বাণী
আমি যদি বাবা হতুম বাবা হ’ত খোকা না হলে তার নাম্তা পড়া মারতাম মাথায় টোকা।। রোজ যদি হ’ত রবিবার! কি মজাটাই হ’ত গো আমার! কেবল ছুটি! থাকত নাক’ নামতা লেখাজোঁখা থাকত না কো যুক্ত অক্ষর, অঙ্কে ধর্ত পোকা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
আমি যদি বাবা হতুম বাবা হ’ত খোকা না হলে তার নাম্তা পড়া মারতাম মাথায় টোকা।। রোজ যদি হ’ত রবিবার! কি মজাটাই হ’ত গো আমার! কেবল ছুটি! থাকত নাক’ নামতা লেখাজোঁখা থাকত না কো যুক্ত অক্ষর, অঙ্কে ধর্ত পোকা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
আমি যদি আরব হ’তাম — মদিনারই পথ। এই পথে মোর চ’লে যেতেন নূর নবী হজরত।। পয়জার তাঁর লাগত এসে আমার কঠিন বুকে, আমি ঝর্না হয়ে গ’লে যেতাম অম্নি পরম সুখে; সেই চিহ্ন বুকে পুরে পালিয়ে যেতাম কোহ্-ই-তুরে, দিবা নিশি করতাম তাঁর কদম জিয়ারত।। মা ফাতেমা খেলতো এসে আমার ধূলি ল’য়ে আমি পড়তাম তাঁর পায়ে লুটিয়ে ফুলের রেণু হয়ে। হাসান হোসেন হেসে হেসে নাচতো আমার বক্ষে এসে চক্ষে আমার বইতো নদী পেয়ে সে নেয়ামত।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সখি, সে হরি কেমন বল্। নাম শুনে যা’র এত প্রেম জাগে চোখে আনে এত জল।। সখি সে কি আসে এই পৃথিবীতে গাহি’ রাধা নাম বাঁশরিতে? যা’র অনুরাগে বিরহ-যমুনা হয়ে ওঠে চঞ্চল।। তা’রে কি নামে ডাকিলে আসে কোন্ রূপ কোন্ গুন পাইলে, সে রাধা সম ভালোবাসে? সখি শুনেছি সে নাকি কালো জ্বালে কেমনে সে এত আলো, মায়া ভুলাইতে মায়াবী সে নাকি করে গো মায়ার ছল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

চাঁদের নেশা লেগে ঢুলে নিশীথিনী। মদির হাওয়ার তালে নাচন লাগে ডালে ডালে — ঝিল্লি নূপুর পরি’ পায় নাচে কানন বিহারিণী।। নেশার ঘোর লাগে বনে পাপিয়া জাগে ‘চোখ গেল চোখ গেল’ গেয়ে ওঠে গুল-বাগে, একেলা বাতায়নে হায় জাগে বিরহিণী।। মহুয়া বকুল ফুলে মদির সুবাস ঘনায়, চাঁদের ওই মুখ মদের ছিটে লাগে কনক চাঁপায়। শান্ত হৃদয় মম দুলিছে সাগর সম, এমন রাতে সে কোথায় আমি যার অনুরাগিণী।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দাদ্রা)

গ্রহণী-রোগ-সমা গৃহিণী প্রিয়তমা, প্রসীদ! কর ক্ষমা! দেবী নমস্তে। শতমুখীধারিণী ভীমহুঙ্কারিণী যেন গন্ডারিনী দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে।দেবী নমস্তে।। চীৎকারে মাঝ রাতে পড়শীরা জেগে যায় তক্তাপোষের নীচে ছেলে পিলে ভেগে যায় পদভরে দুদ্দাড় ভেঙ্গে পড়ে ঘর দ্বার চেড়ীদের সর্দার হাতা-বেড়ী-হস্তে।দেবী নমস্তে।। শান্ত শিষ্ট এই গোবেচারা স্বামী তোমার পুলিশ কোর্টে চিরকাল আসামী তেড়ে আসে বীরজায়া তুমি কুঁদো মোটকা। বেগতিক দেখে ছুটি আমি রোগা পট্কা। কাঁছাকোঁচা বেসামাল ব্যস্তে সমস্তে।দেবী নমস্তে।। তুমি পূর্বজন্মে ছিলে ভোজপুরি দারোয়ান আমি বলীবর্দ তুমি ছিলে গাড়োয়ান; ময়দা ছিলাম আমি তুমি নিয়ে ঠাসতে। আহা হা টুটি কেন টিপে ধর? আস্তে, শ্বস্তে।দেবী নমস্তে।।
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

হের গোধূলি-বেলা সই ঘনিয়ে এলো ওই (ঐ হের গোধূলি) কি ভয়ে কি জানি উঠ্ল অঙ্গ ছ’ম্কে। কেন জল নিতে এলাম সই অবেলা একে অল্প বয়স তাহে একেলা, কাঁধে কাঁখে ঘড়া দেহে ডালি-ভরা যৌবন-পসরা উঠি চ’ম্কে।। পিছে পিছে আসিছে যেন কে হাসে চটুল চোখে। আর চল্তে নারি সখি ধর ধর কাঁপে দেহলতা কেন থর থর, ঐ কলঙ্কী কালারে বল্ যেতে বল্ দেশ ভরিবে মোদের কলঙ্কে। বল্ তারে, জল নিতে কাল হ’তে — আস্ব না আর এ পথে।।
রাগঃ
তালঃ