তব ফুলহার নহে মোর

বাণী

তব ফুলহার নহে মোর নহে।
ভুলায়ো না আর মালার মোহে।।
মালার সাথে যদি না মেলে হৃদয়
হানে আরো জ্বালা, মালা সে নয়,
	আরো কাঁদায় বিরহে।।

পরদেশি বঁধুয়া এলে কি এতদিনে

বাণী

পরদেশি বঁধুয়া, এলে কি এতদিনে
আসিলে এতদিন কেমনে পথ চিনে।।
তোমারে খুঁজিয়া কত রবি-শশী
অন্ধ হইল প্রিয় নিভিল তিমিরে
তব আশে আকাশ-তারা দ্বীপ জ্বালি'
জাগিয়াছে নিশি ঝুরিয়া শিশিরে।
শুকায়েছে স্বরগ দেবতা তোমা বিনে।।
কত জনম ধরি' ছিলে বল পাসরি'
এতদিনে বাঁশরি বাজিল কি বিপিনে।।

আহার দেবেন তিনি রে মন

বাণী

		আহার দেবেন তিনি রে মন জিভ দিয়াছেন যিনি।
		তোরে সৃষ্টি ক'রে তোর কাছে যে আছেন তিনি ঋণী।।
		সারা জীবন চেষ্টা ক'রে,ভিক্ষা-মুষ্টি আনলি ঘরে
(ও মন)	তাঁর কাছে তুই হাত পেতে দেখ কি দান দেন তিনি।।
		না চাইতে ক্ষেতের ফসল পায় বৃষ্টির জল
		তুই যে পেলি পুত্র-কন্যা তোরে কে দিল তা বল।
		যাঁর করুণায় এত পেলি,তাঁরেই কেবল ভুলে গেলি
(তোর)	ভাবনার ভার দিয়ে তাঁকে ডাক রে নিশিদিন-ই।।

যাহা কিছু মম আছে প্রিয়তম

বাণী

যাহা কিছু মম আছে প্রিয়তম সকলি নিয়ো হে স্বামী
যত সাধ আশা প্রীতি ভালোবাসা সঁপিনু চরণে আমি॥
	ধ’রে যা’রে রাখি আমার বলিয়া
	সহসা কাঁদায়ে যায় সে চলিয়া
অনিমেষ, আঁখি তুমি ধ্রুবতারা জাগো দিবসযামী॥
	মায়ারি ছলনায় পুতুল খেলায়
	ভুলাইয়া প্রভু রেখেছিলে আমায়
ভুলেছি সে খেলা আজি অবেলায় তোমারই দুয়ারে থামি॥

তুমি ফুল আমি সুতো গাঁথিব মালা

বাণী

পুরুষ	:	তুমি ফুল আমি সুতো গাঁথিব মালা
স্ত্রী	:	সহিতে হবে মোরে সুচির জ্বালা॥
পুরুষ	:	দুলিবে গলে মোর বুকের’ পরে
স্ত্রী	:	ফেলে দিবে বাসি হলে নিশি-ভোরে
		বন-কুসুম ঝরি বনে নিরালা॥
পুরুষ	:	তব কুঞ্জ-গলি আসে দখিন-হাওয়া আসে চপল অলি
স্ত্রী	:	তা’রা রূপ-পিয়াসি তা’রা ছিঁড়ে না কলি।
		তা’রা বনের বাহিরে মোরে নেবে না কালা।
পুরুষ	:	তবে চলিয়া যাই আমি নিরাশা ল’য়ে
স্ত্রী	:	না, না, যেয়ো না যেয়ো না, থাক গো বুকে শিশির হয়ে।
পুরুষ	:	এসো নব প্রেমে করি বন উজালা।
দ্বৈত	:	এসো নব প্রেমে করি বন উজালা।

বনে বনে দোলা লাগে

বাণী

বনে বনে দোলা লাগে।
মনে মনে দোলা লাগে
	দখিনা-সমীর জাগে।।
একি এ বেদনা লয়ে
ফুটিল কুসুম হৃদয়ে
আবেশে পুলকে ভয়ে
	না-জানা পরশ মাগে।।
কিশোর হৃদয় পুটে
অশোক রঙিন ফোটে
কপোল রাঙিয়া ওঠে
	অতনুর অনুরাগে।।