যাবার বেলায় ফেলে যেয়ো একটি খোঁপার ফুল

বাণী

যাবার বেলায় ফেলে যেয়ো একটি খোঁপার ফুল (প্রিয়)
আমার চোখের চেয়ে চেয়ো একটু চোখের ভুল (প্রিয়)।।
অধর –কোণের ঈয়ৎ হাসির ক্ষণিক আলোকে
রাঙ্গিয়ে যেয়ো আমার হিয়ার গহন কালোকে
যেয়ো না গো মুখ ফিরিয়ে দুলিয়ে হীরের দুল।।
একটি কথা ক’য়ে যেয়ো, একটি নমস্কার,
সেই কথাটি গানের সুরে গাইব বারেবার
হাত ধ’রে মোর বন্ধু ব’লো একটু মনের ভুল।।

পথে কি দেখলে যেতে আমার

বাণী

পথে কি দেখলে যেতে আমার গৌর দেবতারে।
যা’রে কোল যায় না দেওয়া, কোল দেয় সে ডেকে তারে।।
নবীন সন্ন্যাসী সে রূপে তার পাগল করে
আঁখির ঝিনুকে তা’র অবিরল মুক্তা ঝরে।
কেঁদে সে কৃষ্ণের প্রেম ভিক্ষা মাগে দ্বারে দ্বারে।।
জগতের জগাই-মাধাই মগ্ন যারা পাপের পাঁকে
সকলের পাপ নিয়ে সে সোনার গৌর-অঙ্গে মাখে।
উদার বক্ষে তাহার ঠাঁই দেয় সকল জাতে
দেখেছ প্রেমের ঠাকুর সচল জগন্নাথে?
একবার বললে হরি যায় নিয়ে সে ভবপারে।।

আজ নিশীথে অভিসার তোমারি পথে প্রিয়তম

বাণী

		আজ নিশীথে অভিসার তোমারি পথে প্রিয়তম।
		বনের পারে নিরালায় দিও হে দেখা নিরুপম।।
		সুদূর নদীর ধারে নিরালাতে বালুচরে
		চখার তরে যথা একা চখি কেঁদে মরে
		সেথা সহসা আসিও গোপন প্রিয় স্বপন সম।।
		তোমারি আশায় ঘুরি শত গ্রহে শত লোকে,
(ওগো) 	আমারি বিরহ জাগে বিরহী চাঁদের চোখে,
		আকুল পাথার নিরাশার পারায়ে এসো প্রাণে মম।।

এ কি হাড়-ভাঙা শীত এলো মামা

বাণী

এ কি হাড়-ভাঙা শীত এলো মামা!
যেন সারা গায়ে ঘ’ষে দিচ্ছে ঝামা।।
হইয়া হাড়-গোড় ভাঙা দ’
ক্যাঙারুর বাচ্চা যেন গো,
সেঁদিয়ে লেপের পেটে
কাঁপিয়া মরি, ভয়ে থ’!
গিন্নী ছুটে এসে চাপা দেয় যে ধামা।।
বাঘা শীত, কাঁপি থর থর থর, যেন গো মালোয়ারী জ্বর
বেড়ালে আঁচড়ায় যেন গো শানিয়ে দন্ত নখর,
মাগো দাঁড়াতে নারি, চলি দিয়ে হামা।।
হাঁড়িতে চড়িয়ে আমায়, উনুনে রাখ গো ত্বরায়,
পেটে মোর ভরিয়া তুলো, বালাপোষ কর গো আমায়!
হ’ল শরীর আমার ফেটে মহিষ-চামা।
ওরে হরে! নিয়ে আয় মোজা পায়জামা।।

গগনে পবনে আজি ছড়িয়ে গেছে রঙ

বাণী

গগনে পবনে আজি ছড়িয়ে গেছে রঙ
নিখিল রাঙিল রঙে অপরূপ ঢঙ॥
চিত্তে কে নৃত্যে মাতে দোল লাগানো ছন্দে,
মদির রঙের নেশায় অধীর আনন্দে,
নাচিছে সমীরে পুষ্প, পাগল বসন্ত, বাজে মেঘ মৃদঙ।।
প্রাণের তটে কামোদ নটে সুর বাজিছে সুমধুর —
দুলে অলকানন্দ রাঙা তরঙ্গে
শিখী কুরঙ্গ নাচে রঙিলা ভ্রুভঙ্গে,
বাজিছে বুকে সুর-সারং কাফির সঙ্গ্‌

আল্লাকে যে পাইতে চায়

বাণী

আল্লাকে যে পাইতে চায় হজরতকে ভালবেসে।
আরশ্‌ কুরসি লওহ কালাম, না চাহিতেই পেয়েছে সে।।
রসুল নামের রশি ধ’রে যেতে হবে খোদার ঘরে,
নদী-তরঙ্গে যে পড়েছে ভাই, দরিয়াতে সে আপনি মেশে।।
তর্ক ক’রে দুঃখ ছাড়া কি পেয়েছিস্‌ অবিশ্বাসী,
কি পাওয়া যায় দেখ্‌ না বারেক হজরতে মোর ভালবাসি’।
এই দুনিয়ায় দিবা-রাতি ঈদ্‌ হবে তোর নিত্য সাথী,
তুই যা চাস্‌ তাই পাবি রে ভাই আহমদ চান যদি হেসে।।