ভালোবাসি কলঙ্কী চাঁদ মেঘের পাশে

বাণী

ভালোবাসি কলঙ্কী চাঁদ মেঘের পাশে।
মোর ফুল আরো ভালো লাগে ভ্রমর সে ফুলে যদি আসে।।
	ভালোবাসি নিঝুম রাতি
	যদি রহে সুন্দর সাথী,
সেই সুন্দর সাথী প্রিয়তম হয়, যবে চঞ্চল হয়ে ওঠে প্রণয় পিয়াসে।।

নাটক: দেবী দূর্গা

ভারত আজিও ভোলেনি বিরাট

বাণী

ভারত আজিও ভোলেনি বিরাট মহাভারতের ধ্যান।
দেশ হারায়েছে — হারায়নি তা’র আত্মা ও ভগবান।।
তাহার ক্ষাত্রশক্তি গিয়াছে
প্রেম ও ভক্তি আজও বেঁচে আছে,
আজিও পরম ধৈর্য ও বিশ্বাসে —
তার আশা-দীপ জ্বালিয়া রেখেছে সেই ভাগবত জ্ঞান।।
দেহের জীর্ণ পিঞ্জরে তার প্রাণ কাঁদে নিরাশায়,
‘সম্ভবামি যুগে যুগে’ বাণী ভুলিতে পারে না হায়!
সেই আশ্বাসে আজ নব অনুরাগে
পাষাণ ভারতে বিরাট চেতনা জাগে,
জেগেছে সুপ্ত-সিংহ, এসেছে দিব্য অসি-কৃপাণ।।

তুমি বহু জনমের সাধ মিটালে

বাণী

তুমি বহু জনমের সাধ মিটালে এ বিরহীরে কাঁদাইয়া।
কভু অবহেলা, কভু অনাদর কভু সে আদর দিয়া।।
	ভিক্ষা পেয়েও দাঁড়াইয়া থাকে দ্বারে
	ক্ষমা করো তুমি তারে,
ভিখারির মন নাহি ভরে যদি হাতের ভিক্ষা নিয়া।।
ধনীর প্রাসাদে গেল না ভিখারি তোমার কুটিরে এসে,
ভিক্ষা-পাত্র তুলিয়া ধরিল কেন আঁখি-জলে ভেসে’।
	জানে না কে তারে পথ দেখাইল,
	কোন্ সুন্দর যেন বলে দিল;
আপনারে দিতে সব কিছু নিয়া
	জাগিছে রে তোর (চিরজনমের) প্রিয়া।।

কে এলো ওরে কে এলো

বাণী

কে এলো ওরে কে এলো শুকানো মানস-মাধবী-কুঞ্জে।
জানাইতে মোরে কার আগমনী চরণে নূপুর-মুঞ্জে।।
	তারি সাথে জাগে নব কিশলয়
	ধীরি ধীরি ধীরি বহিল মলয়,
ফোটা ফুলে ফুলে সুখে দুলে দুলে অলিকুল মধুগুঞ্জে।।
	গেছে কত যুগ-যুগান্ত,
	এলো ফিরে ফিরে হৃদয়প্রান্ত।
	পিক সুকণ্ঠে গায় আবাহন
	বন-শোভা-গণ করিছে বরণ,
মিলনের তরে খুঁজিছে পিয়ারে ফুটিল কুসুম কুঞ্জে কুঞ্জে।।

কেন আজ নতুন ক’রে পরান

বাণী

কেন আজ নতুন ক’রে পরান তোমারে পাইতে চায়।
এত কাছে আছো তবু কেন বুকে অসহ বিরহ হায়।।
রূপ-সরসীতে ফুটালে পদ্মিনী বঁধু
দিলে সুরভি রসঘন মধু,
তবু শীর্ণা তনু কেন চায় গোধুলি রাঙা-শাড়ি -
		আল্‌তা পরিতে কেন সাধ যায়।।
বনশ্রী কাঁদে প্রেম কণ্ঠ জড়ায়ে ওলো নিরাভরণা
অথই জলে কাঁদে প্রেম ঘন কমল খোঁপায় কেন পর না,
কেন তব সুরের কপোতী মুক্তামালা চুড়ি কাঁকন পরায়।।

 

এ কুঞ্জে পথ ভুলি কোন বুলবুলি

বাণী

এ কুঞ্জে	পথ ভুলি কোন	বুলবুলি আজ	গাইতে এলে গান।
বসন্ত		গত মোর আজ	পুষ্প-বিহীন		লতিকা-বিতান।।
এলে কি	দলিতে আজ	ধুলি ঢাকা		ফুল-সমাধি মোর,
নাহি আর	চৈতি হাওয়া,	বহে আজি		বৈশাখী তুফান।।
সাজায়ে	ফুলের বাসর	ছিনু তব		পথটি চেয়ে।
সে বাসর	বাসি হল		কেঁদে নিশি		হল অবসান।।
বাজে মোর	তোরণ দ্বারে		খেলা শেষের	বিদায়-বাঁশরি।
ফিরে যাও	শেষ-অতিথি		দাও যেতে দাও	লয়ে অভিমান।।

১. পথ