আজকে হোরি ও নাগরী

বাণী

[শোন গিন্নী শুন্‌ছ —]
আজকে হোরি ও নাগরী, ওগো গিন্নী ও ললিতে।
ফাগের রাঙা জল ভ’রে দাও, ফর্‌সি হুঁকোর পিচ্‌কিরিতে॥
গাজর বিট আর লাল বেগুনে, রাঁধবে শালগম তেলে নুনে,
রাঙা দেখে লঙ্কা দিও, লাল নটে আর ফুলকারিতে॥
গাইব গান দোল পূর্ণিমাতে, মালোয়ারী জ্বর আসলে রাতে,
তুমি দোহার ধ’রবে সাথে, গিঁটে বাতের গিঁটকিরিতে॥
(আর) আমি লাল গামছা প’রে যাবো, লাল বাজারে পায়চারিতে,
তুমি যাবে চিড়িয়াখানায়, এই মুখেতে গন্ডার মারিতে॥
(না হয়) তুমি যাও বাপের বাড়ি, পাছুপাছু যাবো আমি ওগো শ্বশুর বাড়িতে
পাছু পাছু যাবো তোমার, না হয় শ্বশুর বাড়িতে॥

হে মোহাম্মদ এসো এসো

বাণী

হে মোহাম্মদ এসো এসো আমার প্রাণে আমার মনে।
এসো সুখে এসো দুখে আমার বুকে মোর নয়নে।।
আমার দিনের সকল কাজে
যেন তোমার স্মৃতি বাজে,
এসো আমার ঘুমের মাঝে —
	এসো আমার জাগরণে।।
কোরান দিলে, দিলে ঈমান, বেহেশ্‌তের দিশা দিলে,
পাপে তাপে মগ্ন আমায় খোদার রাহে ডেকে নিলে।
	তোমায় আমি ভুলব কিসে
	আছ আমার রুহে মিশে,
আমি তোমার প্রেমের পাগল রেখো আমায় ঐ চরণে।।

ভেঙো না ভেঙো না বঁধু তরুণ চামেলি

বাণী

ভেঙো না ভেঙো না বঁধু তরুণ চামেলি-শাখা।
ফুলের নজ্‌রানা এর আজিও পাতায় ঢাকা।।
	কুঞ্জ-দ্বারে থাকি’ থাকি’
	বৃথা এত ডাকাডাকি,
আজিও এ বনের পাখি ঘুমায় হের গুটিয়ে পাখা।।
	অসময়ে হে রসময়
	ভাঙিয়ো না লতার হৃদয়,
তনুতে এলে অনুরাগ হেরিবে না ফাঁকা ফাঁকা।।
	আসছে-ফাগুন মাসে
	আসিও ইহার পাশে,
আজ যে-লতা কয় না কথা, সেদিন তা'য় যাবে না রাখা।।

নামাজ রোজা হজ্জ-যাকাতের পসারিণী আমি

বাণী

নামাজ রোজা হজ্জ-যাকাতের পসারিণী আমি
নবীর কল্‌মা হেঁকে ফিরি পথে দিবস-যামী।।
আমার নবীজির পিয়ারি আয়রে ছুটে মুসলিম নারী,
দ্বীনের সওদা করবি কে আয় আয় রে মুক্তিকামী।।
জন্ম আমার হাজার বছর আগে আরব দেশে
সারা ভুবন ঠাঁই দিয়েছে আমায় ভালোবেসে।
আমার আজান ধ্বনি বাজে — কুল মোমিনের বুকের মাঝে
আমি নবীর মানস কন্যা আল্লাহ্‌ মোর স্বামী।।

তোমার কবরে প্রিয় মোর তরে

বাণী

তোমার কবরে প্রিয় মোর তরে একটু রাখিও ঠাঁই।
মরণে যেন সে পরশ পাই গো জীবনে যা পাই নাই।।
	তোমারে চাহিয়া ওগো প্রিয়তম
	কাঁদিয়া আমার কাটিল জনম,
কেঁদেছি বিরহে এবার যেন গো মিলনে কাঁদিতে পাই।।
ঐ কবরের বাসর ঘরে গো তোমার বুকের কাছে
কাঁদিবে লায়লী, মজনু তোমার য’দিন ধরণী আছে।
	যে যাহারে চায় কেন নাহি পায়,
	কেন হেথা প্রেম-ফুল ঝ’রে যায় —
প্রেমের বিধাতা থাকে যদি কেউ শুধাইব তারে তাই।।

নাটিকা: ‌‘লায়লী মজনু’

জয় বাণী বিদ্যাদায়িণী

বাণী

জয় বাণী বিদ্যাদায়িণী
জয় বিশ্বলোক-বিহারিণী।।
	সৃজন-আদিম তমঃ অপসারি'
	সহস্রদল কিরণ বিথারি'
আসিলে মা তুমি গগন বিদারি' মানস-মরাল-বাহিনী।।
	ভারতে ভারতী মূক তুমি আজি
	বীণাতে উঠিছে ক্রন্দন বাজি'
ছিন্ন চরণ-শতদলরাজি কহিছে বিষাদ-কাহিনী।।
	ঊর মা আবার কমলাসীনা, (মাগো)
	করে ধর পুনঃ সে রুদ্রবীণা
নব সুর তানে বানী দীনাহীনা জাগাও অমৃতভাষিণী
			মা জাগাও অমৃতভাষিণী।।