বাণী
পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া তোমার দীঘল তনু। ফুল-ভারনত শাখাতে তাহার বাঁকা তব ভুরু-ধনু।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’ (মজনু গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া তোমার দীঘল তনু। ফুল-ভারনত শাখাতে তাহার বাঁকা তব ভুরু-ধনু।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’ (মজনু গান)
রাগঃ
তালঃ
নন্দলোক হতে (আনন্দলোক হতে) আমি এনেছি রে মহামায়ায়। এনেছি মা মহামায়ায়। বন্ধ যথায় বন্দী যত কংসরাজার অন্ধকারায়।। বন্দী জাগো! ভাঙো আগল, ফেল রে ছিঁড়ে পায়ের শিকল; বুকের পাষাণ ছুঁড়ে ফেলে মুক্তলোকে বেরিয়ে আয়।। আমার বুকের গোপালকে রে রেখে এলাম ‘নন্দালয়ে’ সেইখানে সে বংশী বাজায় আনন্দ-গোপ-দুলাল হয়ে। মা’র আদেশে বাজাবে সে অভয় শঙ্খ দেশে দেশে, (তোরা) নারায়ণী সেনা হবি, এবার নারায়ণীর কৃপায়।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ভোলো অতীত-স্মৃতি ভোলো কালা। কি হবে কুড়ায়ে এ ছিন্ন মালা।। মিছে রোধি’ পথ মিনতি করিছ কত, জাগায়ে পুরানো ক্ষত — দিও না জ্বালা।।
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ
তুমি আরেকটি দিন থাকো। হে চঞ্চল, যাবার আগে মোর মিনতি রাখো।। আমি ভালো ছিলাম ভুলে’ একা কেন নিঠুর দিলে দেখা, তুমি ঝরা-ফুলে গাঁথ্লে মালা গলায় দিলে না কো।। তোমার কাজের মাঝে আমায় ভোলা সহজ হবে, স্বামী! কেমন ক’রে এক্লা ঘরে থাক্বো ভুলে আমি। নিবু নিবু প্রদীপ আশার তুমি জ্বালিয়ে দিলে যদি আবার — প্রিয় নিভ্তে তারে দিও না আর আদর দিয়ে রাখো।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

তুমি বিরাজ কোথা হে উৎসব দেবতা মম গৃহ অঙ্গনে এসো সঙ্গী হয়ে আনো আনন্দ বারতা॥ পূজা সম্ভারে প্রসন্ন দৃষ্টি হানো শুভ শঙ্খ বাজাও দশদিক জাগানো হে মঙ্গলময়! আসি’ অভয় দানো আনো প্রভাত আকাশ সম নির্মলতা॥ লহ বিহগের গীতি অভিনন্দন চাঁদের থালিকা হতে গোপীচন্দন আনন্দ অমরার নন্দন হে প্রণত কর চরণে কহ কথা কহ কথা॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দোলে নিতি নব রূপের টেউ-পাথার ঘনশ্যাম তোমারি নয়নে। আমি হেরি যে নিখিল বিশ্বরূপ-সম্ভার তোমারি নয়নে॥ তুমি পলকে ধর নাথ সংহার-বেশ হও পলকে করুণা-নিধান পরমেশ। নাথ ভরা যেন বিষ অমৃতের ভান্ডার তোমার দুই নয়নে॥ ওগো মহা-শিশু, তব খেলা-ঘরে একি বিরাট সৃষ্টি বিহার করে, সংসার চক্ষে তুমিই হে নাথ, সংসার তোমারি নয়নে॥ তুমি নিমেষে রচি নব বিশ্বছবি ফেল নিমেষে মুছিয়া হে মহাকবি, করে কোটি কোটি ব্রহ্মান্ড ভুবন-সঞ্চার তোমারি নয়নে॥ তুমি ব্যাপক ব্রহ্ম চরাচরে জড় জীবজন্তু নারী-নরে, কর কমল-লোচন, তোমার রূপ বিস্তার হে আমারি নয়নে॥
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ কাহার্বা
