বাণী
কাল কাল ক’রে গেল কতকাল কালের নাহিক শেষ। কাল যাই যথা বন্ধু রে ল’য়ে যাব আমি সেই দেশ।।
নাটক : ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কাল কাল ক’রে গেল কতকাল কালের নাহিক শেষ। কাল যাই যথা বন্ধু রে ল’য়ে যাব আমি সেই দেশ।।
নাটক : ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’
রাগঃ
তালঃ
আর লুকাবি কোথা মা কালী বিশ্ব-ভুবন আঁধার ক’রে তোর রূপে মা সব ডুবালি।। সুখের গৃহ শ্মশান ক’রে বেড়াস্ মা তায় আগুন জ্বালি’ দুঃখ দেবার রূপে মা তোর ভুবন-ভরা রূপ দেখালি।। পূজা ক’রে, পাইনি তোরে মা গো এবার চোখের জলে এলি বুকের ব্যথায় আসন পাতা ব’স্ মা সেথা দুখ্-দুলালী।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ একতাল
১.

২.

নবীন বসন্ত যে যায় যায় যায় রে। ফুলদল অবিরল, ঝ’রে পড়ে পায়, তার ঝ’রে পড়ে পায় রে।। আছে এখনো বেলা এখনো আছে ফুলের মেলা আয় নেচে গেয়ে খেলিয়া যাই ভুলের খেলা, আপন প্রেমে আপনি যে জন করিল হেলা। সেই উদাসী পানে ধায় কেন মন — হায়, কেন প্রাণ তারে চায় চ’লে যায় যায় রে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগঃ
তালঃ
দুপুর বেলাতে একলা পথে, ও কে হেলিয়া দুলিয়া চলিয়া যায়। ক্ষ্যাপা হাওয়াতে উড়িছে আঁচলা, খোঁপা খুলিয়া খুলিয়া খুলিয়া যায়।। ছল ক’রে জল যায় সে আনিতে দেখিয়া গুরুজন ঘোমটা দিতে, ও সে ভুলিয়া ভুলিয়া ভুলিয়া ভুলিয়া যায়।। কাহার গলার মালার তরে আপন মনে আঁচল ভ’রে, ফুল তুলিয়া তুলিয়া তুলিয়া তুলিয়া যায়।। কার বিরহে পরান দহে কিসের নেশায় মদির মোহে, ও সে ঢুলিয়া ঢুলিয়া ঢুলিয়া ঢুলিয়া যায়।।
রাগঃ দেশ
তালঃ দাদ্রা

স্বপনে আজ মোহাম্মদ দেখা দিয়েছে। কোরানের মালা দিয়ে পরান নিয়েছে- গো আমার পরান নিয়েছে ৷ গায়ে তাঁর নূরের চাদর দীনের ঘোম্টা মুখের উপর, রূপে তাঁর সারা ভুবন উজল হয়েছে ৷৷ নিজের পায়ে আঁধার-পথে জ্বেলে দিয়ে আমার হৃদে, রূপ দেখায়ে মন ভুলায়ে পাগল করেছে। তাঁরই নামের তস্বি হয়ে’ নাইবা বনে থাকবো গিয়ে, পেয়েছেন পথের দেখা ব'লে দিয়েছে।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তোমার আকাশে উঠেছিনু চাঁদ, ডুবিয়া যাই এখন। দিনের আলোকে ভুলিও তোমার রাতের দুঃস্বপন।। তুমি সুখে থাক আমি চলে যাই, তোমারে চাহিয়া ব্যথা যেন পাই, জনমে জনমে এই শুধু চাই — না-ই যদি পাই মন।। ভয় নাই রাণী রেখে গেনু শুধু চোখের জলের লেখা, জলের লিখন শুকাবে প্রভাতে, আমি চলে যাব একা! ঊর্ধ্বে তোমার প্রহরী দেবতা, মধ্যে দাঁড়ায়ে তুমি ব্যথাহতা, — পায়ের তলার দৈত্যের কথা ভুলিতে কতক্ষণ।।
রাগঃ টোড়ি
তালঃ বৈতালিক
