ব্যনমে শুন স্যখিরি পিয়া পিয়া বোলে

বাণী

ব্যনমে শুন স্যখিরি পিয়া পিয়া বোলে বাঁশুরিয়া।
সখি ক্যওন উও বন্‌শী ব্যজায় ঘ্যরমে ন্য র‍্যহন্‌ যায়,
মন্‌ ভ্যয়ে উদাস্‌ সখি ন্যহি মানে জিয়া রি।।
নিরালা ঢং বাজে মৃদঙ্গ ম্যওর পাপিহা বোলে রি
চ্যরণন্‌ মে ছ্যন্দ জাগে ত্যন্‌ মন্‌ প্রাণ ডোলে রি
প্রেম্‌সে ম্যতওয়ালী ভ্যয়ি চাঁদ কি আঁখিয়া রি।।
স্যখি প্যহনো নীল শাড়ি চূড়া বাঁধো ম্যনহারি
যাঁহা ব্যন্‌চারী চ্যলো ক্যরকে সিঙ্গার
চ্যরণন্‌ মে গুজরী গ্যালেমে চম্পা হার —
নাচুঙ্গী আজ ওয়াকে সাথ্‌ গাউঙ্গি র‍্যসিয়ারি।।

সন্ধ্যা নেমেছে আমার বিজন ঘরে

বাণী

সন্ধ্যা নেমেছে আমার বিজন ঘরে, তব গৃহে জ্বলে বাতি।
ফুরায় তোমারি উৎসব নিশি সুখে, পোহায় না মোর রাতি।।
	আমার আশার ঝরা ফুলদল দিয়া,
	তোমার বাসর শয্যা রচিছ প্রিয়া
তোমার ভবনে আলোর দীপালি জ্বলে, আঁধার আমার সাথী।
					পোহায় না মোর রাতি।।
ঘুমায়ে পড়েছে আমার কাননে কুহু, নীরব হয়েছে গান;
তোমার কুঞ্জে গানের পাখিরা তুলিয়াছে কলতান।
	পৃথিবীর আলো মোর চোখে নিভে আসে,
	বাজিছে বাঁশরি তোমার মিলন-রাসে;
ওপারের বাঁশি আমায় ডাকিবে কবে, আছি তাই কান পাতি।
					পোহায় না মোর রাতি।।

কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে

বাণী

কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে
কেন সহজ ছন্দে যতি ভাঙালে।।
শীর্ণা তনুর মোর তটিনীতে কেন
আনিলে ফেনিল জল-উচ্ছ্বাস হেন,
পাতাল-তলের ক্ষুধা মাতাল এ যৌবন —
		মদির-পরশে কেন জাগালে।।

নাটক : ‘আলেয়া’ (মাদালসার গান)

জগতের নাথ কর পার হে

বাণী

জগতের নাথ কর পার হে
মায়া-তরঙ্গে টলমল তরণী অকুল ভব পারাবার হে।।
নাহি কাণ্ডারি ভাঙা মোর তরী আশা নাই কুলে উঠিবার
আমি গুণহীন ব'লে করো যদি হেলা শরণ লইব তবে কার।।
সঙসারেরি এই ঘোর পাথারে ছিল যারা প্রিয় সাথি
একে একে তারা ছাড়িয়া গেল হায় ঘনাইল যেই দুখ-রাতি।
	ধ্রুবতারা হয়ে তুমি জ্বালো
	অসীম আঁধারে প্রভু আশারই আলো
তোমার করুণা বিনা হে দীনবন্ধু, পারের আশা নাহি আর।।

ও ভাই কোলা-ব্যাঙ

বাণী

ও ভাই কোলা-ব্যাঙ, ও ভাই কোলাব্যাঙ।
সর্দি তোমার হয় না বুঝি, ও ভাই কোলাব্যাঙ,
সারাটি দিন জল ঘেঁটে যাও, ছড়িয়ে দুটি ঠ্যাঙ।।
	লক্ষ্মী মেয়ে মা তোর বুঝি
	খেল্‌লে বেড়ায় নাকো খুঁজি’,
কেউ বকে না, মজাসে তাই গাইছো ঘেঙর ঘ্যাঙ।।
	দিবানিশি জল ঘাঁটো তাও
	চোখ ওঠে না, কি ওষুধ খাও?
জলদানোটা আসলে, ফেলে দাও কি মেরে ল্যাঙ।।
	ব্যাঙ দাদা! তোর মায়ের মত
	মা যদি মোর লক্ষ্মী হ’ত,
তোর সাথে ভাই থাকতাম জলে ছ্যাড্যাং ড্যাড্যাং ড্যাং।।

চঞ্চল শ্যামল এলো গগনে

বাণী

চঞ্চল শ্যামল এলো গগনে।
নয়ন-পলকে বিজলি ঝলকে চাঁচর অলক ওড়ে পবনে।।
		রিম্‌ঝিম্‌ বৃষ্টির নূপুর বোলে
		মৃদঙ্গ বাজে গুরু গম্ভীর রোলে;
হেরি’ সেই নৃত্য ধরার চিত্ত ডুবু ডুবু বরিষার প্রেম-প্লাবনে।।
		উদাসী বেণু তার অশান্ত বায়ে
		বাজে রহি’ রহি’ দূর বনছায়ে;
আকাশে অনুরাগে ইন্দ্রধনু জাগে ভাবের বন্যা বহে বৃন্দাবনে।।