বাণী
চমকে চপলা মেঘে মগন গগন। গরজিছে রহি’ রহি’ অশনি সঘন।। লুকায়েছে গ্রহ-তারা দিবসে ঘনায় রাতি শূন্য কুটিরে কাঁদি, কোথায় ব্যথার সাথী, ভীত চমকিত-চিত, সচকিত শ্রবণ।।
রাগ ও তাল
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
চমকে চপলা মেঘে মগন গগন। গরজিছে রহি’ রহি’ অশনি সঘন।। লুকায়েছে গ্রহ-তারা দিবসে ঘনায় রাতি শূন্য কুটিরে কাঁদি, কোথায় ব্যথার সাথী, ভীত চমকিত-চিত, সচকিত শ্রবণ।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
মোর প্রথম মনের মুকুল ঝরে গেল হায় মনে মিলনের ক্ষণে। কপোতীর মিনতি কপোত শুনিল না, উড়ে গেল গহন-বনে।। দক্ষিণ সমীরণ কুসুম ফোটায় গো আমারি কাননে ফুল কেন ঝরে যায় গো জ্বলিল প্রদীপ সকলেরি ঘরে হায় নিভে গেল মোর দীপ গোধূলি লগনে।। বিফল অভিমানে কাঁদে ফুলমালা কণ্ঠ জড়ায়ে কাঁদি ধূলি-পথে একা ছিন্ন-লতার প্রায় লুটায়ে লুটায়ে। দারুণ তিয়াসে এসে সাগর-মুখে ঢলিয়া পড়িনু হায় বালুকারি বুকে ধোঁয়ারে মেঘ ভাবি’ ভুলিনু চাতকী জ্বলিয়া মরি গো বিরহ-দহনে।।
রাগঃ বনকুন্তলা (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ কাশফিয়া বিল্লাহ

সেদিন প্রভাতে অরুণ শোভাতে হেসেছ বুকে মোর মধু-হাসিনী। পরেছ গলায় আমার দেওয়া ফুল সে কি গো সবি ভুল বিজন-বাসিনী।। যেচেছ কত না আদর সোহাগ ক্ষণে অভিমান ক্ষণে অনুরাগ, কত প্রিয় নামে ডেকেছ আমায় সে কি গো গেছ ভুলে মধুভাষিণী।। আমার সাধ-আশ-সাধনা-সুখ-হাসি তোমার সনে প্রিয় সকলি গেছে ভাসি, কেন ফেলে দিলে নিরাশার কূলে, কোন্ অপরাধে বল উদাসিনী।।
রাগঃ ইমন কল্যাণ
তালঃ ত্রিতাল

চৈতী চাঁদের আলো আজ ভাল নাহি লাগে, তুমি নাই মোর কাছে — সেই কথা শুধু জাগে।। এই ধরণীর বুকে কত গান কত হাসি, প্রদীপ নিভায়ে ঘরে আমি আঁখি-নীরে ভাসি, পরানে বিরহী বাঁশি ঝুরিছে করুণ রাগে।। এ কী এ বেদনা আজি আমার ভুবন ঘিরে, ওগো অশান্ত মম, ফিরে এসো, এসো ফিরে। বুলবুলি এলে বনে বলে যাহা বনলতা — সাধ যায় কানে কানে আজি বলিব সে কথা, ভুল বুঝিও না মোরে বলিতে পারিনি আগে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ তাপস চৌধুরী
১.

২.

ভুল ক'রে যদি ভালোবেসে থাকি ক্ষমিও সে অপরাধ। অসহায় মনে কেন জেগেছিল ভালবাসিবার সাধ।। কত জন আসে তব ফুলবন মলয়, ভ্রমর, চাঁদের কিরণ, — তেমনি আমিও আসি অকারণ অপরূপ উন্মাদ।। তোমার হৃদয়-শূন্যে জ্বলিছে কত রবি শশী তারা, তারি মাঝে আমি ধূমকেতু সম এসেছিনু পথহারা। তবু জানি প্রিয় একদা নিশীথে মনে পড়ে যাবে আমারে চকিতে, সহসা জাগিবে উৎসব-গীতে সকরুণ অবসাদ।।
রাগঃ দরবারী কানাড়া
তালঃ দাদ্রা

দেশে দেশে গেয়ে বেড়াই তোমার নামের গান হে খোদা, এ যে তোমারই হুকুম, তোমারই ফরমান।। এমনি তোমার নামের আছর – নামাজ রোজার নাই অবসর, তোমার নামের নেশায় সদা মশগুল মোর প্রাণ।। তকদিরে মোর এই লিখেছ হাজার গানের সুরে নিত্য দিব তোমার আজান আঁধার মিনার-চূড়ে। কাজের মাঝে হাটের পথে রণ-ভূমে এবাদতে আমি তোমার নাম শোনাব, করব শক্তি দান।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
