বাণী
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
এই যুগল মিলন দেখ্ব ব’লে ছিলাম আশায় ব’সে। আমি নিত্যানন্দ হলাম, পিয়ে, মধুর ব্রজ-রসে।। রাই বিষ্ণুপ্রিয়া আর কানাই গৌর হের নদীয়ায় যুগল রূপ সুমধুর, তোরা দেখে যা দেখে যা মধুর মধুর। মধুর রাই আর মধুর কানাইরে দেখে যা দেখে যা মধুর মধুর।।
নাটক : ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’ (নিত্যানন্দের গান)
রাগঃ
তালঃ
চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায় আজিকে যে রাজাধিরাজ কা'ল সে ভিক্ষা চায়।। অবতার শ্রীরামচন্দ্র যে জানকীর পতি তারও হলো বনবাস রাবণ করে দুর্গতি। আগুনেও পুড়িল না ললাটের লেখা হায়।। স্বামী পঞ্চ পাণ্ডব, সখা কৃষ্ণ ভগবান দুঃশাসন করে তবু দ্রৌপদীর অপমান পুত্র তার হলো হত যদুপতি যার সহায়।। মহারাজ হরিশচন্দ্র, রাজ্য দান ক'রে শেষ শ্মশান-রক্ষী হয়ে লভিল চণ্ডাল-বেশ বিষ্ণু-বুকে চরণ-চিহ্ন, ললাট-লেখা কে খণ্ডায়।।
রাগঃ মান্দ
তালঃ কাহার্বা

ভক্তি ভরে পড় রে তোরা কলমা শাহাদাত। আরশ হতে আনলেন নবী বেহেশ্তী দাওয়াত এই কল্মা শাহাদাত।। পাপে তাপে আছিস্ ডুবে একবার বল ভুলে কলমা শাহাদাতের বাণী, অমনি উঠবি কূলে, নিভবে দোজখের আগুন পাবি শাফায়ত।। ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’-র তাবিজ বেঁধে হাতে চল রে পথে দেখবি — আছেন নবীজী তোর সাথে, (তোর) ইহলোকের পরলোকের মিটবে রে হসরত্।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমি বাউল হ’লাম ধূলির পথে ল’য়ে তোমার নাম। আমার একতারাতে বাজে শুধু তোমারই গান, শ্যাম।। নিভিয়ে এলাম ঘরের বাতি এখন তুমিই সাথের সাথি, আমি যেখানে যাই সেই সে এখন আমার ব্রজধাম।। আমি আনন্দ-লহরি বাজাই নূপুর বেঁধে পায়ে, শ্রান্ত হ’লে জুড়াই তনু বন-বীথি বটের ছায়ে।১ ভাবনা আমার তুমি নিলে আমায় ভিক্ষা-পাত্র দিলে কখন তুমি আমার হবে পূরবে মনস্কাম।।
১. শ্রান্ত হলে জুড়াই তবু বংশী-বটের ছায়ে।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

স্ত্রী : তুমি কি নিশীথ-চাঁদ ভাঙাতে ঘুম চুপি চুপি আসিলে বাতায়নে। পুরুষ : তুমি কি গো বন-দেবী পুষ্প-শোভিতা চেয়ে আছ কোন দূরে আনমনে।। স্ত্রী : তোমারে হেরিয়া ফোটে মালতী হেনা হে চির চেনা পুরুষ : সুদুর বনান্তে সমীরণ হেরি' তোমায় হ'লো অধীর পাপিয়া ডাকে বকুল বনে।। স্ত্রী : তব কলঙ্ক অধিক মধুর লাগে হে কলঙ্কী চাঁদ, তোমারে হেরিয়া যত সাধ জাগে প্রাণে জাগে তত অবসাদ। পুরুষ : তোমার ছায়া প'ড়ে মোর আননে কলঙ্কী নাম হলো মোর এই ভুবনে। উভয়ে : আকাশের চাঁদে কুমুদ ফুলে মিলন হ'লো ধরার ভুলে অশ্রুসায়রে সঙ্গোপনে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
