বাণী
আয় আয় মোর ময়ূর-বিমান আকাশ-নদী বেয়ে। ফুল ফোটানো হাওয়ায় ভেসে চাঁদের আলোয় নেয়ে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আয় আয় মোর ময়ূর-বিমান আকাশ-নদী বেয়ে। ফুল ফোটানো হাওয়ায় ভেসে চাঁদের আলোয় নেয়ে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
ফিরে যা সখি ফিরে যা ঘরে থাকিতে দে লো এ পথে পড়ে যে পথ ধরে গিয়াছে হরি চলি’ আমি যাব না আর গোকুলে, সখি শিশিরে আর ভয় কি করি ভেসেছি যবে অকূলে সখি দিসনে লো দিসনে লো রাখ গোপী-চন্দন, চন্দনে জুড়ায় না প্রাণের ক্রন্দন। দ্বিগুণ বাজায় জ্বালা নব মালতী-মালা, ও যে মালা নয়, মনে হয় সাপিনীর বন্ধন।। সখি যাহার লাগিয়া বসন ভূষণ, সেই গেল যদি চলে কি হবে এ ছার ভূষণের ভার ফেলে দে যমুনা-জলে। সকলের মায়া কাটায়েছি সখি, টুটিয়াছে সব বন্ধন, যেতে দে আমায়, যথা মথুরায় বিহরে নন্দ-নন্দন।। দেখব তারে, রাজার সাজে দেখব তারে রাজার সাজে কেমন মানায় গো-রাখা রাখাল-রাজে।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (ঝাঁপতাল, কাহার্বা ও দাদ্রা)

একি সুরে (কোন্ সুরে) তুমি গান শুনালে ভিনদেশি পাখি এ যে সুর নহে, মদির সুরা, রে সুরের সাকি।। বসি’ মোর জানালা পাশে কেন বুক-ভাঙা নিরাশে যাও ঘুম ভাঙায়ে নিতি সকরুণ সুরে ডাকি।। তোর ও সুরে কাঁদছে ঊষা অস্ত চাঁদের গলা ধ’রে ভোর-গগনের কপোল বেয়ে শিশির-অশ্রু গড়িয়ে পড়ে। আমি রইতে নারি ঘরে কেন প্রাণ কেমন করে আমার মন লাগে না কাজে, আর জলে ভরে আঁখি।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ অঞ্জলি

মাগো চিন্ময়ী রূপ ধ’রে আয়। মৃন্ময়ী রূপ তোর পূজি শ্রী দুর্গা তাই দুর্গতি কাটিল না হায়।। যে মহা-শক্তির হয় না বিসর্জন অন্তরে বাহিরে প্রকাশ যার অনুখন মন্দিরে দুর্গে রহে না যে বন্দী সেই দুর্গারে দেশ চায়।। আমাদের দ্বিভুজে দশভুজা-শক্তি দে পরম ব্রহ্মময়ী। শক্তিপূজার ফল ভক্তি কি পাব শুধু হব না কি বিশ্বজয়ী? এই পূজা-বিলাস সংহার কর্ যদি, পুত্র শক্তি নাহি পায়।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ ত্রিতাল

মাধব গোবিন্দ শ্রীকৃষ্ণ মুরারি॥ কহ নাম মুখে গাহ সুখে দুখে মণিহারই করে গেঁথে রাখ বুকে গোলকে হরি তার সখা সাথী প্যারী॥ পেল না ব্রহ্মা শিব ধেয়ানে যাহারে বাঁধিল গোকুলে গোয়ালিনী তারে যুগে যুগে সে যে প্রেমের ভিখারি॥ লীলা রসে তাহার ডুবে রও অবিরাম এ সংসার হবে রে সুমধুর ব্রজধাম ধরিবেন হৃদয়ে তোরে গিরিধারী॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মেঘ-বরণ কন্যা থাকে মেঘলামতীর দেশে (রে) সেই দেশে মেঘ জল ঢালিও তাহার আকুল কেশে।। তাহার কালো চোখের কাজল শাওন মেঘের চেয়ে শ্যামল চাউনিতে তার বিজলি ছড়ায় চমক বেড়ায় ভেসে (রে)।। সে ব’সে থাকে পা ডুবিয়ে ঘুমতী নদীর জলে কভু দাঁড়িয়ে থাকে ছবির মত একলা তরু-তলে (রে)। কদম ফুলের মালা গেঁথে ছড়িয়ে সে দেয় ধানের ক্ষেতে তারে দেখতে পেলে আমার কথা (তারে) কইও ভালোবেসে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
