চীন আরব হিন্দুস্থান নিখিল ধরাধাম

বাণী

চীন আরব হিন্দুস্থান নিখিল ধরাধাম।
জানে আমায় চেনে আমায় মুসলিম আমার নাম।।
অন্ধকারে আজান দিয়ে ভাঙনু ঘুমঘোর,
আলোর অভিযান এনেছি রাত করেছি ভোর;
এক সমান করেছি ভেঙে উচ্চ নীচ তামাম।।
চেনে মোরে সাহারা গোবি দুর্গম পর্বত,
মন্থন করেছে সাগর, আমার সিন্ধু রথ;
বয়েছি আফ্রিকা ইউরোপ আমারই তাঞ্জাম।।
পাক মুলুকে বসিয়েছি খোদার মসজিদ,
জগৎ সাক্ষী পাপীদেরকে পিইয়েছি তৌহীদ্‌;
বিরান বনে রচেছি রে হাজার নগর গ্রাম।।

ঝাঁকড়া-চুলো তালগাছ তুই দাঁড়িয়ে কেন

বাণী

ঝাঁকড়া-চুলো তালগাছ তুই দাঁড়িয়ে কেন ভাই।
আমার মত পড়া কি তোর মুখস্থ হয় নাই।।
	আমার মত একপায়ে ভাই
	দাঁড়িয়ে আছিস্‌ কান ধ’রে ঠায়,
একটুখানি ঘুমোয় না তোর পণ্ডিত মশাই।।
	মাথায় তুলে পাত্‌তাড়ি তোর
	কি ছাই বকিস্‌ বকর বকর,
আম্‌তা আম্‌তা করে নাম্‌তা পড়িস্‌ কি সদাই।।
	তালগাছ তোর পাতার কোলে
	বাবুই পাখির বাসা ঝোলে,
কোচড়-ভরা মুড়ি যেন, দেনা দুটি খাই।।
	পাখিরা তোর মাথায় এসে
	উড়ে এসে জুড়ে বসে,
ঠুক্‌রে ওরা দেয় কি মাথায় পাতা নাড়িস্‌ তাই।।

ওহে রসিক রসাল কদলী

বাণী

ওহে রসিক রসাল কদলী।
ভাবুকের তুমি ভাবের আধার পেটুকের প্রাণ-পুতলী।।
আহা, তুমি যুগে যুগে বর্তমান
বৃন্দাবনে মোহন বাঁশি বাঙলায় মর্তমান।
বহুরূপী তুমি বহুনামধারী চম্প বীচে কাঁঠালি।।
তোমার কাঁচকলা রূপের উপাসক পেট-রোগা যত ভক্ত,
ঝোলে কি ভাজায় তোমারে সাজায় (তুমি) মজাও পলতা শুক্ত।
নৈবেদ্যে ও আদ্য শ্রাদ্ধে দয়াময়, জগতের যত নর-বানর
তোমার কৃপার কাঙালি।।

কৌতুক নাটিকা : ‘পণ্ডিত মশায়ের ব্যাঘ্র শিকার’

আ’ মেরে সঙ্গ আ

বাণী

আ’ মেরে সঙ্গ আ, মঙ্গল গা হিল্‌মিল্‌কে এয় বনমালী।
আরমা ফের পুরে হো জাঁয়ে সারে দিল্‌কে এয় বনমালী॥
মুঝ্‌কো জাগানেওয়ালা, হো, জগ্‌মে তেরা উজালা
তু মুঝ্‌কো ধূল সমঝ্‌কে, লে লে চরণ মে আপ্‌নে
তুনে দিয়ে জ্বালায়ে বিরাণ মন্‌জিল্‌ কে এয় বনমালী॥
তু হামকো খাক্‌ ছানায়া, (আউর) ব্যাকুল আপনা বানায়া
কহিঁ আউ না কহিঁ জাউ, আপনে আগে তুমকো পাউঁ
খো জায়েঁ যুঁহি মিট্টি মে হাম মিলকে এয় বনমালী॥

আমায় যারা দেয় মা ব্যথা

বাণী

আমায় যারা দেয় মা ব্যথা আমায় যারা আঘাত করে,
	তোরই ইচ্ছায় ইচ্ছাময়ী!
আমায় যারা ভালবাসে বন্ধু ব’লে বক্ষে ধরে, -
	তোরই ইচ্ছায় ইচ্ছাময়ী!!
	আমার আপমান করে যে
	মাগো তোরই ইচ্ছা সে যে
আমায় যারা যায় মা ত্যেজে যারা আমার আসে ঘরে,
	তোরই ইচ্ছায় ইচ্ছাময়ী॥
আমার ক্ষতি করতে পারে অন্য লোকের সাধ্য কি মা;
দুঃখ যা পাই তোরই সে দান, মাগো সবই তোর মহিমা!
	তাই পায়ে কেহ দলে যবে
	হেসে সয়ে যাই নীরবে,
কে কারে দুখ্ দেয় মা কবে তোর আদেশ না পেলে পরে
তোরই ইচ্ছায় ইচ্ছাময়ী!!

গ্রামের শেষের মাঠের পথে

বাণী

গ্রামের শেষের মাঠের পথে গান গেয়ে কে যায়
			একা বাউল আনমনা।
তার সুরে সবুজ ধানের ক্ষেত্রে ঢেউ খেলিয়া যায়
			গায় সাথে চপল-ঝরনা।।
	চলে নূপুর মুখর পায়
	সুর বাজিয়ে একতারায়,
তাথৈ তাথৈ হাততালি দেয় সাথে তালবনা।।
শান্ত নদীর কূলে হঠাৎ জোয়ার উঠে দুলে,
বালুচরে চম্‌কে চখা চাহে নয়ন তুলে’।
	ওঠে রেঙে আকাশ কোল্
	লাগে শাখায় শাখায় দোল্ লাগে দোল্,
মনের মাঝে এঁকে সে যায় সুরের আল্‌পনা।।