খেলি আয় পুতুল-খেলা ব’য়ে যায় খেলার বেলা

বাণী

খেলি আয় পুতুল-খেলা ব’য়ে যায় খেলার বেলা সই।
বাবা ঐ যান আপিসে ভাবনা কিসের খোকারা দোলায় ঘুমোয় ঐ।।
দাদা যান ইস্কুলেতে, মা খুড়ি মা রান্না করেন ঐ হেঁসেলে
ঠানদি দাওয়ায় ঝীমায় ব’সে ফোকলা বদন মেলে।
আয় লো ভুলি পঞ্চি টুলি পটলি খেঁদি কই।।

নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’

খোদার হবিব হলেন নাজেল

বাণী

খোদার হবিব হলেন নাজেল খোদার ঘর ঐ কাবার পাশে।
ঝুঁকে’ প’ড়ে আর্শ কুর্‌সি, চাঁদ সূরয তাঁয় দেখতে আসে।।
ভেঙে পড়ে মূরত মন্দির, লা’ত মানাত, শয়তানী তখ্ত,
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’র উঠিছে তক্‌বির আকাশে।।
খুশির মউজ তুফান তোরা দেখে যা মরুভূমে,
কোহ-ই-তূরের পাথরে আজ বেহেশ্‌তী ফুল ফুটে’ হাসে।।
য়্যেতিম-তারণ য়্যেতিম হয়ে এলো রে এই দুনিয়ায়,
য়্যেতিম মানুষ-জাতির ব্যথা নৈলে বুঝ্ত না সে।।
সূর্য ওঠে, ওঠে রে চাঁদ, মনের আঁধার যায় না তায়,
হৃদ-গগন যে কর্‌ল রওশন্, সেই মোহাম্মদ ঐ রে হাসে।
আপন পুণ্যের বদ্লাতে যে মাগিল মুক্তি সবার,
উম্মতি উম্মতি ক’য়ে দেখ্ আঁখি তাঁর জলে ভাসে।।

ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর বাজে ঝনঝন

বাণী

ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর বাজে ঝনঝন
বনানী-কুন্তল এলাইয়া ধরণী
কাঁদিছে পড়ি চরণে শনশন শনশন।।
দোলে ধূলি-গৈরিক পতাকা গগনে,
ঝামর কেশে নাচে ধূর্জটি সঘনে।
হর-তপোভঙ্গের ভুজঙ্গ নয়নে,
সিন্ধুর মঞ্জীর চরণে বাজে রনরন রনরন।।

আল্লাহ থাকেন দূর আরশে

বাণী

আল্লাহ থাকেন দূর আরশে, নবীজী রয় প্রাণের কাছে।
প্রাণের কাছে রয় যে প্রিয়, সেই নবীরে পরান যাচে।।
	পয়গম্বরও পায় না খোদায়
	মোর নবীরে সকলে পায়,
নবীজী মোর তাবিজ হ’য়ে আমার বুকে জড়িয়ে আছে।।
খোদার নামে সেজ্‌দা করি, নবীরে মোর ভালোবাসি,
খোদা যেন নূরের সূরয, নবী যেন চাঁদের হাসি।
	নবীরে মোর কাছে পেতে
	হয় না পাহাড়-বনে যেতে,
বৃথা ফকির-দরবেশ মরে পু’ড়ে খোদার আগুন-আঁচে।।

শ্রান্ত-ধারা বালুতটে শীর্ণা-নদীর গান

বাণী

শ্রান্ত-ধারা বালুতটে শীর্ণা-নদীর গান
সেই সুরে গো বাজবে আমার করুণ বাঁশির তান॥
সাথী-হারা একেলা পাখি, যে-সুরে যায় বনে ডাকি’
সেই সুরেরি কাঁদন মাখি’ বিধুর আমার প্রাণ॥
দিন শেষের ম্লান আলোতে ঘনায় যে বিষাদ
আমার গানে জড়িয়ে আসে তারই অবসাদ।
ঝরা-পাতার মরমরে, বাদল-রাতে ঝরঝরে
বাজে আমার গানের সুরে গোপন অভিমান॥

আমার দুখের বন্ধু তোমার কাছে

বাণী

আমার	দুখের বন্ধু, তোমার কাছে চাইনি ত’ এ সুখ।
আমি	জানিনি ত বুকে পেয়েও কাঁদবে এ মন বুক।।
		আমার শাখায় যবে ফোটেনি ফুল
		আমি চেয়েছি পথ আশায় আকুল,
আজ	ফোটা ফুলে কাঁদে কেন কুসুম ঝরার দুখ।।
প্রিয়	মিলন-আশায় ছিনু সুখে ছিলে যবে দূর,
আজ	কাছে পেয়ে পরান কাঁদে বিদায়-ভয়াতুর।
		এ যে অমৃতে গরল মিশা
		প্রাণে কেবলি বাড়িছে তৃষা,
আমার	স্বর্গে কেন মলিন ধরার বেদন জাগরূক।।