ভোর হোল ওঠ্ জাগ্ মুসাফির

বাণী

ভোর হোল ওঠ্ জাগ্ মুসাফির আল্লা-রসুল বোল্‌
গাফ্‌লিয়াতি ভোল্ রে অলস্ আয়েশ আরাম্ ভোল্॥
	এই দুনিয়ার সরাইখানায়
	জনম্ গেল ঘুমিয়ে হায়
ওঠ রে সুখ-শয্যা ছেড়ে মায়ার বাঁধন খোল্॥
দিন ফুরিয়ে এলো যে রে দিনে দিনে তোর
দীনের কাজে অবহেলা কর্‌লি জীবন ভোর।
	যে দিন আজো আছে বাকি
	খোদারে তুই দিস্‌নে ফাঁকি
আখেরে পার হবি যদি পুল্ সেরাতের পোল্॥

আজকে শাদী বাদ্‌শাজাদীর পান করো

বাণী

আজকে শাদী বাদ্‌শাজাদীর পান করো শিরাজি।।
নেশার ঝোঁকে চোখে চোখে খেলুক আতস বাজি
	(সবে) পান করো শিরাজি।।
	সামনে মোরা যাকে পাব
	রঙিন পানি পান করাব
প্রাণে খুশির রঙ করাব নেচে খেয়ে আজি
	সবে পান করো শিরাজি।।

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘লায়লী মজনু’

কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি

বাণী

কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি।
যে কৃষ্ণ নাম জপেন ইন্দ্র-ব্রহ্মা-মহেশ্বর
যে নাম করে ধ্যান যোগী-ঋষি-সুরাসুর-নর,
এই অসীম বিশ্ব সীমা যাঁহার পায় নাকো খুঁজি -
আমি জীবনে মরণে যেন সেই নামই ভজি।।
যাঁর অনন্ত লীলা যাঁহার অনন্ত প্রকাশ
মধু কৈটভ মর কংসে যুগে যুগে করেন নাশ,
ন্যায় পাণ্ডবের হলেন সখা সারথি সাজি’
এই পাপ কুরুক্ষেত্রে কাঁদি তাঁহারেই খুঁজি’।।
যাঁর মুখে গীতা হাতে বাঁশি নূপুর রাঙা পায়
কভু শ্রীকৃষ্ণ গোকুলে কভু গোরা নদীয়ায়,
ফেরে প্রেম-যমুনার তীরে চির-রাধিকায় খুঁজি’
মোর মন গোপিনী উন্মাদিনী সেই নামে মজি’।।

শুভ্র সমুজ্জ্বল হে চির–নির্মল

বাণী

শুভ্র সমুজ্জ্বল, হে চির–নির্মল শান্ত অচঞ্চল ধ্রুব–জ্যোতি
অশান্ত এ চিত কর হে সমাহিত সদা আনন্দিত রাখো মতি।।
দুঃখ–শোক সহি অসীম সাহসে
অটল রহি যেন সম্মানে যশে
তোমার ধ্যানের আনন্দ–রসে
	নিমগ্ন রহি হে বিশ্বপতি।।
মন যেন না টলে খল কোলাহলে, হে রাজ–রাজ!
অন্তরে তুমি নাথ সতত বিরাজ, হে রাজ–রাজ!
বহে তব ত্রিলোক ব্যাপিয়া, হে গুণী,
ওঙ্কার–সংগীত–সুর–সুরধুনী,
হে মহামৌনী, যেন সদা শুনি
	সে সুরে তোমার নীরব আরতি।।

সঙ্ঘ শরণ তীর্থযাত্রা পথে এসো

বাণী

সঙ্ঘ শরণ তীর্থযাত্রা-পথে এসো মোরা যাই।
সঙ্ঘ বাঁধিয়া চলিলে অভয় সে পথে মৃত্যু নাই।।
সঙ্ঘবদ্ধ হইলে তাদের সাথে,
ঐশী শক্তি সহায় হইয়া চলে হাত রেখে হাতে
সঙ্ঘবদ্ধ হইলে সারথি ভগবানে মোরা পাই।।
সঙ্ঘ শক্তি আসিলে সর্ব ক্লৈব্য হইবে লীন,
চল্লিশ কোটি মানুষ এই ভারতে
ভিন্ন হইয়া ডাকি ঠাঁই ঠাঁই, তাই মোরা পরাধীন।
মোরা সঙ্ঘবদ্ধ হই যদি একবার
জাতি ও ধর্ম ভেদ রবে নাকো আর
পাব সাম্য, শান্তি, অন্ন, বস্ত্র পুনঃ সবাই।।

গহীন রাতে ঘুম কে এলে ভাঙাতে

বাণী

গহীন রাতে ঘুম কে এলে ভাঙাতে
ফুল-হার পরায়ে গলে দিলে জল নয়ন-পাতে।।
	যে জ্বালা পেনু জীবনে
	ভুলেছি রাতে স্বপনে
কে তুমি এসে গোপনে ছুঁইলে সে বেদনাতে।।
	যবে কেঁদেছি একাকী
	কেন মুছালে না আঁখি
নিশি আর নাহি বাকি, বাসি ফুল ঝরিবে প্রাতে।।