খোদায় পাইয়া বিশ্ব বিজয়ী ছিল একদিন যারা

বাণী

খোদায় পাইয়া বিশ্ব বিজয়ী ছিল একদিন যারা
খোদায় ভুলিয়া ভীত পরাজিত আজ দুনিয়ায় তারা।।
	খোদার নামের আশ্রয় ছেড়ে
	ভিখারির বেশে দেশে দেশে ফেরে
ভোগ বিলাসের মোহে ভুলে, হায় নিল বন্ধন কারা।।
খোদার সঙ্গে যুক্ত সদাই ছিল যাহাদের মন
দুঃখ রোগে শোকে অটল যাহারা রহিত সর্বক্ষণ।
	এসে শয়তান ভোগ বিলাসের
	কাড়িয়া লয়েছে ঈমান তাদের
খোদায় হারায়ে মুসলিম আজ হয়েছে সর্বহারা।।

হে মদিনাবাসী প্রেমিক ধর

বাণী

হে মদিনাবাসী প্রেমিক ধর হাত মম।।
জ্বলওয়া দেখালে দিল হরিলে বন্ধু হলো বেগানা
হেসে হেসে সংসার কহে দীওয়ানা এ দীওয়ানা।।
বিরহের এ রাত একেলা কেঁদে হলো ভোর
হৃদয়ে মোর শান্তি নাহি কাঁদে পরান মোর।।
দুখের দোসর কেউ নাহি মোর নাই ব্যথী ব্যথার
তোমায় ভুলে ভাসি অকূলে পার করো সরকার।।

ঠাকুর তেমনি আমি বাঘা তেঁতুল

বাণী

ঠাকুর! তেমনি আমি বাঘা তেঁতুল (তুমি) যেমন বুনো ওল।
তোমার কুলের কথা (গোকুলের কথা) রটিয়ে দোবো
বাজিয়ে ঢাক ঢোল, বাজিয়ে শ্রীখোল।।
কেঁদে হেঁই হেঁই যে করে, তার তরে তোমার প্রেম নেই,
তুমি আয়ান ঘোষকে দেখা দিলে দেখলে লাঠি যেই।
সেদিনও নদীয়াতে কল্‌সি কানার এক ঘায়েতে
পাপ নিয়ে জগাই মাধাই-এ দিলে তুমি কোল, বাজিয়ে শ্রীখোল।।
ঐ অগ্রদ্বীপে ভোগ দিল না গোবিন্দ ঘোষ,
তারে বাবা ব’লে করলে আপোষ;
বাগবাজারে ধমক খেয়ে
সাজ্‌লে তামাক মদ্‌না হয়ে
বদ্‌লে ফেলে ভোল, ঠাকুর বাজিয়ে শ্রীখোল।।
ভালো চাও ত’ শুনিয়ো নূপুর, রাত্রি দুপুর কালে,
মন্দিরে মোর নেই অধিকার এসো ঘরের চালে –
আমার ভাঙা কুঁড়ের চালে।
জান আমি ভীষণ গোঁয়ার, ধার ধারি না ভক্তি ধোঁয়ার
ধরব যেদিন বুঝবে ইয়ে,
চাঁচর কেশ মুড়িয়ে ঢাল্‌ব মাথায় ঘোল।।

ঘুম টুটেছে ফুল-কলিদের

বাণী

ঘুম টুটেছে ফুল-কলিদের রঙ লেগেছে ফুলবনে।
দখিনা বাতাস আভাসে জানায় আগমনী তার মোর মনে।।
	মন উচাটন, মনে রয় না রয় না
	তার বিনা, কথা আর, কয় না কয় না,
নয়নে ঘুম আর সয় না সয় না — শুধাই তা’র কথা জনে জনে।।
রাঙা রঙের ছোঁয়া লাগে লাজ-রাঙা মোর মনে।
নিশীথ-রাতে পলাশ-বনে মিল্‌ব কি বঁধুর সনে।।

ভবনে আসিল অতিথি সুদূর

বাণী

ভবনে আসিল অতিথি সুদূর।
সহসা উঠিল বাজি রুমু রুমু ঝুম
	নীরব অঙ্গনে চঞ্চল নূপুর।।
মুহু-মুহু বন-কুহু বোলে
দোয়েল ধ্যান ভুলি চমকি আঁখি খোলে
	কে গো কে বলে বন-ময়ূর।।
দগ্ধ হিয়ার জ্বালা জুড়ায়ে
সজল মেঘের শীতল চন্দন কে দিল বুলায়ে?
বকুল কেয়া বীথি হ'তে
ছুটে এলো সমীরণ চঞ্চল স্রোতে
চাঁদিনী নিশীথের আবেশ আনে
	মিলন তন্দ্রাতুর অলস-দুপুর।।

আজি নন্দলাল মুখচন্দ নেহারি

বাণী

আজি নন্দলাল মুখচন্দ নেহারি
অধীর আনন্দে অন্তর কাঁপে ঝরে প্রেমবারি॥
বকুল-বন হরষে ফলদল বরষে
গাহে রাধা শ্যাম নাম হরি-চরণ হেরি শুকসারি॥