বাণী
ফণির ফণায় জ্বলে মণি কে নিবি তাহারে আয়। মণি নিতে ডরে না কে ফণির বিষ জ্বালায়।। করেছে মেঘ উজালা বজ্র মানিক মালা, সে-মালা নেবে কি কালা মরিয়া অশনি যায়।।
নাটক : ‘মহুয়া’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ফণির ফণায় জ্বলে মণি কে নিবি তাহারে আয়। মণি নিতে ডরে না কে ফণির বিষ জ্বালায়।। করেছে মেঘ উজালা বজ্র মানিক মালা, সে-মালা নেবে কি কালা মরিয়া অশনি যায়।।
নাটক : ‘মহুয়া’
রাগঃ
তালঃ
বাদল বায়ে মোর নিভিয়া গেছে বাতি। তোমার ঘরে আজ উৎসবের রাতি।। তোমার আছে হাসি, আমার আঁখি-জল তোমার আছে চাঁদ, আমার মেঘ-দল, তোমার আছে ঘর, ঝড় আমার সাথী।। শূন্য করি’ মোর মনের বন-ভূমি, সেজেছ সেই ফুলে রানীর সাজে তুমি। নব বাসর-ঘরে যাও সে-সাজ প’রে, ঘুমাতে দাও মোরে কাঁটার সেজ পাতি’।।
রাগঃ দেশ
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি
তিমির বিদারী অলখ-বিহারী কৃষ্ণ মুরারি আগত ঐ টুটিল আগল নিখিল পাগল সর্বসহা আজি সর্বজয়ী।। বহিছে উজান অশ্রু-যমুনায় হৃদি-বৃন্দাবনে আনন্দ ডাকে, (ওরে) ‘আয়’, বসুধা যশোদার স্নেহধার উথলায় (ওগো) কাল্-রাখাল নাচে থৈ-তা-থৈ।। বিশ্ব ভরি' ওঠে স্তব নমো নমঃ অরির পুরী-মাঝে এলো অরিন্দম। ঘিরিয়া দ্বার বৃথা জাগে প্রহরী জন বন্ধ কারায় এলো বন্ধ-বিমোচন, ধরি' অজানা পথ আসিল অনাগত জাগিয়া ব্যথাহত ডাকে, মাভৈঃ।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
১.

স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম
২.

অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
ওগো প্রিয়, তব গান! আকাশ-গাঙের জোয়ারে উজান বহিয়া যায় মোর কথাগুলি কাঁদিছে বুকের দুয়ারে পথ খুঁজে নাহি পায়।। ওগো দখিনা বাতাস, ফুলের সুরভি বহ ওরি সাথে মোর না-বলা বাণী লহ ওগো মেঘ, তুমি মোর হয়ে গিয়ে কহ বন্দিনী গিরি ঝরনা পাষাণ-তলে যে কথা কহিতে চায়।। ওরে ও সুরমা, পদ্মা, কর্ণফুলি তোদের ভাটির স্রোতে নিয়ে যা আমার না-বলা কথাগুলি ধুয়ে মোর বুক হ'তে ওরে 'চোখ গেল' বউ কথা কও' পাখি তোদের কণ্ঠে মোর সুর, যাই রাখি' কি? (ওরে) মাঠের মুরলী কহিও তাহারে ডাকি, আমার গানের কলি না-ফোটা বুলি ঝ'রে গেল নিরাশায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

রঙ্গিলা আপনি রাধা তারে হোরির রঙ দিও না ফাগুনের রাণীরে শ্যাম আর ফাগে রাঙিয়ো না।। রাঙা আবির রাঙ্গা ঠোঁটে গালে ফাগের লালী ফোটে রঙ সায়রে নেয়ে উঠে অঙ্গে ঝরে রঙের সোনা।। অনুরাগ –রাঙা মনে রঙের খেলা ক্ষণে ক্ষণে অন্তরে যার রঙের লীলা তারে বাহিরে রঙ লাগিয়ো না।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
