বাণী
জবা কুসুম-সঙ্কাশ ঐ উদার অরুণোদয়। অপগত তমোভয় জয় হে জ্যোতির্ময়।। জননীর সম স্নেহ-সজল, নীল গাঢ় গগন-তল সুপেয় বারি প্রসুন ফল — তব দান অক্ষয়, অপহৃত সংশয় জয় হে জ্যোতির্ময়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বিভাস মিশ্র
তালঃ একতাল
জবা কুসুম-সঙ্কাশ ঐ উদার অরুণোদয়। অপগত তমোভয় জয় হে জ্যোতির্ময়।। জননীর সম স্নেহ-সজল, নীল গাঢ় গগন-তল সুপেয় বারি প্রসুন ফল — তব দান অক্ষয়, অপহৃত সংশয় জয় হে জ্যোতির্ময়।।
রাগঃ বিভাস মিশ্র
তালঃ একতাল
নীলাম্বরী–শাড়ি পরি’ নীল যমুনায় কে যায়? যেন জলে চলে থল–কমলিনী ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।। কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে, চমকায় উন্মন চম্পা বনকে, দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে, পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।। অঙ্গের ছন্দে পলাশ–মাধবী অশোক ফোটে, নূপুর শুনি’ বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে। মেঘ–বিজড়িত রাঙা গোধূলি নামিয়া এলো বুঝি পথ ভুলি, তাহার অঙ্গ তরঙ্গ–বিভঙ্গে কুলে কুলে নদী জল উথলায়।।
রাগঃ নীলাম্বরী
তালঃ ত্রিতাল

তুমি কে গো (কে কে কে) তুমি মোদের বন-দেবতা। আমরা বনশ্রী, তোমার পূজারিণী ধ্যান-রতা — হে বন-দেবতা।। ১মা : আমি মালতী মুকুল ২য় : আমি ব্যাকুলা বকুল ৩য়া, ৪র্থা, ৫মা : মোরা গণহীনা অশোক-পলাশ-শিমুল। ৬ষ্ঠা : আমি (আঁখি) জলের কমল ৭মা : আমি মাধবীলতা।। ৮মা : আমি গিরি-মল্লিকা ৯মা : আমি হাস্নুহানা ১০মা : আমি ছোট ডুমো ফুল, রই চির-অজানা ১১শী : আমি ঝর্নাধারা, কেঁদে কেঁদে ব’য়ে যাই। ১২শী : আমি দিনের ভাদ্র-বৌ, চাঁদের কুমুদ ১৩শী : আমি পাখির গান, বনভূমির কথা।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
চ্যল চ্যল চ্যল ন্যওয্যওয়ান চ্যল্। ফ্যত্হেকি হো ফৌজ তুম্ ব্যহর্ কি হো মৌজ তুম্ ব্যখত্কে হো অওজ তুম্ তুম্মে হ্যায় জোর ব্যল্।। চাক হ্যায় শ্যব কি ন্যকাব ছোড় দো গ্যফল্যত কা খবাব, নিকলা ওহ লো আফতাব — তুম্ভি হো গ্যরমে অ্যস্যল।। ফ্যয়লনে কো বেকরার সুরতে নূর অ্যওর নার, জ্যল জ্যলা আফজা পুকার — জলমকি ব্যনফ্যর অ্যম্যল।। চ্যল মচাকে শোর সাফে দুশম্যন কো তোড় ফোড় উঠ খ্যড়ে হো সুব্ আজাঁ গ্যফিলিয়ত্ কো ছোড়, হিম্মত না হারানা আযায়ে গ্যর অ্যয্যল।।
রাগঃ
তালঃ
জয় বাণী বিদ্যাদায়িণী জয় বিশ্বলোক-বিহারিণী।। সৃজন-আদিম তমঃ অপসারি' সহস্রদল কিরণ বিথারি' আসিলে মা তুমি গগন বিদারি' মানস-মরাল-বাহিনী।। ভারতে ভারতী মূক তুমি আজি বীণাতে উঠিছে ক্রন্দন বাজি' ছিন্ন চরণ-শতদলরাজি কহিছে বিষাদ-কাহিনী।। ঊর মা আবার কমলাসীনা, (মাগো) করে ধর পুনঃ সে রুদ্রবীণা নব সুর তানে বানী দীনাহীনা জাগাও অমৃতভাষিণী মা জাগাও অমৃতভাষিণী।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ একতাল

তুমি আঘাত দিয়ে মন ফেরাবে এই কি তোমার আশা? আমার যে নাথ অনন্ত সাধ, অনন্ত পিপাসা॥ দাহন তুমি করবে যত প্রেমের শিখা জ্বলবে তত সে যে আমার মন্ত্র পূজার তোমার কঠিন ভাষা॥ ফুলমালী! ফুলের শাখা কাটো যত পার, আহত সেই ফুল-শাখাতে ধরবে কুসুম আরো। হানলে আঘাত নিথর জলে, অধীর বেগে ঢেউ উথলে, তোমার অবহেলায় বিপুল হ’ল ভীরু ভালোবাসা। আমার ভীরু ভালোবাসা॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
