বাণী
দাও আরো আরো দাও সুরা আর সুর। প্রাণের পাত্র কর সুখে ভরপুর।। বাজুক অধীর হ’য়ে নূপুর জলদ লয়ে, সমতালে তাল দিক কাঁকন-কেয়ূর।। সুর ও সুরার ঝোঁক ধরায় অমর হোক, এই সে-স্বর্গলোকে আয় তৃষাতুর।।
নাটিকা: ‘নরমেধ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

দাও আরো আরো দাও সুরা আর সুর। প্রাণের পাত্র কর সুখে ভরপুর।। বাজুক অধীর হ’য়ে নূপুর জলদ লয়ে, সমতালে তাল দিক কাঁকন-কেয়ূর।। সুর ও সুরার ঝোঁক ধরায় অমর হোক, এই সে-স্বর্গলোকে আয় তৃষাতুর।।
নাটিকা: ‘নরমেধ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আগের মত আমের ডালে বোল ধরেছে বউ। তুমিই শুধু বদ্লে গেছ, আগের মানুষ নও।। তেম্নি আজো তোমার নামে উথলে মধু গোলাপ-জামে, উঠ্ল পু’রে জামরুলে রস, মহুল ফুলে মউ।। ডালিম-দানায় রং ধরেছে, ডাঁশায় নোনা আতা, তোমার পথে বিছায় ছায়া ছাতিম তরুর ছাতা। তেম্নি আজো নিমের ফুলে ঝিম্ হয়ে ঐ ভ্রমর দুলে, হিজল-শাখায় কাঁদছে পাখি বউ গো কথা কও।।
রাগঃ বসন্ত মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
বিজন গোঠে কে রাখাল বাজায় বেণু আমি সুর শুনে তা'র বাউল হয়ে এনু (গো)।। ঐ সুরে পড়ে মনে কোন সুদুর বৃন্দাবনে যেত নন্দ-দুলাল ব্রজ-গোপাল বাজিয়ে বেণু বনে পথে লুটতো কেঁদে গোপাবালা, ভূরতো তৃণ-ধেণু গো কেঁদে ভুলতো তৃণ-ধেণু।। কবে নদীয়াতে গোরা ও ভাই ডেকেছিল এমনি সুরে এমনি পাগল-করা। কেঁদে ডাকতো বৃথাই শচীমাতা, সাধতো বসুন্ধরা, প্রেমে গ'লে যত নর-নারী যাচতো পদ-বেণু গো তারা যাচতো পদ-রেণু।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আও জীবন মরণ সাথী তুমকো ঢুঁঢাতা হ্যায় দূর আকাশ মে মোহনী চাঁদনী রাতি।। ঢুঁঢাতা প্রভাত নিত গোধূলি লগন মে মেঘ হোকে ম্যয় ঢুঁঢাতা গগন মে। ফিরত হুঁ রোকে শাওন পবন মে। পাত্তে মে ঢুঁঢাতা তোড়ী পাপী শ্যামা হোকে জ্বালা ম্যয় তোহারি আঁখমে বুঝ গ্যয়া রাতকো হায় নিরাশ মে। আভি ইয়ে জীবন হ্যায় তুমহারি পিয়াস মে। গুল না হো যায়ে নয়ন কি বাতি।।
রাগঃ নাগস্বরাবলী
তালঃ ত্রিতাল

কালো জল ঢালিতে সই চিকন কালারে পড়ে মনে। কালো মেঘ দেখে শাওনে সই পড়্ল মনে কালো বরণে॥ কালো জলে দীঘির বুকে কালায় দেখি নীল-শালুকে (আমি) চম্কে উঠি, ডাকে যখন কালো কোকিল বনে॥ কল্মিলতার চিকন পাতায় দেখি আমার শ্যামে লো পিয়া ভেবে দাঁড়াই গিয়ে পিয়াল গাছের বামে লো। উড়ে গেলে দোয়েল পাখি ভাবি কালার কালো আঁখি আমি নীল শাড়ি পরিতে নারি কালারি কারণে লো কালারি কারণে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কেন মনে জাগে উদাসিনী গৌরী উমার স্মৃতি! আর কত দূরে কত দেরি আনন্দময়ীর আসার তিথি।। কেন পদ্মদীঘি দুলে ওঠে হৃদয়ে মোর নন্দিনী মা আসে কি রাঙা চরণ ল’য়ে? কেন নয়নের বাতায়নে উতলা হ’ল, অশ্রুর ভ্রমর-বীথি।। তার মন নাই, উন্মনা চিন্ময়ী সে, তাই ছেলের কথা মনে নাই, শারদ-শ্রী এলো, পরমা-শ্রী কই — কাঁদি আর পথ-পানে চাই। ওকি ঘরে এসে, নাম ধরে, ডেকে চ’লে যায় শিউলির অঞ্জলি ফেলে আঙিনায়, ভোরের ভৈরবী বুকে মোর কাঁদে গো, ওকি তার করুণ-গীতি।।
গীতিচিত্রঃ শারদ-শ্রী
রাগঃ গৌরী
তালঃ ত্রিতাল