আমারে সকল ক্ষুদ্রতা হ’তে

বাণী

	আমারে সকল ক্ষুদ্রতা হ’তে বাঁচাও প্রভু উদার!
	হে প্রভু, শেখাও নীচতার চেয়ে নীচ পাপ নাহি আর।।
		যদি শতেক জন্ম-পাপে হই পাপী
		যুগ-যুগান্ত নরকেও যাপি,
	জানি জানি প্রভু, তারও আছে ক্ষমা, ক্ষমা নাই নীচতার।।
	ক্ষুদ্র করো না, হে প্রভু, আমার হৃদয়ের পরিসর,
যেন	হৃদয়ে আমার সম ঠাঁই পায় শত্রু-মিত্র-পর।
		নিন্দা না করি ঈর্ষায় কারো
		অন্যের সুখে সুখ পাই আরো,
	কাঁদি তাঁ’রি তরে অশেষ দুঃখী ক্ষুদ্র আত্মা যার।।

‘মোনাজাত’

দীন দরিদ্র কাঙালের তরে

বাণী

	দীন দরিদ্র কাঙালের তরে এই দুনিয়ায় আসি’,
	হে হজরত বাদশাহ হয়েছিলে উপবাসী।
(তুমি)	চাহ নাই কেহ হইবে আমীর, পথের ফকির কেহ
(কেহ)	মাথা গুঁজিবার পাইবে না ঠাঁই, কাহারো সোনার গেহ,
	ক্ষুধার অন্ন পাইবে না কেহ, কারো শত দাস-দাসী।।
(আজ)	মানুষের ব্যথা অভাবের কথা ভাবিবার কেহ নাই
	ধনী মুস্‌লিম ভোগ ও বিলাসে ডুবিয়া আছে সদাই,
(তাই)	তোমারেই ডাকে যত মুস্‌লিম গরীব শ্রমিক চাষী।।
	বঞ্চিত মোরা হইয়াছি আজ তব রহমত হ’তে
	সাহেবী গিয়াছে, মোসাহেবী করি ফিরি দুনিয়ার পথে,
	আবার মানুষ হব কবে মোরা মানুষেরে ভালবাসি’।।

চিকন কালো বেদের কুমার

বাণী

	চিকন কালো বেদের কুমার কোন্‌ পাহাড়ে যাও?
কোন্‌	বন-হরিণীর পরান নিতে বাঁশরি বাজাও?
	তুমি শিস্‌ দিয়ে গান গাও
	তুমি কুটিল চোখে চাও।।
	তীর-ধনুক নিয়ে সারাবেলা
	ও শিকারি, এ কি খেলা?
শাল গাছেরই ডাল ভাঙিয়া একটু বাতাস খাও।।
কাঁকর-ভরা কাঁটার পথে (আজ) নাই শিকারে গেলে,
অশথ্‌-তলে বাজাও বাঁশি (তোমার) হাতের ধনুক ফেলে’।
	তোমার কালো চোখের কাজল নিয়ে
	ঝিল উঠেছে ঝিল্‌মিলিয়ে, ঝিল্‌মিলিয়ে।
ঐ কমল ঝিলের শাপলা নিয়ে বাঁশিখানি দাও।।

বাঁশি কে বাজায় বনে আমি চিনি

বাণী

বাঁশি কে বাজায় বনে আমি চিনি আমি চিনি,
কলসে কাঁকন চুড়ি তাল দিয়ে কয় গো রিনিঝিনি।
			আমি চিনি আমি চিনি।।
বুঝি গো বন পাপিয়া তারেই দেখে
‘চোখ গেল, চোখ গেল’ বলে উঠে ডেকে।
ও বাঁশি বাজলে ‘জলে যাসনে’, (ও বৌ যাস্‌নে)
বলে ‘ননদিনী’ ‘ননদিনী’।আমি চিনি আমি চিনি।।
মোর সেই বাঁশুরিয়ায় চেনে পাড়ার পড়শিরা
চেনে তায় যায় যমুনায় গো যত প্রেমের গরবীরা।
সে যে মোর ঘর জ্বালানো পর ভুলানো
আমার কালো বরণ গো, তমালের ডাল দুলানো।
মন কয় আমায় নিয়ে গো সেই ত খেলে ছিনিমিনি।।

ওমা নির্গুণেরে প্রসাদ দিতে

বাণী

ওমা	নির্গুণেরে প্রসাদ দিতে তোর মত কেউ নাই।
তোর	পায়ে মা তাই রক্তজবা গায়ে শ্মশান-ছাই।।
		দৈত্য-অসুর হনন ছলে
		ঠাঁই দিস্ তুই চরণ তলে,
আমি	তামসিকের দলে মা গো তাই নিয়েছি ঠাঁই।।
	কালো ব’লে গৌরী তোরে কে দিয়েছে গালি,
(ওমা)	ত্রিভুবনের পাপ নিয়ে তোর অঙ্গ হ’ল কালি।
		অপরাধ না করলে শ্যামা
		ক্ষমা যে তোর পেতাম না মা,
(আমি)	পাপী ব’লে আশা রাখি চরণ যদি পাই।।

চৌরঙ্গী হ্যায় ইয়ে চৌরঙ্গী

বাণী

চৌরঙ্গী হ্যায় ইয়ে চৌরঙ্গী।
ইসকী দুনিয়া রং বেরংগী।।
গোরে, কালে আওবে, যাওবে
আপনি আপনি ছাব দেখলাবে,
ই ড্যগর মেঁ সব সংসার —
ইসকী দুনিয়া রঙ্গ বেরংগী।।
কিতনে আওবে রাজাবাবু
কিতনে হামসে বেকারি,
কিতনে আপনে গুলকে বন্দে
কিতনে প্রেম-পূজারী।
কোই কিসিকো রাব লাগায়ে
কোই য়া কর খুদ খো যায়ে
সিধা রাস্তা ফির হাজার
ইসকী দুনিয়া রঙ্গ বেরংগী।।