃ
তালঃ একতাল

আজও মা তোর পাইনি প্রসাদ আজও মুক্ত নহি। আজও অন্যে আঘাত দিলে কঠোর ভাষা কহি।।১ মোর আচরণ, আমার কথা আজও অন্যে দেয় মা ব্যথা আজও আমার দাহন দিয়ে শত জনে দহি।। শত্রুমিত্র মন্দভালোর যায়নি আজও ভেদ কেহ ব্যথা দিলে, প্রাণে আজও জাগে খেদ। আজও মাগো দুঃখে শোকে অশ্রু ঝরে আমার চোখে, আমার আমার ভাব ওগো মা আজও জাগে রহি’ রহি’।।
১. আজও অন্যে কষ্ট দিলে / কষ্ট ভাষা কহি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

চরণ ফেলি গো মরণ-ছন্দে মথিয়া চলি গো প্রাণ। মর্তের মাটি মহিমান করি স্বর্গেরে করি ম্লান।। চিতার বিভূতি মাখিয়া গায় লজ্জা হানি গো অন্নদায়, বাঁধিয়াছি বিদ্যুল্লাতায় — দেবরাজ হতমান। পাতাল ফুঁড়িয়া করি গো মাতাল রসাতল-অভিযান।।
নাটিকা : ‘সেতু-বন্ধ’
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ আড় খেম্টা