বাণী
অন্ধকারে দেখাও আলো কৃষ্ণ নয়ন-তারা। কালো মেঘে অন্ধ-আকাশ পথিক পথ-হারা।। ভক্ত কাঁদে অকূল ভবে, গোকূলে তায় ডাকবে কবে। অশান্ত এ চিত্তে হরি বহাও শান্তি-ধারা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অন্ধকারে দেখাও আলো কৃষ্ণ নয়ন-তারা। কালো মেঘে অন্ধ-আকাশ পথিক পথ-হারা।। ভক্ত কাঁদে অকূল ভবে, গোকূলে তায় ডাকবে কবে। অশান্ত এ চিত্তে হরি বহাও শান্তি-ধারা।।
রাগঃ
তালঃ
ঘুম : আমারে ভাসালে অসীম আকাশে তোমারে ভাসানু জলে। স্বপন : মাটির মানুষ বোঝে না বেদনা, বুঝিত দেবতা হলে।। ঘুম : ওগো সুন্দর তুমি ত জানো না ভালোবাসার কি নিবিড় বেদনা, স্বপন : জান না ত আমি কাঁদি কত তোমারে কাঁদাই ব’লে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
বর্ণচোরা ঠাকুর এলো রসের নদীয়ায় তোরা দেখবি যদি আয় তারে কেউ বলে শ্রীমতি রাধা কেউ বলে সে শ্যামরায়।। কেউ বলে তার সোনার অঙ্গে রাধা-কৃষ্ণ খেলেন রঙ্গে; ওগো কেউ বলে তায় গৌর-হরি কেউ অবতার বলে তায়।। তার ভক্ত তারে ষড়ভুজ শ্রী নারায়ণ বলে, কেউ দেখেছে শ্রীবাসের ঘরে কেউ বা নীলাচলে। দুই হাতে তার ধনুর্বাণ ঠিক যেন শ্রীরাম, দুই হাতে তার মোহন বাঁশি যেন রাধা-শ্যাম, আর দু'হাতে দণ্ড ঝুলি নবীন সন্ন্যাসীরই প্রায়।।
রাগঃ
তালঃ দাদরা
১.

২.

দূর বেণুকুঞ্জে বাজে মুরলী মুহু মুহু যেন বারে বারে ডাকে আমারে বাঁশুরিয়ার মধুর সুরের কুহু।।
রাগঃ আনন্দী
তালঃ ত্রিতাল

খাতুনে জান্নাত ফাতেমা জননী — বিশ্ব-দুলালী নবী নন্দিনী, মদিনাবাসিনী পাপতাপ নাশিনী উম্মত-তারিণী আনন্দিনী।। সাহারার বুকে মাগো তুমি মেঘ-মায়া, তপ্ত মরুর প্রাণে স্নেহ-তরুছায়া; মুক্তি লভিল মাগো তব শুভ পরশে বিশ্বের যত নারী বন্দিনী।। হাসান হোসেনে তব উম্মত তরে, মাগো কারবালা প্রান্তরে দিলে বলিদান, বদলাতে তার রোজ হাশরের দিনে চাহিবে মা মোর মত পাপীদের ত্রাণ। এলে পাষাণের বুকে চিরে নির্ঝর সম, করুণার ক্ষীরধারা আবে-জমজম; ফিরদৌস হ’তে রহমত বারি ঢালো সাধ্বী মুসলিম গরবিনী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

জোছনা-হসিত মাধবী নিশি আজ। পর পর প্রিয়া বাসন্তি-রাঙা সাজ।। রাঙা কমল-কলি দিও কর্ণ-মূলে পর সোনালি চেলি নব সোনাল্ ফুলে, স্বর্ণলতার প’র সাতনরী-হার আজি উৎসব-রাত, রাখ রাখ গৃহ-কাজ।। পর কবরী-মূলে নব আমের মুকুল হাতে কাঁকন পর গেঁথে অতসীর ফুল, দূরে গাহুক ডাহুক পাখি সখি, মুখর নিলাজ।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ
তালঃ লাউনি