আল্লাহ থাকেন দূর আরশে

বাণী

আল্লাহ থাকেন দূর আরশে, নবীজী রয় প্রাণের কাছে।
প্রাণের কাছে রয় যে প্রিয়, সেই নবীরে পরান যাচে।।
	পয়গম্বরও পায় না খোদায়
	মোর নবীরে সকলে পায়,
নবীজী মোর তাবিজ হ’য়ে আমার বুকে জড়িয়ে আছে।।
খোদার নামে সেজ্‌দা করি, নবীরে মোর ভালোবাসি,
খোদা যেন নূরের সূরয, নবী যেন চাঁদের হাসি।
	নবীরে মোর কাছে পেতে
	হয় না পাহাড়-বনে যেতে,
বৃথা ফকির-দরবেশ মরে পু’ড়ে খোদার আগুন-আঁচে।।

সকাল সাঁঝে প্রভু সকল কাজে

বাণী

সকাল সাঁঝে প্রভু সকল কাজে উঠুক তোমারি নাম —
				বেজে উঠুক তোমারি নাম।
নিশীথ রাতে তারার মত উঠুক তোমারি নাম —
				বেজে উঠুক তোমারি নাম।।
তরুর শাখায় ফুলের সম
বিকশিত হোক (প্রভু) তব নাম নিরুপম,
সাগর মাঝে তরঙ্গ সম বহুক তোমারি নাম।।
পাষাণ শিলায় গিরি নির্ঝর সম বহুক তোমারি নাম
অকুল সমুদ্রে ধ্রুবতারা-সম জাগি’ রহুক তব নাম
				প্রভু জাগি’ রহুক তব নাম।
	শ্রাবণ দিনে বারি ধারার মত
	ঝরুক ও নাম প্রভু অবিরত
মানস কমল বনে মধুকর সম লুটুক তোমারি নাম।।

নাটক: ‌‘রূপকথা’

নয়ন যে মোর বারণ মানে না

বাণী

নয়ন যে মোর বারণ মানে না।
বারণ মানে না মন কাঁদন মানে না।।
	নিশিদিন তব আশে
	আছি চেয়ে পথ পাশে
দুকূল বেয়ে সলিল আসে কাজল মানে না।।
	সবার মাঝে থেকেও একা
আমি	তাই তো তোমার চাই গো দেখা,
মরম যে গো, তোমায় ছাড়া কারেও জানে না।।

আমার কালিবাঞ্ছা কল্পতরুর ছায়াতলে আয় রে

বাণী

আমার কালিবাঞ্ছা কল্পতরুর ছায়াতলে আয় রে,
এই তরুতলে যে যাহা চায় তখনি তা পায় রে॥
	তুই চতুর্বর্গ ফল কুড়াবি
	যোগ পাবি, ভোগ পাবি
এমন কল্পতরু থাকতে - কেন মরিস্ নিরাশায় রে॥
দস্যু ছেলের আবদারে সে সাজে ডাকাত কালির বেশে,
কত রামপ্রসাদের কন্যা হয়ে বেড়া বেঁধে যায় রে।
	ওরে পুত্র-কন্যা বিভব-রতন,
	চেয়ে নে যার ইচ্ছা যেমন,
ওরে আমার এ মন থাকে যেন বাঞ্ছাময়ীর পায় রে॥
	সে আর কিছু না চায়
	চেয়ে চেয়ে বাসনা তার শেষ হল না হায়!
এবার খালি হাতে তালি দিয়ে (আমি) চাইব কালিকায় রে॥

নিপীড়িতা পৃথিবী ডাকে

বাণী

নিপীড়িতা পৃথিবী ডাকে জাগো চন্ডিকা মহাকালি।
মৃতের শ্মশানে নাচো মৃত্যুঞ্জয়ী মহাশক্তি দনুজ-দলনী করালি॥
		প্রাণহীন শবে শিব-শক্তি জাগাও
		নারায়ণের যোগ-নিদ্রা ভাঙাও
অগ্নিশিখায় দশদিক রাঙাও বরাভয়দায়িনী নৃমুন্ডমালি॥
শ্রী চন্ডিতে তোরই শ্রীমুখের বাণী
কলিতে আবির্ভাব হবে তোর ভবানী।
		এসেছে কলি, কালিকা এলি কই
		শুম্ভ-নিশুম্ভ জন্মেছে পুন ঐ
অভয়বাণী তব মাভৈঃ মাভৈঃ শুনিব কবে মাগো খর করতালি॥

মদিনায় যাবি কে আয় আয়

বাণী

	মদিনায় যাবি কে আয় আয়।
উড়িল নিশান দিনের বিষাণ বাজিল যাহারে দরওয়াজায়।।
	হিজরাত ক’রে যে দেশে
	ঠাঁই পেলেন হজরত এসে
	খেলিতেন যথায় হেসে 
	হাসান হোসেন ফাতেমায়।।
হজরতের চার আসহাব যথা করলেন খেলাফত,
মসজিদে যাঁর প্রিয় মোহাম্মদ করতেন এবাদত;
ফুটল যথায় প্রথম ধীর খালেদের হিম্মত,
খোশ এলেহান দিতেন আজান বেলাল যথায়।।
	যার পথের ধূলির মাঝে
	নবীজীর চরণের ছোঁয়া বাজে,
	তৌহিদেরি ধ্বনি বাজে
	যার আসমানে, যার লু হাওয়ায়।।